ঢাকা ১১:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

পর্তুগালে ফিলিস্তিনের দূতাবাস উদ্বোধন

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৩:৪৮:৩৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১ নভেম্বর ২০২৫
  • ৭৮ বার পড়া হয়েছে

পর্তুগালে প্রথমবারের মতো আনুষ্ঠানিকভাবে ফিলিস্তিনের দূতাবাস প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বিশ্ব কূটনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ এবং ঐতিহাসিক পদক্ষেপ সম্পন্ন হয়েছে।

শুক্রবার (৩১ অক্টোবর) লিসবনের একটি আনুষ্ঠানিক ফিলিস্তিনের পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে দূতাবাসের উদ্বোধন করা হয়।

পর্তুগিজ সরকার সেপ্টেম্বর মাসেই ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেয়ার ধারাবাহিকতায় এ পদক্ষেপ নেয়। যা দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছে।

পর্তুগালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী পাওলো রান্জেল জাতিসংঘের নিউইয়র্ক স্থায়ী মিশন থেকে এই স্বীকৃতি ঘোষণার সময় বলেন, ‘ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দেয়া পর্তুগিজ পররাষ্ট্রনীতির একটি দীর্ঘস্থায়ী ও মৌলিক নীতির বাস্তবায়ন।’

তিনি আরও বলেন, ‘দ্বি-রাষ্ট্র সমাধান ছাড়া শান্তি সম্ভব নয় এবং জরুরি মানবিক সহায়তা নিশ্চিত করতে অবিলম্বে যুদ্ধবিরতির প্রয়োজন।’

পর্তুগালের এই উদ্যোগকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সাহসী পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য দেশগুলোর মধ্যে পর্তুগাল ১৩তম দেশ, যারা আনুষ্ঠানিকভাবে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দিল। যুক্তরাজ্য, কানাডা, ফ্রান্স, অস্ট্রেলিয়াসহ বেশ কয়েকটি পশ্চিমা দেশ একই পদক্ষেপ নিয়েছে।

পর্তুগালের এই সিদ্ধান্তকে ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ স্বাগত জানালেও কিছু রাজনৈতিক দল ও ইসরাইলের পক্ষ থেকে সমালোচনা এসেছে। সমালোচকরা মনে করেন, শান্তিপূর্ণ সমাধানের কোনো নির্দিষ্ট পথ না আসা পর্যন্ত এ ধরনের স্বীকৃতি দ্বন্দ্ব আরও জটিল করতে পারে।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এ উদ্যোগ দ্বি-রাষ্ট্র ভিত্তিক শান্তি প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে। মানবিক সংকট নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। একইসঙ্গে পর্তুগালের বিশ্ব দরবারে মানবাধিকারের পক্ষে অবস্থানও আরও দৃঢ় হল।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

পর্তুগালে ফিলিস্তিনের দূতাবাস উদ্বোধন

আপডেট সময় ০৩:৪৮:৩৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১ নভেম্বর ২০২৫

পর্তুগালে প্রথমবারের মতো আনুষ্ঠানিকভাবে ফিলিস্তিনের দূতাবাস প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বিশ্ব কূটনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ এবং ঐতিহাসিক পদক্ষেপ সম্পন্ন হয়েছে।

শুক্রবার (৩১ অক্টোবর) লিসবনের একটি আনুষ্ঠানিক ফিলিস্তিনের পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে দূতাবাসের উদ্বোধন করা হয়।

পর্তুগিজ সরকার সেপ্টেম্বর মাসেই ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেয়ার ধারাবাহিকতায় এ পদক্ষেপ নেয়। যা দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছে।

পর্তুগালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী পাওলো রান্জেল জাতিসংঘের নিউইয়র্ক স্থায়ী মিশন থেকে এই স্বীকৃতি ঘোষণার সময় বলেন, ‘ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দেয়া পর্তুগিজ পররাষ্ট্রনীতির একটি দীর্ঘস্থায়ী ও মৌলিক নীতির বাস্তবায়ন।’

তিনি আরও বলেন, ‘দ্বি-রাষ্ট্র সমাধান ছাড়া শান্তি সম্ভব নয় এবং জরুরি মানবিক সহায়তা নিশ্চিত করতে অবিলম্বে যুদ্ধবিরতির প্রয়োজন।’

পর্তুগালের এই উদ্যোগকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সাহসী পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য দেশগুলোর মধ্যে পর্তুগাল ১৩তম দেশ, যারা আনুষ্ঠানিকভাবে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দিল। যুক্তরাজ্য, কানাডা, ফ্রান্স, অস্ট্রেলিয়াসহ বেশ কয়েকটি পশ্চিমা দেশ একই পদক্ষেপ নিয়েছে।

পর্তুগালের এই সিদ্ধান্তকে ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ স্বাগত জানালেও কিছু রাজনৈতিক দল ও ইসরাইলের পক্ষ থেকে সমালোচনা এসেছে। সমালোচকরা মনে করেন, শান্তিপূর্ণ সমাধানের কোনো নির্দিষ্ট পথ না আসা পর্যন্ত এ ধরনের স্বীকৃতি দ্বন্দ্ব আরও জটিল করতে পারে।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এ উদ্যোগ দ্বি-রাষ্ট্র ভিত্তিক শান্তি প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে। মানবিক সংকট নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। একইসঙ্গে পর্তুগালের বিশ্ব দরবারে মানবাধিকারের পক্ষে অবস্থানও আরও দৃঢ় হল।