আয়োজক সংগঠন ‘মুসলমান দ্য ফ্রঁস’ এক বিবৃতিতে আদালতের এ সিদ্ধান্তকে মৌলিক অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠার গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে উল্লেখ করেছে। তাদের দাবি, পূর্বে জারি করা নিষেধাজ্ঞাটি ছিল অযৌক্তিক, অসামঞ্জস্যপূর্ণ এবং আইনগতভাবে টেকসই নয়।
আদালতের জরুরি বিচারক তার রায়ে বলেন, শান্তিপূর্ণ সমাবেশের অধিকার একটি মৌলিক স্বাধীনতা, যা সুরক্ষিত রাখা রাষ্ট্রীয় কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব। জনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে প্রয়োজনে সীমিত বিধিনিষেধ আরোপ করা যেতে পারে, তবে তা হতে হবে একান্তই শেষ অবলম্বন হিসেবে।
সংগঠনটির ভাষ্য, প্যারিস পুলিশ প্রশাসন অনুষ্ঠান শুরুর মাত্র ৪৮ ঘণ্টা আগে নিষেধাজ্ঞা জারি করলেও তার পক্ষে পর্যাপ্ত যুক্তি উপস্থাপন করতে পারেনি।
রায়কে আইনি সাফল্য হিসেবে স্বাগত জানালেও নিষেধাজ্ঞা জারির সময় নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছে আয়োজকরা।
বিবৃতিতে বলা হয়, কোনো কার্যকর সংলাপ বা বিকল্প প্রস্তাব ছাড়া অনুষ্ঠান শুরুর অল্প সময় আগে এমন সিদ্ধান্ত গ্রহণ গ্রহণযোগ্য নয়।
সংগঠনটি আরো জানায়, এই সম্মেলনে অংশ নেওয়ার মধ্য দিয়ে অংশগ্রহণকারীরা তাদের অধিকার নিয়ে আপস না করার অবস্থান তুলে ধরবেন। একই সঙ্গে অনুষ্ঠানটি সবার জন্য উন্মুক্ত এবং এর লক্ষ্য পারস্পরিক সংলাপ, সংহতি ও সামাজিক সম্পৃক্ততা জোরদার করা।
উল্লেখ্য, ফ্রান্সে মুসলিমদের এ বার্ষিক সম্মেলনটি দেশটির অন্যতম বৃহৎ ধর্মীয় ও সামাজিক সমাবেশ হিসেবে পরিচিত। এতে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ধর্মীয় নেতা, নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি এবং সাধারণ দর্শনার্থীরা অংশ নেন।

নিজস্ব সংবাদ : 























