ঢাকা ০৮:১৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

নিউইয়র্কে মেয়র নির্বাচন কে হাসবেন শেষ হাসি, মামদানি নাকি কুমো?

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৩:১৮:৩৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৫ নভেম্বর ২০২৫
  • ৮০ বার পড়া হয়েছে

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরে মেয়র নির্বাচনে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার (৪ নভেম্বর) স্থানীয় সময় সকাল ৬টায় নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হয়। শেষ হওয়ার কথা রাত ৯টায়। এর পরপরই শুরু হবে ভোট গণনা।

জরিপে একমাত্র মুসলিম প্রার্থী ডেমোক্র্যাট সমর্থিত জোহরান মামদানি এগিয়ে থাকলেও প্রতিদ্বন্দ্বী অ্যান্ড্রু কুমোর সঙ্গে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আভাস পাওয়া গেছে।

সোমবার গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠান রিয়েল ক্লিয়ার পলিটিকসের জরিপে দেখা গেছে, মাত্র চার দিনে কুমো ও মামদানির জনসমর্থনের ব্যবধান বেশ কমেছে। ওই জরিপ অনুযায়ী, মামদানির পক্ষে জনমত ৪৬ দশমিক ১ শতাংশ। আর কুমোকে সমর্থন জানিয়েছেন ৩১ দশমিক ৮ শতাংশ ভোটার। অর্থাৎ কুমোর চেয়ে মামদানি এগিয়ে আছেন ১৪ দশমিক ৩ পয়েন্টে।

নিউইয়র্ক সিটিতে মোট ভোটার ৬২ লাখ। এরইমধ্যে রেকর্ডসংখ্যক সাত লাখ ৩৫ হাজারেরও বেশি আগাম ভোট দিয়েছেন।

মঙ্গলবার শহরের অ্যাস্টোরিয়া এলাকায় একটি কেন্দ্রে ভোট দেন মামদানি। তার সঙ্গে ছিলেন স্ত্রী রামা দুয়াজি। ভোট দেয়ার পর সাংবাদিকদের মামদানি বলেন, ‘শহরে ইতিহাস গড়ার দ্বারপ্রান্তে রয়েছি আমরা। অতীতের রাজনীতি ত্যাগ করার দ্বারপ্রান্তে রয়েছি।’

এদিকে স্বতন্ত্র প্রার্থী অ্যান্ড্রু কুমো ভোট স্থানীয় সময় সকাল ১০টার দিকে ভোটদানের পর সাংবাদিকদের বলেন, ‘ভালোই অনুভব হচ্ছে। মনে হচ্ছে পরিস্থিতি আমাদের পক্ষে রয়েছে।’

এবার মেয়র নির্বাচনে রিপাবলিকান পার্টি কার্টিস স্লিওয়ার জয়ের আশা না দেখতে পেয়ে শেষ পর্যন্ত কুমোকে আনুষ্ঠানিক সমর্থন দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। এমন সময় তিনি এ সমর্থন দিলেন, যখন রিয়েল ক্লিয়ার পলিটিকসের জরিপে কুমো ও মামদানির জনসমর্থনের ব্যবধান কমতে দেখা গেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্টের লক্ষ্য একটাই—মামদানি যেন নিউইয়র্কের মেয়র পদে বসতে না পারেন।

ট্রাম্প তার ট্রুথ সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে লিখেছেন, ‘আপনি ব্যক্তিগতভাবে অ্যান্ড্রু কমোকে পছন্দ করুন বা না করুন, আপনার আসলে কোনো বিকল্প নেই। আপনাকে তাকে ভোট দিতে হবে এবং আশা করি তিনি দুর্দান্ত কাজ করবেন। কারণ তিনি এতে সক্ষম, মামদানি তা করতে পারবেন না।’

ট্রাম্প আরও বলেন, ‘যদি কমিউনিস্ট প্রার্থী জোহরান মামদানি নিউইয়র্ক সিটির মেয়র পদে নির্বাচনে জয়ী হন, তাহলে আমার প্রিয় প্রথম বাড়িতে ফেডারেল তহবিল, প্রয়োজন অনুসারে খুব কম পরিমাণে ছাড়া, বেশি দেয়াটা আমার জন্য কঠিন হবে।’

ডেমোক্র্যাটিক পার্টির দীর্ঘদিনের একজন গুরুত্বপূর্ণ নেতা কুমো, ডেমোক্র্যাটিক প্রাইমারিতে মামদানির কাছে হেরে যাওয়ার পর স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

নিউইয়র্কের মেয়র নির্বাচন শুধু জাতীয়ভাবে নয়, আন্তর্জাতিকভাবও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। ডেমোক্র্যাটিক পার্টি সমর্থিত জোহরান মামদানি জয়ী হলে তিনিই হবেন নিউইয়র্কের ইতিহাসে প্রথম মুসলিম মেয়র। আর এ নিয়েই জাতীয়ভাবে সরগরম হয়ে উঠেছে মার্কিন রাজনীতি।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

নিউইয়র্কে মেয়র নির্বাচন কে হাসবেন শেষ হাসি, মামদানি নাকি কুমো?

