ঢাকা ১২:১৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

নেতাকর্মীদের সরিয়ে বাবার কবরের পাশে একান্তে দাঁড়ালেন তারেক রহমান

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৬:১০:৪০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ১০৭ বার পড়া হয়েছে

দীর্ঘ ১৭ বছরের নির্বাসন শেষে দেশে ফিরে প্রথমবার বাবার কবর জিয়ারত করলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) বিকাল ৪টা ৪০ মিনিটের দিকে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে দলের প্রতিষ্ঠাতা ও শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন তিনি।

সমাধি প্রাঙ্গণে পৌঁছালে সেখানে আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। আনুষ্ঠানিক দোয়া ও মোনাজাত শেষে পাশে থাকা নেতাকর্মীদের সরে যেতে অনুরোধ করেন তারেক রহমান। এরপর তিনি একান্তে কিছুক্ষণ বাবার কবরের পাশে দাঁড়িয়ে দোয়া ও মোনাজাত করেন। দীর্ঘদিন পর মাতৃভূমিতে ফিরে বাবার সমাধিতে দাঁড়ানোর এই মুহূর্ত উপস্থিত সবাইকে আবেগাপ্লুত করে।

এর আগে দুপুর ২টা ৫০ মিনিটে গুলশানের বাসভবন থেকে জিয়াউর রহমানের সমাধির উদ্দেশে রওনা হন তারেক রহমান। বিজয় সরণি মোড়ে নেতাকর্মীদের ভিড়ে তার গাড়িবহর আটকে গেলে সেনাবাহিনী ও আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর সদস্যরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে বহরটি এগিয়ে নেয়।

এর আগে গত ২৫ ডিসেম্বর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দীর্ঘ ১৭ বছর পর লন্ডন থেকে স্বদেশ প্রত্যাবর্তন করেন। তাকে অভ্যর্থনা জানাতে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে জুলাই ৩৬ এক্সপ্রেসওয়ে সংলগ্ন এলাকায় অগণিত মানুষের সমাগম ঘটে। ঐতিহাসিক ও নজিরবিহীন জনসমাগমে ঢাকা মহানগরী জনসমুদ্রে পরিণত হয়।

পরে বিকালে রাজধানীর ৩৬ জুলাই এক্সপ্রেসওয়েতে (৩০০ ফিট) আয়োজিত বিশাল গণসংবর্ধনায় তিনি তার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও দেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। জনসমুদ্রে দাঁড়িয়ে আবেগঘন কণ্ঠে তিনি তুলে ধরেন এক নিরাপদ ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশের চিত্র, যেখানে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে প্রতিটি নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

নেতাকর্মীদের সরিয়ে বাবার কবরের পাশে একান্তে দাঁড়ালেন তারেক রহমান

আপডেট সময় ০৬:১০:৪০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ ডিসেম্বর ২০২৫

দীর্ঘ ১৭ বছরের নির্বাসন শেষে দেশে ফিরে প্রথমবার বাবার কবর জিয়ারত করলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) বিকাল ৪টা ৪০ মিনিটের দিকে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে দলের প্রতিষ্ঠাতা ও শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন তিনি।

সমাধি প্রাঙ্গণে পৌঁছালে সেখানে আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। আনুষ্ঠানিক দোয়া ও মোনাজাত শেষে পাশে থাকা নেতাকর্মীদের সরে যেতে অনুরোধ করেন তারেক রহমান। এরপর তিনি একান্তে কিছুক্ষণ বাবার কবরের পাশে দাঁড়িয়ে দোয়া ও মোনাজাত করেন। দীর্ঘদিন পর মাতৃভূমিতে ফিরে বাবার সমাধিতে দাঁড়ানোর এই মুহূর্ত উপস্থিত সবাইকে আবেগাপ্লুত করে।

এর আগে দুপুর ২টা ৫০ মিনিটে গুলশানের বাসভবন থেকে জিয়াউর রহমানের সমাধির উদ্দেশে রওনা হন তারেক রহমান। বিজয় সরণি মোড়ে নেতাকর্মীদের ভিড়ে তার গাড়িবহর আটকে গেলে সেনাবাহিনী ও আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর সদস্যরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে বহরটি এগিয়ে নেয়।

এর আগে গত ২৫ ডিসেম্বর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দীর্ঘ ১৭ বছর পর লন্ডন থেকে স্বদেশ প্রত্যাবর্তন করেন। তাকে অভ্যর্থনা জানাতে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে জুলাই ৩৬ এক্সপ্রেসওয়ে সংলগ্ন এলাকায় অগণিত মানুষের সমাগম ঘটে। ঐতিহাসিক ও নজিরবিহীন জনসমাগমে ঢাকা মহানগরী জনসমুদ্রে পরিণত হয়।

পরে বিকালে রাজধানীর ৩৬ জুলাই এক্সপ্রেসওয়েতে (৩০০ ফিট) আয়োজিত বিশাল গণসংবর্ধনায় তিনি তার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও দেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। জনসমুদ্রে দাঁড়িয়ে আবেগঘন কণ্ঠে তিনি তুলে ধরেন এক নিরাপদ ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশের চিত্র, যেখানে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে প্রতিটি নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে।