ঢাকা ০৩:৩৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিএনপি জোটের এমপিরা সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ না নেওয়ায় ডাকসুর উদ্বেগ

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৭:৪৮:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৭৭ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:
বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোটের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা (এমপি) সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণ না করায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু)। মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে এ উদ্বেগ জানানো হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ গ্রহণ থেকে বিরত থেকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) জনগণের প্রত্যক্ষ রায়কে অগ্রাহ্য করেছে। এটি গণতান্ত্রিক চর্চা ও ‘জুলাই সনদে’ তাদের কৃত অঙ্গীকারের সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলেও উল্লেখ করা হয়।

ডাকসু নেতারা বলেন, সম্প্রতি অনুষ্ঠিত গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের সুস্পষ্ট বিজয়ের মাধ্যমে জনগণ সংস্কারের পক্ষে তাদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে। গণভোটের ফল কার্যকর করার প্রক্রিয়া থেকে সরে দাঁড়ানো জনগণের রায়ের প্রতি অবজ্ঞা প্রকাশের শামিল।

বিবৃতিতে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধান-এর ৭ অনুচ্ছেদ উল্লেখ করে বলা হয়, প্রজাতন্ত্রের সব ক্ষমতার মালিক জনগণ এবং জনগণের অভিপ্রায়ই সংবিধানের সর্বোচ্চ ভিত্তি। গণভোটে জনগণ সংস্কারের পক্ষে রায় দিয়েছে—সবকিছুই জনগণের অভিপ্রায়ের ভিত্তিতে সম্পন্ন হয়েছে।

এছাড়া ‘জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫০’-এর ধারা-০৮ অনুযায়ী সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ একই সঙ্গে হওয়ার কথা থাকলেও বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোট তা গ্রহণ করেনি বলে অভিযোগ করা হয়।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, জুলাই বিপ্লবের প্রত্যাশা—স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার—বাস্তবায়নে সব রাজনৈতিক শক্তির দায়িত্বশীল ভূমিকা অপরিহার্য। বিএনপি জনরায় উপেক্ষা করে সংকীর্ণ দলীয় স্বার্থকে প্রাধান্য দেওয়ায় গণতান্ত্রিক কাঠামোর জন্য সংকট সৃষ্টি হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করে ডাকসু।

বিএনপির প্রতি আহ্বান জানিয়ে সংগঠনটি বলেছে, সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ গ্রহণের মাধ্যমে জনগণের রায়ের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন করতে হবে এবং জুলাই সনদ বাস্তবায়নে এগিয়ে আসতে হবে। অন্যথায় নতুন সাংবিধানিক সংকট তৈরি হতে পারে এবং অন্তর্বর্তী সরকার, বিচার ও নির্বাচনের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে বলেও সতর্ক করা হয়।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।

ইরানের সঙ্গে চুক্তির সম্ভাবনায় আশাবাদী হোয়াইট হাউস

বিএনপি জোটের এমপিরা সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ না নেওয়ায় ডাকসুর উদ্বেগ

আপডেট সময় ০৭:৪৮:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

নিউজ ডেস্ক:
বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোটের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা (এমপি) সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণ না করায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু)। মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে এ উদ্বেগ জানানো হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ গ্রহণ থেকে বিরত থেকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) জনগণের প্রত্যক্ষ রায়কে অগ্রাহ্য করেছে। এটি গণতান্ত্রিক চর্চা ও ‘জুলাই সনদে’ তাদের কৃত অঙ্গীকারের সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলেও উল্লেখ করা হয়।

ডাকসু নেতারা বলেন, সম্প্রতি অনুষ্ঠিত গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের সুস্পষ্ট বিজয়ের মাধ্যমে জনগণ সংস্কারের পক্ষে তাদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে। গণভোটের ফল কার্যকর করার প্রক্রিয়া থেকে সরে দাঁড়ানো জনগণের রায়ের প্রতি অবজ্ঞা প্রকাশের শামিল।

বিবৃতিতে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধান-এর ৭ অনুচ্ছেদ উল্লেখ করে বলা হয়, প্রজাতন্ত্রের সব ক্ষমতার মালিক জনগণ এবং জনগণের অভিপ্রায়ই সংবিধানের সর্বোচ্চ ভিত্তি। গণভোটে জনগণ সংস্কারের পক্ষে রায় দিয়েছে—সবকিছুই জনগণের অভিপ্রায়ের ভিত্তিতে সম্পন্ন হয়েছে।

এছাড়া ‘জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫০’-এর ধারা-০৮ অনুযায়ী সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ একই সঙ্গে হওয়ার কথা থাকলেও বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোট তা গ্রহণ করেনি বলে অভিযোগ করা হয়।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, জুলাই বিপ্লবের প্রত্যাশা—স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার—বাস্তবায়নে সব রাজনৈতিক শক্তির দায়িত্বশীল ভূমিকা অপরিহার্য। বিএনপি জনরায় উপেক্ষা করে সংকীর্ণ দলীয় স্বার্থকে প্রাধান্য দেওয়ায় গণতান্ত্রিক কাঠামোর জন্য সংকট সৃষ্টি হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করে ডাকসু।

বিএনপির প্রতি আহ্বান জানিয়ে সংগঠনটি বলেছে, সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ গ্রহণের মাধ্যমে জনগণের রায়ের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন করতে হবে এবং জুলাই সনদ বাস্তবায়নে এগিয়ে আসতে হবে। অন্যথায় নতুন সাংবিধানিক সংকট তৈরি হতে পারে এবং অন্তর্বর্তী সরকার, বিচার ও নির্বাচনের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে বলেও সতর্ক করা হয়।


Notice: ob_end_flush(): Failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/somokontho/public_html/wp-includes/functions.php on line 5481