আপডেট সময় ০৩:১৮:৩৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৫ নভেম্বর ২০২৫

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরে মেয়র নির্বাচনে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার (৪ নভেম্বর) স্থানীয় সময় সকাল ৬টায় নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হয়। শেষ হওয়ার কথা রাত ৯টায়। এর পরপরই শুরু হবে ভোট গণনা।

জরিপে একমাত্র মুসলিম প্রার্থী ডেমোক্র্যাট সমর্থিত জোহরান মামদানি এগিয়ে থাকলেও প্রতিদ্বন্দ্বী অ্যান্ড্রু কুমোর সঙ্গে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আভাস পাওয়া গেছে।

সোমবার গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠান রিয়েল ক্লিয়ার পলিটিকসের জরিপে দেখা গেছে, মাত্র চার দিনে কুমো ও মামদানির জনসমর্থনের ব্যবধান বেশ কমেছে। ওই জরিপ অনুযায়ী, মামদানির পক্ষে জনমত ৪৬ দশমিক ১ শতাংশ। আর কুমোকে সমর্থন জানিয়েছেন ৩১ দশমিক ৮ শতাংশ ভোটার। অর্থাৎ কুমোর চেয়ে মামদানি এগিয়ে আছেন ১৪ দশমিক ৩ পয়েন্টে।

নিউইয়র্ক সিটিতে মোট ভোটার ৬২ লাখ। এরইমধ্যে রেকর্ডসংখ্যক সাত লাখ ৩৫ হাজারেরও বেশি আগাম ভোট দিয়েছেন।

মঙ্গলবার শহরের অ্যাস্টোরিয়া এলাকায় একটি কেন্দ্রে ভোট দেন মামদানি। তার সঙ্গে ছিলেন স্ত্রী রামা দুয়াজি। ভোট দেয়ার পর সাংবাদিকদের মামদানি বলেন, ‘শহরে ইতিহাস গড়ার দ্বারপ্রান্তে রয়েছি আমরা। অতীতের রাজনীতি ত্যাগ করার দ্বারপ্রান্তে রয়েছি।’

এদিকে স্বতন্ত্র প্রার্থী অ্যান্ড্রু কুমো ভোট স্থানীয় সময় সকাল ১০টার দিকে ভোটদানের পর সাংবাদিকদের বলেন, ‘ভালোই অনুভব হচ্ছে। মনে হচ্ছে পরিস্থিতি আমাদের পক্ষে রয়েছে।’

এবার মেয়র নির্বাচনে রিপাবলিকান পার্টি কার্টিস স্লিওয়ার জয়ের আশা না দেখতে পেয়ে শেষ পর্যন্ত কুমোকে আনুষ্ঠানিক সমর্থন দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। এমন সময় তিনি এ সমর্থন দিলেন, যখন রিয়েল ক্লিয়ার পলিটিকসের জরিপে কুমো ও মামদানির জনসমর্থনের ব্যবধান কমতে দেখা গেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্টের লক্ষ্য একটাই—মামদানি যেন নিউইয়র্কের মেয়র পদে বসতে না পারেন।

ট্রাম্প তার ট্রুথ সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে লিখেছেন, ‘আপনি ব্যক্তিগতভাবে অ্যান্ড্রু কমোকে পছন্দ করুন বা না করুন, আপনার আসলে কোনো বিকল্প নেই। আপনাকে তাকে ভোট দিতে হবে এবং আশা করি তিনি দুর্দান্ত কাজ করবেন। কারণ তিনি এতে সক্ষম, মামদানি তা করতে পারবেন না।’

ট্রাম্প আরও বলেন, ‘যদি কমিউনিস্ট প্রার্থী জোহরান মামদানি নিউইয়র্ক সিটির মেয়র পদে নির্বাচনে জয়ী হন, তাহলে আমার প্রিয় প্রথম বাড়িতে ফেডারেল তহবিল, প্রয়োজন অনুসারে খুব কম পরিমাণে ছাড়া, বেশি দেয়াটা আমার জন্য কঠিন হবে।’

ডেমোক্র্যাটিক পার্টির দীর্ঘদিনের একজন গুরুত্বপূর্ণ নেতা কুমো, ডেমোক্র্যাটিক প্রাইমারিতে মামদানির কাছে হেরে যাওয়ার পর স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

নিউইয়র্কের মেয়র নির্বাচন শুধু জাতীয়ভাবে নয়, আন্তর্জাতিকভাবও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। ডেমোক্র্যাটিক পার্টি সমর্থিত জোহরান মামদানি জয়ী হলে তিনিই হবেন নিউইয়র্কের ইতিহাসে প্রথম মুসলিম মেয়র। আর এ নিয়েই জাতীয়ভাবে সরগরম হয়ে উঠেছে মার্কিন রাজনীতি।