ঢাকা ০৩:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

পাল্টা হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের আরও ১৩ সেনা হত্যার দাবি ইরানের

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৬:২৪:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬
  • ৬৯ বার পড়া হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
ইরানে গণহত্যাকারী ইসরাইল ও তাদের সহযোগী যুক্তরাষ্ট্র আগ্রাসন শুরু করার পর পাল্টা হামলায় সাত মার্কিন সেনা নিহত হয়েছে বলে ওয়াশিংটন স্বীকার করেছে। যদিও এটি প্রকৃত সংখ্যা নয়, মূলত কয়েশ সৈন্যের মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি তেহরানের।

এরই মধ্যে এল বড় খবর। যুক্তরাষ্ট্রের আরও ১৩ সেনা সদস্যকে হত্যা করেছে ইসলামিক রেজিস্ট্যান্স ইন ইরাক। ইরান সমর্থিত এই স্বশস্ত্র গোষ্ঠী জানিয়েছে, তারা গত ১২ দিনে ২৯১টি সামরিক অভিযান চালিয়েছে এবং এই হামলায় ১৩ মার্কিন সৈন্য নিহত ও আরও কয়েক ডজন আহত হয়েছে।

আজ বুধবার (১১ মার্চ) এক বিবৃতিতে প্রতিরোধ গোষ্ঠীগুলোর এই জোট ঘোষণা করেছে, তারা গত ২৪ ঘণ্টায় ৩১টি অভিযান পরিচালনা করেছে, যেখানে ইরাক ও এই অঞ্চলের মার্কিন ঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করতে কয়েক ডজন ড্রোন এবং ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে।

বিবৃতিতে দাবি করা হয়, গত ১২ দিনে গোষ্ঠীটি পরিচালিত মোট অভিযানের সংখ্যা ২৯১-এ পৌঁছেছে, যার ফলে ১৩ মার্কিন সেনা নিহত এবং আরও কয়েক ডজন আহত হয়েছে, যাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।

ইরাকি গোষ্ঠীটি ইরানবিরোধী আগ্রাসনে অংশ নেওয়ার বিরুদ্ধে ইউরোপীয় দেশগুলোকেও সতর্ক করেছে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বিশ্বশক্তিগুলো মুক্ত মানুষের ওপর নিজেদের আধিপত্য চাপিয়ে দিয়ে ‘জাতিগুলোর মর্যাদা ও স্বাধীনতাকে’ দমন করার চেষ্টা করছে।

এতে আরও বলা হয়, ‘জায়নিস্ট এবং আমেরিকান শত্রু’ ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে তাদের মিত্রদের সম্পৃক্ত করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। গোষ্ঠীটি যোগ করেছে যে, এই আগ্রাসনে অংশগ্রহণকারী যেকোনো দেশকে শত্রু হিসেবে গণ্য করা হবে এবং ইরাকসহ এ অঞ্চলে তাদের বাহিনী ও স্বার্থগুলো প্রতিশোধমূলক হামলার বৈধ লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হবে।

মঙ্গলবার (১০ মার্চ) এক ঘোষণায় ইসলামিক রেজিস্ট্যান্স ইন ইরাক জানায়, তাদের যোদ্ধারা দক্ষিণ ইরাকের উত্তর বসরা প্রদেশে শত্রুর একটি উন্নত ড্রোন ভূপাতিত করেছে। গোষ্ঠীটি জানিয়েছে, তারা এ অঞ্চলে অবস্থানরত মার্কিন বাহিনীর একটি এমকিউ-৯ ড্রোন ধ্বংস করেছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, এমকিউ-৯ রিপার হিসেবে চিহ্নিত চালকবিহীন ড্রোনটিকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছিল এবং বসরা প্রদেশের উত্তরাঞ্চলে ‘উপযুক্ত অস্ত্র’ ব্যবহার করে সেটি নামিয়ে আনা হয়েছে।

সর্বশেষ এ পরিস্থিতি এমন এক সময়ে তৈরি হলো যখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের ওপর নতুন করে বিমান হামলা শুরু করে; তারও আট মাস আগে তারা দেশটির ওপর উস্কানিমূলক হামলা চালিয়েছিল।

ওয়াশিংটন ও তেল আবিব ইসলামি বিপ্লবের নেতা আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ আলী খামেনি এবং শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তাদের গুপ্তহত্যা করে এক জঘন্য সন্ত্রাসবাদ উসকে দিয়েছে। এখন পর্যন্ত কয়েকশ নারী ও শিশুসহ ১২০০-এরও বেশি বেসামরিক নাগরিক শহীদ হয়েছেন।

এর জবাবে ইরান দ্রুত ইসরাইল অধিকৃত অঞ্চল এবং এই অঞ্চলের দেশগুলোতে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের বৃষ্টি বর্ষণ করে পাল্টা আঘাত হেনেছে।

সূত্র: প্রেস টিভি।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

পাল্টা হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের আরও ১৩ সেনা হত্যার দাবি ইরানের

আপডেট সময় ০৬:২৪:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
ইরানে গণহত্যাকারী ইসরাইল ও তাদের সহযোগী যুক্তরাষ্ট্র আগ্রাসন শুরু করার পর পাল্টা হামলায় সাত মার্কিন সেনা নিহত হয়েছে বলে ওয়াশিংটন স্বীকার করেছে। যদিও এটি প্রকৃত সংখ্যা নয়, মূলত কয়েশ সৈন্যের মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি তেহরানের।

এরই মধ্যে এল বড় খবর। যুক্তরাষ্ট্রের আরও ১৩ সেনা সদস্যকে হত্যা করেছে ইসলামিক রেজিস্ট্যান্স ইন ইরাক। ইরান সমর্থিত এই স্বশস্ত্র গোষ্ঠী জানিয়েছে, তারা গত ১২ দিনে ২৯১টি সামরিক অভিযান চালিয়েছে এবং এই হামলায় ১৩ মার্কিন সৈন্য নিহত ও আরও কয়েক ডজন আহত হয়েছে।

আজ বুধবার (১১ মার্চ) এক বিবৃতিতে প্রতিরোধ গোষ্ঠীগুলোর এই জোট ঘোষণা করেছে, তারা গত ২৪ ঘণ্টায় ৩১টি অভিযান পরিচালনা করেছে, যেখানে ইরাক ও এই অঞ্চলের মার্কিন ঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করতে কয়েক ডজন ড্রোন এবং ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে।

বিবৃতিতে দাবি করা হয়, গত ১২ দিনে গোষ্ঠীটি পরিচালিত মোট অভিযানের সংখ্যা ২৯১-এ পৌঁছেছে, যার ফলে ১৩ মার্কিন সেনা নিহত এবং আরও কয়েক ডজন আহত হয়েছে, যাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।

ইরাকি গোষ্ঠীটি ইরানবিরোধী আগ্রাসনে অংশ নেওয়ার বিরুদ্ধে ইউরোপীয় দেশগুলোকেও সতর্ক করেছে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বিশ্বশক্তিগুলো মুক্ত মানুষের ওপর নিজেদের আধিপত্য চাপিয়ে দিয়ে ‘জাতিগুলোর মর্যাদা ও স্বাধীনতাকে’ দমন করার চেষ্টা করছে।

এতে আরও বলা হয়, ‘জায়নিস্ট এবং আমেরিকান শত্রু’ ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে তাদের মিত্রদের সম্পৃক্ত করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। গোষ্ঠীটি যোগ করেছে যে, এই আগ্রাসনে অংশগ্রহণকারী যেকোনো দেশকে শত্রু হিসেবে গণ্য করা হবে এবং ইরাকসহ এ অঞ্চলে তাদের বাহিনী ও স্বার্থগুলো প্রতিশোধমূলক হামলার বৈধ লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হবে।

মঙ্গলবার (১০ মার্চ) এক ঘোষণায় ইসলামিক রেজিস্ট্যান্স ইন ইরাক জানায়, তাদের যোদ্ধারা দক্ষিণ ইরাকের উত্তর বসরা প্রদেশে শত্রুর একটি উন্নত ড্রোন ভূপাতিত করেছে। গোষ্ঠীটি জানিয়েছে, তারা এ অঞ্চলে অবস্থানরত মার্কিন বাহিনীর একটি এমকিউ-৯ ড্রোন ধ্বংস করেছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, এমকিউ-৯ রিপার হিসেবে চিহ্নিত চালকবিহীন ড্রোনটিকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছিল এবং বসরা প্রদেশের উত্তরাঞ্চলে ‘উপযুক্ত অস্ত্র’ ব্যবহার করে সেটি নামিয়ে আনা হয়েছে।

সর্বশেষ এ পরিস্থিতি এমন এক সময়ে তৈরি হলো যখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের ওপর নতুন করে বিমান হামলা শুরু করে; তারও আট মাস আগে তারা দেশটির ওপর উস্কানিমূলক হামলা চালিয়েছিল।

ওয়াশিংটন ও তেল আবিব ইসলামি বিপ্লবের নেতা আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ আলী খামেনি এবং শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তাদের গুপ্তহত্যা করে এক জঘন্য সন্ত্রাসবাদ উসকে দিয়েছে। এখন পর্যন্ত কয়েকশ নারী ও শিশুসহ ১২০০-এরও বেশি বেসামরিক নাগরিক শহীদ হয়েছেন।

এর জবাবে ইরান দ্রুত ইসরাইল অধিকৃত অঞ্চল এবং এই অঞ্চলের দেশগুলোতে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের বৃষ্টি বর্ষণ করে পাল্টা আঘাত হেনেছে।

সূত্র: প্রেস টিভি।