ঢাকা ০৮:০৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

বাংলাদেশ খেলতে না গেলে ৪০ কোটি রুপি ক্ষতি হতে পারে ভারতের

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৫:২৯:১০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৬
  • ১০৫ বার পড়া হয়েছে

স্পোর্টস ডেস্ক:
আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্বের চারটি ম্যাচই ভারতে খেলার কথা বাংলাদেশের। তবে সম্প্রতি দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কে ব্যাপক অবনতি হওয়ায় অনিশ্চিত এই ম্যাচগুলো। নিরাপত্তা শঙ্কায় ভারতের মাটি থেকে নিজেদের ম্যাচ সরিয়ে নিতে আইসিসিকে অনুরোধ জানিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। এমন পরিস্থিতিতে ভারত থেকে বাংলাদেশের ৪টি ম্যাচ সরিয়ে নেওয়া হলে আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়বে বোর্ড অব কন্ট্রোল ফর ক্রিকেট ইন ইন্ডিয়া (বিসিসিআই)।

ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) আসন্ন আসরে কলকাতা নাইট রাইডার্সের হয়ে খেলার কথা ছিল মুস্তাফিজুর রহমানের। তবে আসর শুরুর আগেই তাকে স্কোয়াড থেকে বাদ দিতে কলকাতাকে নির্দেশ দেয় বিসিসিআই। বোর্ডের নির্দেশ মেনে বাংলাদেশি এই পেসারকে বাদ দিয়েছে ফ্যাঞ্চাইজিটি।

নিরাপত্তা শঙ্কায় মুস্তাফিজকে বাদ দেওয়ার পর দেশটিতে বিশ্বকাপ খেলতে যেতে চায় না বিসিবি। এমনকি বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকেও ক্রিকেটারদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ জানানো হয় এবং দল না পাঠানোর পরামর্শ দেওয়া হয়। একই সঙ্গে বাংলাদেশে আইপিএলের সবধরনের সম্প্রচার অনির্দিষ্ট কালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়।

এদিকে বাংলাদেশের বার্তা পেয়ে ম্যাচগুলো ভারত থেকে সরিয়ে আসরের সহ আয়োজক শ্রীলঙ্কার মাটিতে আয়োজন করার ব্যাপারে ইতিবাচক আইসিসি, এমনটাই জানিয়েছে ক্রিকেট ভিত্তিক ভারতীয় ওয়েবসাইট ক্রিকবাজ। যদি শেষ পর্যন্ত সূচি বদলাতে হয় তাহলে আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়বে ভারত।

পূর্ব ঘোষিত সূচি অনুযায়ী কলকাতা ও মুম্বাইতে হওয়ার কথা রয়েছে বাংলাদেশের চারটি ম্যাচ। ইডেনে দর্শক ধারণক্ষমতা ৬৩ হাজার। আর ওয়াংখেড়ের ক্ষেত্রে সংখ্যাটা ৩৩ হাজার। সব মিলিয়ে বাংলাদেশের ৪টি ম্যাচে প্রায় ২ লাখ ২২ হাজার টিকিট বিক্রির সম্ভাবনা ছিল। বাংলাদেশের ম্যাচগুলোর টিকিটের দাম রাখা হয়েছে সর্বনিম্ন ১০০ থেকে ৩০০ রুপির মধ্যে।

আইসিসির নিয়ম অনুযায়ী, টিকিটের মালিকানা আইসিসি বিজনেস কর্পোরেশনের। যেহেতু ভারতীয় বোর্ড কেবল বিশ্বকাপের আয়োজক, ফলে টিকিট বিক্রির পুরো অর্থ তারা পাবে না। তবে ম্যাচ-ডে সারপ্লাস (উদ্বৃত্ত আয়), স্থানীয় স্পনসরশিপ এবং হসপিটালিটি ডিমান্ড (ভিআইপি বক্স) থেকে ভালো টাকা আয় করার কথা ছিল তাদের।

যদি বাংলাদেশের ম্যাচগুলো সরিয়ে নেয়া হয় শ্রীলঙ্কায় এবং কলকাতা ও মুম্বাইয়ে অন্য কোনও ম্যাচ না দেয়া হয়, সে ক্ষেত্রে টিকিট বিক্রি বাবদ সম্ভাব্য ক্ষতির পরিমাণ হতে পারে প্রায় ১০ কোটি থেকে ৪০ কোটি রুপি। (যদি ৬০–৯০ শতাংশ দর্শক উপস্থিতি এবং টিকিটের গড় দাম ৫০০–১,৫০০ রুপি ধরা হয়)। কিন্তু বাংলাদেশের ম্যাচগুলোর পরিবর্তে একই ভেন্যুতে অন্য ম্যাচ দেয়া হলে ক্ষতির পরিমাণ অনেকটাই কমে আসবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

বাংলাদেশ খেলতে না গেলে ৪০ কোটি রুপি ক্ষতি হতে পারে ভারতের

আপডেট সময় ০৫:২৯:১০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৬

স্পোর্টস ডেস্ক:
আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্বের চারটি ম্যাচই ভারতে খেলার কথা বাংলাদেশের। তবে সম্প্রতি দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কে ব্যাপক অবনতি হওয়ায় অনিশ্চিত এই ম্যাচগুলো। নিরাপত্তা শঙ্কায় ভারতের মাটি থেকে নিজেদের ম্যাচ সরিয়ে নিতে আইসিসিকে অনুরোধ জানিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। এমন পরিস্থিতিতে ভারত থেকে বাংলাদেশের ৪টি ম্যাচ সরিয়ে নেওয়া হলে আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়বে বোর্ড অব কন্ট্রোল ফর ক্রিকেট ইন ইন্ডিয়া (বিসিসিআই)।

ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) আসন্ন আসরে কলকাতা নাইট রাইডার্সের হয়ে খেলার কথা ছিল মুস্তাফিজুর রহমানের। তবে আসর শুরুর আগেই তাকে স্কোয়াড থেকে বাদ দিতে কলকাতাকে নির্দেশ দেয় বিসিসিআই। বোর্ডের নির্দেশ মেনে বাংলাদেশি এই পেসারকে বাদ দিয়েছে ফ্যাঞ্চাইজিটি।

নিরাপত্তা শঙ্কায় মুস্তাফিজকে বাদ দেওয়ার পর দেশটিতে বিশ্বকাপ খেলতে যেতে চায় না বিসিবি। এমনকি বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকেও ক্রিকেটারদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ জানানো হয় এবং দল না পাঠানোর পরামর্শ দেওয়া হয়। একই সঙ্গে বাংলাদেশে আইপিএলের সবধরনের সম্প্রচার অনির্দিষ্ট কালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়।

এদিকে বাংলাদেশের বার্তা পেয়ে ম্যাচগুলো ভারত থেকে সরিয়ে আসরের সহ আয়োজক শ্রীলঙ্কার মাটিতে আয়োজন করার ব্যাপারে ইতিবাচক আইসিসি, এমনটাই জানিয়েছে ক্রিকেট ভিত্তিক ভারতীয় ওয়েবসাইট ক্রিকবাজ। যদি শেষ পর্যন্ত সূচি বদলাতে হয় তাহলে আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়বে ভারত।

পূর্ব ঘোষিত সূচি অনুযায়ী কলকাতা ও মুম্বাইতে হওয়ার কথা রয়েছে বাংলাদেশের চারটি ম্যাচ। ইডেনে দর্শক ধারণক্ষমতা ৬৩ হাজার। আর ওয়াংখেড়ের ক্ষেত্রে সংখ্যাটা ৩৩ হাজার। সব মিলিয়ে বাংলাদেশের ৪টি ম্যাচে প্রায় ২ লাখ ২২ হাজার টিকিট বিক্রির সম্ভাবনা ছিল। বাংলাদেশের ম্যাচগুলোর টিকিটের দাম রাখা হয়েছে সর্বনিম্ন ১০০ থেকে ৩০০ রুপির মধ্যে।

আইসিসির নিয়ম অনুযায়ী, টিকিটের মালিকানা আইসিসি বিজনেস কর্পোরেশনের। যেহেতু ভারতীয় বোর্ড কেবল বিশ্বকাপের আয়োজক, ফলে টিকিট বিক্রির পুরো অর্থ তারা পাবে না। তবে ম্যাচ-ডে সারপ্লাস (উদ্বৃত্ত আয়), স্থানীয় স্পনসরশিপ এবং হসপিটালিটি ডিমান্ড (ভিআইপি বক্স) থেকে ভালো টাকা আয় করার কথা ছিল তাদের।

যদি বাংলাদেশের ম্যাচগুলো সরিয়ে নেয়া হয় শ্রীলঙ্কায় এবং কলকাতা ও মুম্বাইয়ে অন্য কোনও ম্যাচ না দেয়া হয়, সে ক্ষেত্রে টিকিট বিক্রি বাবদ সম্ভাব্য ক্ষতির পরিমাণ হতে পারে প্রায় ১০ কোটি থেকে ৪০ কোটি রুপি। (যদি ৬০–৯০ শতাংশ দর্শক উপস্থিতি এবং টিকিটের গড় দাম ৫০০–১,৫০০ রুপি ধরা হয়)। কিন্তু বাংলাদেশের ম্যাচগুলোর পরিবর্তে একই ভেন্যুতে অন্য ম্যাচ দেয়া হলে ক্ষতির পরিমাণ অনেকটাই কমে আসবে।