ঢাকা ০১:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

বাবা ছিলেন জিয়াউর রহমানের সরকারের মন্ত্রী, মেয়ে তারেক রহমানের

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৭:৫০:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৮১ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:
বাবা ছিলেন বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান-এর মন্ত্রিসভার সদস্য। আর এবার মেয়ে জায়গা করে নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান-এর মন্ত্রিসভায়। বলা হচ্ছে বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদের কথা।

ফরিদপুর-২ (নগরকান্দা-সালথা) আসনের সংসদ সদস্য শামা ওবায়েদ মঙ্গলবার জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন। তাঁকে শপথবাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।

নির্বাচনে তিনি ১ লাখ ২১ হাজার ৬৯৪ ভোট পেয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীর চেয়ে ৩২ হাজার ৩৮৯ ভোট বেশি পেয়ে বিজয়ী হন এই কেন্দ্রীয় বিএনপি নেতা।

শামা ওবায়েদ প্রয়াত প্রবীণ রাজনীতিবিদ কে এম ওবায়দুর রহমান-এর কন্যা। নির্বাচনি এলাকায় দীর্ঘদিন সক্রিয় থেকে জনসংযোগ ও উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনার কারণে তিনি ভোটারদের সমর্থন অর্জন করেন বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।

নির্বাচনে জয়ের পর থেকেই তাঁর মন্ত্রিত্ব পাওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা চলছিল। শেষ পর্যন্ত সেই আলোচনা বাস্তবে রূপ নিল।

শামা ওবায়েদের বাবা কে এম ওবায়দুর রহমানের রাজনৈতিক জীবন ছিল বর্ণাঢ্য। ১৯৭৩ সালে তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ-এর প্রার্থী হিসেবে তৎকালীন ফরিদপুর-৭ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং ১৯৭৩-১৯৭৫ মেয়াদে ডাক ও তার প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। শেখ মুজিবুর রহমান হত্যাকাণ্ডের পর তিনি খোন্দকার মোশতাক আহমেদ-এর সরকারে যোগ দেন। ১৯৭৫ সালের জেল হত্যা মামলায় অভিযুক্ত হলেও ২০০৪ সালে তিনি খালাস পান।

পরবর্তীতে ১৯৭৮ সালে তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-তে যোগ দেন এবং ১৯৭৯ সালে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। সে সময় তিনি প্রথমে মৎস্য ও পশুপালন এবং পরে বিমান ও পর্যটনমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৮৬-১৯৮৮ সময়ে তিনি বিএনপির মহাসচিব ছিলেন। জুন ১৯৯৬ ও ২০০১ সালের নির্বাচনেও ফরিদপুর-২ আসন থেকে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ছিলেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

বাবা ছিলেন জিয়াউর রহমানের সরকারের মন্ত্রী, মেয়ে তারেক রহমানের

আপডেট সময় ০৭:৫০:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

নিউজ ডেস্ক:
বাবা ছিলেন বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান-এর মন্ত্রিসভার সদস্য। আর এবার মেয়ে জায়গা করে নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান-এর মন্ত্রিসভায়। বলা হচ্ছে বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদের কথা।

ফরিদপুর-২ (নগরকান্দা-সালথা) আসনের সংসদ সদস্য শামা ওবায়েদ মঙ্গলবার জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন। তাঁকে শপথবাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।

নির্বাচনে তিনি ১ লাখ ২১ হাজার ৬৯৪ ভোট পেয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীর চেয়ে ৩২ হাজার ৩৮৯ ভোট বেশি পেয়ে বিজয়ী হন এই কেন্দ্রীয় বিএনপি নেতা।

শামা ওবায়েদ প্রয়াত প্রবীণ রাজনীতিবিদ কে এম ওবায়দুর রহমান-এর কন্যা। নির্বাচনি এলাকায় দীর্ঘদিন সক্রিয় থেকে জনসংযোগ ও উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনার কারণে তিনি ভোটারদের সমর্থন অর্জন করেন বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।

নির্বাচনে জয়ের পর থেকেই তাঁর মন্ত্রিত্ব পাওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা চলছিল। শেষ পর্যন্ত সেই আলোচনা বাস্তবে রূপ নিল।

শামা ওবায়েদের বাবা কে এম ওবায়দুর রহমানের রাজনৈতিক জীবন ছিল বর্ণাঢ্য। ১৯৭৩ সালে তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ-এর প্রার্থী হিসেবে তৎকালীন ফরিদপুর-৭ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং ১৯৭৩-১৯৭৫ মেয়াদে ডাক ও তার প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। শেখ মুজিবুর রহমান হত্যাকাণ্ডের পর তিনি খোন্দকার মোশতাক আহমেদ-এর সরকারে যোগ দেন। ১৯৭৫ সালের জেল হত্যা মামলায় অভিযুক্ত হলেও ২০০৪ সালে তিনি খালাস পান।

পরবর্তীতে ১৯৭৮ সালে তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-তে যোগ দেন এবং ১৯৭৯ সালে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। সে সময় তিনি প্রথমে মৎস্য ও পশুপালন এবং পরে বিমান ও পর্যটনমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৮৬-১৯৮৮ সময়ে তিনি বিএনপির মহাসচিব ছিলেন। জুন ১৯৯৬ ও ২০০১ সালের নির্বাচনেও ফরিদপুর-২ আসন থেকে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ছিলেন।