ঢাকা ০৯:১১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

নুরুল হক নুর ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মামুনের সমর্থকদের মাঝে সংঘর্ষ, আহত ১৫

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৩:০১:৩১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৬৫ বার পড়া হয়েছে

পটুয়াখালীর গলাচিপায় স্বতন্ত্র প্রার্থী ও গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী নুরুল হক নুরের সমর্থকদের মধ্যে পৃথক সংঘর্ষে অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে গুরুতর আহত অবস্থায় তিনজনকে গলাচিপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়েছে।

বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) রাত ১২টার দিকে উপজেলার চিকনিকান্দি ইউনিয়নের পানখালী ও সুতাবাড়িয়া গ্রাম এবং ডাকুয়া ইউনিয়নের ঠাকুরের বাজার এলাকায় এসব সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, চিকনিকান্দি ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের পানখালী গ্রামে রাত ১২টার দিকে ঘোড়া প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী হাসান মামুনের সমর্থক ও বিএনপি-সমর্থিত গণঅধিকার পরিষদের ট্রাক প্রতীকের প্রার্থী নুরুল হক নুরের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়।

এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১২ জন আহত হন। আহতরা হলেন— ঘোড়া প্রতীকের সমর্থক এনায়েত হাওলাদার, মনির হাওলাদার, মাসুদ হাওলাদার, সাব্বির হাওলাদার ও মিথুন হাওলাদার এবং ট্রাক প্রতীকের সমর্থক জাহাঙ্গীর জমাদ্দার ও করিম মোল্লা। খবর পেয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছালে উভয় পক্ষের সমর্থকরা সরে যান।

এদিকে চিকনিকান্দি ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সুতাবাড়িয়া গ্রামে রাত সাড়ে ১২টার দিকে ঘোড়া ও ট্রাক প্রতীকের সমর্থকদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।

এ সময় অন্তত তিনজন আহত হন। অপরদিকে ডাকুয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের ঠাকুরের বাজার পশ্চিম পাশের হিন্দুপাড়ায় স্বতন্ত্র প্রার্থী হাসান মামুনের সমর্থন করায় ট্রাক প্রতীকের সমর্থক আমিন ও জসিমের নেতৃত্বে ৭০–৮০ জন কর্মী ভয়ভীতি প্রদর্শন ও আতঙ্ক সৃষ্টি করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ঘটনাস্থলে সেনাবাহিনীর টহল জোরদার করা হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

নুরুল হক নুর ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মামুনের সমর্থকদের মাঝে সংঘর্ষ, আহত ১৫

আপডেট সময় ০৩:০১:৩১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

পটুয়াখালীর গলাচিপায় স্বতন্ত্র প্রার্থী ও গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী নুরুল হক নুরের সমর্থকদের মধ্যে পৃথক সংঘর্ষে অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে গুরুতর আহত অবস্থায় তিনজনকে গলাচিপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়েছে।

বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) রাত ১২টার দিকে উপজেলার চিকনিকান্দি ইউনিয়নের পানখালী ও সুতাবাড়িয়া গ্রাম এবং ডাকুয়া ইউনিয়নের ঠাকুরের বাজার এলাকায় এসব সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, চিকনিকান্দি ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের পানখালী গ্রামে রাত ১২টার দিকে ঘোড়া প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী হাসান মামুনের সমর্থক ও বিএনপি-সমর্থিত গণঅধিকার পরিষদের ট্রাক প্রতীকের প্রার্থী নুরুল হক নুরের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়।

এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১২ জন আহত হন। আহতরা হলেন— ঘোড়া প্রতীকের সমর্থক এনায়েত হাওলাদার, মনির হাওলাদার, মাসুদ হাওলাদার, সাব্বির হাওলাদার ও মিথুন হাওলাদার এবং ট্রাক প্রতীকের সমর্থক জাহাঙ্গীর জমাদ্দার ও করিম মোল্লা। খবর পেয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছালে উভয় পক্ষের সমর্থকরা সরে যান।

এদিকে চিকনিকান্দি ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সুতাবাড়িয়া গ্রামে রাত সাড়ে ১২টার দিকে ঘোড়া ও ট্রাক প্রতীকের সমর্থকদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।

এ সময় অন্তত তিনজন আহত হন। অপরদিকে ডাকুয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের ঠাকুরের বাজার পশ্চিম পাশের হিন্দুপাড়ায় স্বতন্ত্র প্রার্থী হাসান মামুনের সমর্থন করায় ট্রাক প্রতীকের সমর্থক আমিন ও জসিমের নেতৃত্বে ৭০–৮০ জন কর্মী ভয়ভীতি প্রদর্শন ও আতঙ্ক সৃষ্টি করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ঘটনাস্থলে সেনাবাহিনীর টহল জোরদার করা হয়েছে।