ঢাকা ০৪:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

পে স্কেল নিয়ে নতুন কর্মসূচির পথে সরকারি কর্মচারীরা

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০২:০১:০৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ১০৮ বার পড়া হয়েছে

নতুন বেতন কাঠামো বা নবম পে স্কেল নিয়ে দীর্ঘদিনের অনিশ্চয়তা ও সরকারি কর্মচারীদের মধ্যে বিরাজমান ক্ষোভের মধ্যেই আন্দোলনে নতুন মোড় এসেছে। ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদির মৃত্যুতে শ্রদ্ধা জানানো এবং সামগ্রিক রাষ্ট্রীয় পরিস্থিতি বিবেচনায় পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি সাময়িকভাবে স্থগিত করেছিলেন সরকারি কর্মচারীরা। তবে একাধিকবার আলটিমেটাম দেওয়ার পরও পে কমিশন এখনো নবম পে স্কেল সংক্রান্ত সুপারিশ দাখিল না করায় ফের কর্মসূচিতে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্মচারী সংগঠনগুলো।

এ প্রেক্ষাপটে আগামীকাল শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করবেন সরকারি কর্মচারীরা।

জানা গেছে, নতুন বছরের শুরুতেই ধারাবাহিক কর্মসূচি আসতে পারে। সম্ভাব্য কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে প্রতীকী অনশন, সমাবেশ, মহাসমাবেশ এবং দৈনিক এক থেকে দুই ঘণ্টার কর্মবিরতি। কর্মসূচির ধরন ও নির্দিষ্ট তারিখ সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে জানানো হবে।

এর আগে বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদ জানায়, সরকারি চাকরিজীবী বিধিমালা ও শৃঙ্খলার বাইরে গিয়ে কোনো কর্মসূচি দেওয়া হবে না। সংগঠনের আরেক নেতা বলেন, প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী হিসেবে তারা ইচ্ছেমতো কর্মসূচি দিতে পারেন না। চাকরির বিধিমালা ও শৃঙ্খলার মধ্যেই সব কর্মসূচি পালন করা হবে এবং বিধিমালা বহির্ভূত কোনো কর্মসূচি দেওয়া হবে না।

উল্লেখ্য, সরকারি চাকরিজীবীদের বৈষম্য নিরসন ও সুযোগ-সুবিধা বাড়াতে গত জুলাই মাসে অন্তর্বর্তী সরকার পে কমিশন গঠন করে। ছয় মাসের মধ্যে সুপারিশ দেওয়ার বাধ্যবাধকতা রেখে এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপনও জারি করা হয়। পরবর্তী সময়ে অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ এই সরকারের সময়েই নবম পে স্কেল বাস্তবায়নের ইঙ্গিত দেন।

তবে নভেম্বর মাসে অর্থ উপদেষ্টা জানান, সরকারি কর্মচারীদের নতুন পে কমিশনের সিদ্ধান্ত নেবে আগামী সরকার। এ বক্তব্যের পর থেকেই সরকারি কর্মচারীদের মধ্যে অসন্তোষ ও ক্ষোভ আরও বেড়ে যায়।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

পে স্কেল নিয়ে নতুন কর্মসূচির পথে সরকারি কর্মচারীরা

আপডেট সময় ০২:০১:০৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ ডিসেম্বর ২০২৫

নতুন বেতন কাঠামো বা নবম পে স্কেল নিয়ে দীর্ঘদিনের অনিশ্চয়তা ও সরকারি কর্মচারীদের মধ্যে বিরাজমান ক্ষোভের মধ্যেই আন্দোলনে নতুন মোড় এসেছে। ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদির মৃত্যুতে শ্রদ্ধা জানানো এবং সামগ্রিক রাষ্ট্রীয় পরিস্থিতি বিবেচনায় পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি সাময়িকভাবে স্থগিত করেছিলেন সরকারি কর্মচারীরা। তবে একাধিকবার আলটিমেটাম দেওয়ার পরও পে কমিশন এখনো নবম পে স্কেল সংক্রান্ত সুপারিশ দাখিল না করায় ফের কর্মসূচিতে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্মচারী সংগঠনগুলো।

এ প্রেক্ষাপটে আগামীকাল শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করবেন সরকারি কর্মচারীরা।

জানা গেছে, নতুন বছরের শুরুতেই ধারাবাহিক কর্মসূচি আসতে পারে। সম্ভাব্য কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে প্রতীকী অনশন, সমাবেশ, মহাসমাবেশ এবং দৈনিক এক থেকে দুই ঘণ্টার কর্মবিরতি। কর্মসূচির ধরন ও নির্দিষ্ট তারিখ সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে জানানো হবে।

এর আগে বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদ জানায়, সরকারি চাকরিজীবী বিধিমালা ও শৃঙ্খলার বাইরে গিয়ে কোনো কর্মসূচি দেওয়া হবে না। সংগঠনের আরেক নেতা বলেন, প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী হিসেবে তারা ইচ্ছেমতো কর্মসূচি দিতে পারেন না। চাকরির বিধিমালা ও শৃঙ্খলার মধ্যেই সব কর্মসূচি পালন করা হবে এবং বিধিমালা বহির্ভূত কোনো কর্মসূচি দেওয়া হবে না।

উল্লেখ্য, সরকারি চাকরিজীবীদের বৈষম্য নিরসন ও সুযোগ-সুবিধা বাড়াতে গত জুলাই মাসে অন্তর্বর্তী সরকার পে কমিশন গঠন করে। ছয় মাসের মধ্যে সুপারিশ দেওয়ার বাধ্যবাধকতা রেখে এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপনও জারি করা হয়। পরবর্তী সময়ে অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ এই সরকারের সময়েই নবম পে স্কেল বাস্তবায়নের ইঙ্গিত দেন।

তবে নভেম্বর মাসে অর্থ উপদেষ্টা জানান, সরকারি কর্মচারীদের নতুন পে কমিশনের সিদ্ধান্ত নেবে আগামী সরকার। এ বক্তব্যের পর থেকেই সরকারি কর্মচারীদের মধ্যে অসন্তোষ ও ক্ষোভ আরও বেড়ে যায়।