ঢাকা ১১:৫২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

পিলখানা হত্যাকাণ্ড ইতিহাসে নজিরবিহীন ও কলঙ্কজনক: সেনাপ্রধান

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০১:৪১:২৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৮৭ বার পড়া হয়েছে

২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর পিলখানায় তৎকালীন বিডিআর সদস্যদের হাতে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডকে ইতিহাসের এক নজিরবিহীন ও কলঙ্কজনক ঘটনা হিসেবে অভিহিত করেছেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।

বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) ‘জাতীয় শহীদ সেনা দিবস’ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এই মন্তব্য করেন।

শহীদদের স্মরণে আয়োজিত এই বিশেষ অনুষ্ঠানে সেনাপ্রধান বলেন, ‘পিলখানার সেই বর্বরোচিত হত্যাযজ্ঞে ৫৭ জন বীর সেনা কর্মকর্তাসহ মোট ৭৪ জন শাহাদাতবরণ করেন। সব শহীদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি।’

জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ নির্দেশনায় এবার প্রথমবারের মতো বড় পরিসরে জাতীয় শহীদ সেনা দিবস পালন করা হচ্ছে। শহীদ পরিবারের সদস্যদের সম্মানে আয়োজিত ইফতার অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতির জন্য তিনি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

অনুষ্ঠানে সেনাপ্রধান শহীদ পরিবারের সন্তানদের ত্যাগের কথা স্মরণ করে বলেন, ‘শহীদ পরিবারের সন্তানরা পিতা-মাতার স্নেহ ও মমতা থেকে বঞ্চিত হয়ে এক সংগ্রামী জীবন অতিবাহিত করছে। শহীদদের প্রতিটি সন্তান আমাদেরই সন্তান।’

তিনি আশ্বস্ত করেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সবসময় এই পরিবারগুলোর পাশে ছিল এবং ভবিষ্যতেও তাদের সর্বাত্মক সহযোগিতা নিশ্চিত করা হবে।

সেনাবাহিনী ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) মধ্যকার সম্পর্কের ওপর আলোকপাত করে জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান জানান, মহান মুক্তিযুদ্ধের আত্মত্যাগের মাধ্যমেই এই দুই বাহিনীর সম্পর্ক রচিত হয়েছে। দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব অক্ষুণ্ণ রাখতে সেনাবাহিনী ও বিজিবি যৌথভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে সেনাপ্রধান দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে বলেন, ২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারির মতো ঘটনার যেন পুনরাবৃত্তি না হয়, সে বিষয়ে সেনাবাহিনী বদ্ধপরিকর। ঐক্যবদ্ধভাবে একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনে সেনাবাহিনী কার্যকরী ভূমিকা পালন করবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

পিলখানা হত্যাকাণ্ড ইতিহাসে নজিরবিহীন ও কলঙ্কজনক: সেনাপ্রধান

আপডেট সময় ০১:৪১:২৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর পিলখানায় তৎকালীন বিডিআর সদস্যদের হাতে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডকে ইতিহাসের এক নজিরবিহীন ও কলঙ্কজনক ঘটনা হিসেবে অভিহিত করেছেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।

বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) ‘জাতীয় শহীদ সেনা দিবস’ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এই মন্তব্য করেন।

শহীদদের স্মরণে আয়োজিত এই বিশেষ অনুষ্ঠানে সেনাপ্রধান বলেন, ‘পিলখানার সেই বর্বরোচিত হত্যাযজ্ঞে ৫৭ জন বীর সেনা কর্মকর্তাসহ মোট ৭৪ জন শাহাদাতবরণ করেন। সব শহীদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি।’

জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ নির্দেশনায় এবার প্রথমবারের মতো বড় পরিসরে জাতীয় শহীদ সেনা দিবস পালন করা হচ্ছে। শহীদ পরিবারের সদস্যদের সম্মানে আয়োজিত ইফতার অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতির জন্য তিনি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

অনুষ্ঠানে সেনাপ্রধান শহীদ পরিবারের সন্তানদের ত্যাগের কথা স্মরণ করে বলেন, ‘শহীদ পরিবারের সন্তানরা পিতা-মাতার স্নেহ ও মমতা থেকে বঞ্চিত হয়ে এক সংগ্রামী জীবন অতিবাহিত করছে। শহীদদের প্রতিটি সন্তান আমাদেরই সন্তান।’

তিনি আশ্বস্ত করেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সবসময় এই পরিবারগুলোর পাশে ছিল এবং ভবিষ্যতেও তাদের সর্বাত্মক সহযোগিতা নিশ্চিত করা হবে।

সেনাবাহিনী ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) মধ্যকার সম্পর্কের ওপর আলোকপাত করে জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান জানান, মহান মুক্তিযুদ্ধের আত্মত্যাগের মাধ্যমেই এই দুই বাহিনীর সম্পর্ক রচিত হয়েছে। দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব অক্ষুণ্ণ রাখতে সেনাবাহিনী ও বিজিবি যৌথভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে সেনাপ্রধান দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে বলেন, ২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারির মতো ঘটনার যেন পুনরাবৃত্তি না হয়, সে বিষয়ে সেনাবাহিনী বদ্ধপরিকর। ঐক্যবদ্ধভাবে একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনে সেনাবাহিনী কার্যকরী ভূমিকা পালন করবে।