ঢাকা ১০:৩৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

বিএনপি জোটের এমপিরা সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ না নেওয়ায় ডাকসুর উদ্বেগ

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৭:৪৮:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ১১২ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:
বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোটের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা (এমপি) সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণ না করায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু)। মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে এ উদ্বেগ জানানো হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ গ্রহণ থেকে বিরত থেকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) জনগণের প্রত্যক্ষ রায়কে অগ্রাহ্য করেছে। এটি গণতান্ত্রিক চর্চা ও ‘জুলাই সনদে’ তাদের কৃত অঙ্গীকারের সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলেও উল্লেখ করা হয়।

ডাকসু নেতারা বলেন, সম্প্রতি অনুষ্ঠিত গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের সুস্পষ্ট বিজয়ের মাধ্যমে জনগণ সংস্কারের পক্ষে তাদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে। গণভোটের ফল কার্যকর করার প্রক্রিয়া থেকে সরে দাঁড়ানো জনগণের রায়ের প্রতি অবজ্ঞা প্রকাশের শামিল।

বিবৃতিতে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধান-এর ৭ অনুচ্ছেদ উল্লেখ করে বলা হয়, প্রজাতন্ত্রের সব ক্ষমতার মালিক জনগণ এবং জনগণের অভিপ্রায়ই সংবিধানের সর্বোচ্চ ভিত্তি। গণভোটে জনগণ সংস্কারের পক্ষে রায় দিয়েছে—সবকিছুই জনগণের অভিপ্রায়ের ভিত্তিতে সম্পন্ন হয়েছে।

এছাড়া ‘জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫০’-এর ধারা-০৮ অনুযায়ী সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ একই সঙ্গে হওয়ার কথা থাকলেও বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোট তা গ্রহণ করেনি বলে অভিযোগ করা হয়।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, জুলাই বিপ্লবের প্রত্যাশা—স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার—বাস্তবায়নে সব রাজনৈতিক শক্তির দায়িত্বশীল ভূমিকা অপরিহার্য। বিএনপি জনরায় উপেক্ষা করে সংকীর্ণ দলীয় স্বার্থকে প্রাধান্য দেওয়ায় গণতান্ত্রিক কাঠামোর জন্য সংকট সৃষ্টি হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করে ডাকসু।

বিএনপির প্রতি আহ্বান জানিয়ে সংগঠনটি বলেছে, সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ গ্রহণের মাধ্যমে জনগণের রায়ের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন করতে হবে এবং জুলাই সনদ বাস্তবায়নে এগিয়ে আসতে হবে। অন্যথায় নতুন সাংবিধানিক সংকট তৈরি হতে পারে এবং অন্তর্বর্তী সরকার, বিচার ও নির্বাচনের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে বলেও সতর্ক করা হয়।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

বিএনপি জোটের এমপিরা সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ না নেওয়ায় ডাকসুর উদ্বেগ

আপডেট সময় ০৭:৪৮:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

নিউজ ডেস্ক:
বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোটের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা (এমপি) সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণ না করায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু)। মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে এ উদ্বেগ জানানো হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ গ্রহণ থেকে বিরত থেকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) জনগণের প্রত্যক্ষ রায়কে অগ্রাহ্য করেছে। এটি গণতান্ত্রিক চর্চা ও ‘জুলাই সনদে’ তাদের কৃত অঙ্গীকারের সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলেও উল্লেখ করা হয়।

ডাকসু নেতারা বলেন, সম্প্রতি অনুষ্ঠিত গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের সুস্পষ্ট বিজয়ের মাধ্যমে জনগণ সংস্কারের পক্ষে তাদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে। গণভোটের ফল কার্যকর করার প্রক্রিয়া থেকে সরে দাঁড়ানো জনগণের রায়ের প্রতি অবজ্ঞা প্রকাশের শামিল।

বিবৃতিতে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধান-এর ৭ অনুচ্ছেদ উল্লেখ করে বলা হয়, প্রজাতন্ত্রের সব ক্ষমতার মালিক জনগণ এবং জনগণের অভিপ্রায়ই সংবিধানের সর্বোচ্চ ভিত্তি। গণভোটে জনগণ সংস্কারের পক্ষে রায় দিয়েছে—সবকিছুই জনগণের অভিপ্রায়ের ভিত্তিতে সম্পন্ন হয়েছে।

এছাড়া ‘জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫০’-এর ধারা-০৮ অনুযায়ী সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ একই সঙ্গে হওয়ার কথা থাকলেও বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোট তা গ্রহণ করেনি বলে অভিযোগ করা হয়।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, জুলাই বিপ্লবের প্রত্যাশা—স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার—বাস্তবায়নে সব রাজনৈতিক শক্তির দায়িত্বশীল ভূমিকা অপরিহার্য। বিএনপি জনরায় উপেক্ষা করে সংকীর্ণ দলীয় স্বার্থকে প্রাধান্য দেওয়ায় গণতান্ত্রিক কাঠামোর জন্য সংকট সৃষ্টি হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করে ডাকসু।

বিএনপির প্রতি আহ্বান জানিয়ে সংগঠনটি বলেছে, সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ গ্রহণের মাধ্যমে জনগণের রায়ের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন করতে হবে এবং জুলাই সনদ বাস্তবায়নে এগিয়ে আসতে হবে। অন্যথায় নতুন সাংবিধানিক সংকট তৈরি হতে পারে এবং অন্তর্বর্তী সরকার, বিচার ও নির্বাচনের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে বলেও সতর্ক করা হয়।