ঢাকা ১১:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সাবেক চেয়ারম্যান কর্তৃক সাংবাদিক অপহরণ ও নির্যাতনের ঘটনায় ন্যায় বিচার চায় ফরিদুল ইসলাম Logo ধর্ম যার যার, নিরাপত্তার অধিকার সবার : প্রধানমন্ত্রী Logo ‘বাড়াবাড়ি করলে বলতে ইচ্ছা করে, তোরা রাজাকার-আল শামস-আল বদর’ Logo বাংলাদেশ ও রাশিয়া অকৃত্রিম বন্ধু : স্পিকার Logo নাহিদকে ‘আমার নেতা, বাংলাদেশের নেতা’ বললেন হাসনাত Logo হরমুজের নাম ট্রাম্প প্রণালি, প্রকাশ্যে এলো নতুন মানচিত্র Logo নাফ নদী থেকে ৭ জেলেকে ধরে নিয়ে গেছে ‘আরাকান আর্মি’ Logo সমাবেশ-মহাসমাবেশের কর্মসূচি দিলো ১১ দলীয় ঐক্য Logo বিএনপি সংস্কার থেকে সরে গেলে আমাদের সংবিধান পুনর্লিখনের দাবিতে ফিরতে হবে: নাহিদ ইসলাম Logo জুলাই সনদকে দলীয় ইশতেহারে রূপ দিয়ে বিএনপি কলুষিত করেছে: নাহিদ ইসলাম

ধানের শীষে নির্বাচন করতে নিজ দল ছাড়তে পারেন জোটের নেতারা

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৮:৪৫:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ১৩২ বার পড়া হয়েছে

বিএনপির সঙ্গে মিত্র রাজনৈতিক দলগুলোর আসন ভাগাভাগির বিষয়টি আগামী সপ্তাহে চূড়ান্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে সমঝোতার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো— মিত্র দলগুলোর তারকাখ্যাত প্রার্থীরা নির্বাচনে অংশ নেবেন বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকে। বিদ্যমান নির্বাচন বিধান অনুযায়ী নিবন্ধিত দলের প্রার্থীরা জোট করলেও নিজ দলের প্রতীকেই নির্বাচন করার কথা। কিন্তু সেই বিধানকে সামনে রেখেই নতুন কৌশলে এগোচ্ছে বিএনপি ও তাদের শরিকরা।

নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়, সমঝোতার অংশ হিসেবে মিত্র দলগুলোর বেশ কয়েকজন শীর্ষ নেতা শেষ পর্যন্ত নিজ দল থেকে পদত্যাগ করে বিএনপিতে যোগ দিতে পারেন। এরপর তারা ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করবেন। ইতোমধ্যে এ বিষয়ে আলোচনা সাফল্যের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছেছে। এতে করে আসন নিয়ে শরিকদের সঙ্গে বিএনপির যে মনোমালিন্য তৈরি হয়েছিল, তা অনেকটাই কেটে যাচ্ছে।

সূত্রগুলো বলছে, মিত্র দলগুলোর অন্তত ১০ জন শীর্ষ নেতা এ তালিকায় রয়েছেন। সবকিছু ঠিক থাকলে তারা শিগগিরই নিজ নিজ দল থেকে পদত্যাগ করে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে নামবেন। তবে অনিবন্ধিত দলগুলোর প্রার্থীদের ক্ষেত্রে দল ছাড়ার প্রয়োজন নেই। এ নিয়ে গত বুধবার থেকে মিত্র দল ও জোটগুলোর সঙ্গে ধারাবাহিক বৈঠক করছে বিএনপি। দলটির দায়িত্বশীল কয়েকজন নেতা এসব তথ্য নিশ্চিত করলেও নাম প্রকাশ করতে চাননি।

আসন নিয়ে সৃষ্ট মতবিরোধ নিষ্পত্তিতে যুগপৎ আন্দোলনে থাকা দল ও জোটগুলোর সঙ্গে ‘ওয়ান টু ওয়ান’ বৈঠক শুরু করেছে বিএনপি। বুধবার প্রথম দিনের বৈঠকে ১২ দলীয় জোট ও জাতীয়তাবাদী সমমনা জোটকে একটি করে আসন ছাড় দেওয়ার ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ১২ দলীয় জোটকে আরও একটি আসন দেওয়ার বিষয়েও আলোচনা চলছে। অন্য শরিক দলগুলোকেও ভিন্নভাবে মূল্যায়নের আশ্বাস দিয়েছে বিএনপি।

নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে, পিরোজপুর-১ আসনে ১২ দলীয় জোটের প্রধান ও জাতীয় পার্টি (জাফর)-এর নেতা মোস্তফা জামাল হায়দার এবং নড়াইল-২ আসনে জাতীয়তাবাদী সমমনা জোটের সমন্বয়ক ও এনপিপি চেয়ারম্যান ফরিদুজ্জামান ফরহাদকে আসন দেওয়ার বিষয়ে ‘সবুজ সংকেত’ দিয়েছে বিএনপি।

এদিকে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি), ৫ দলীয় জোট গণতন্ত্র মঞ্চ ও গণফোরামের সঙ্গে বৃহস্পতিবার আসন ভাগাভাগি নিয়ে বৈঠক করেছে বিএনপি। আজ শুক্রবার জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলন (এনডিএম), বাম গণতান্ত্রিক ঐক্য এবং বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি-বিজেপির সঙ্গে বৈঠকের কথা রয়েছে। সব দলের সঙ্গে আলোচনা শেষে জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের সঙ্গে বৈঠকে বসবে বিএনপি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিএনপির দুই নীতিনির্ধারক জানান, জোট করলেও নিজ দলের প্রতীকে নির্বাচন করার বিধান থাকায় ভোটের বাস্তবতা বিবেচনায় রেখে আসন ছাড়ের বিষয়ে সতর্ক অবস্থান নিয়েছে বিএনপি। তাদের মতে, বিএনপির সমর্থন থাকলেও ছোট দলগুলোর অনেক প্রার্থীর ক্ষেত্রে নিজ দলের প্রতীকে জয়ী হওয়া কঠিন হতে পারে। এ কারণে ছোট দলের শীর্ষ নেতারা ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করতে আগ্রহী। বিএনপিও সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় তাদের সেই সুযোগ দেওয়ার কৌশল নিয়েছে।

এ বিষয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, “যুগপৎ আন্দোলনে আমাদের যে কনসেপ্ট ছিল, সে অনুযায়ী কিছু আসন শরিকদের জন্য ছেড়ে দেওয়া হবে।”

উল্লেখ্য, বিএনপি ইতোমধ্যে দুই ধাপে ২৭২ আসনে সম্ভাব্য একক প্রার্থী ঘোষণা করেছে। এখনো ২৮টি আসন ফাঁকা রাখা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের তফসিল অনুযায়ী আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। মনোনয়নপত্র জমাদানের শেষ দিন ২৯ ডিসেম্বর।

বিএনপির একাধিক সূত্র জানায়, নিবন্ধিত মিত্র দলের বেশির ভাগ নেতা দল থেকে পদত্যাগ করে বিএনপিতে যোগ দিয়ে ধানের শীষে নির্বাচন করতে আগ্রহী। অনিবন্ধিত দলগুলোর প্রার্থীরা আগেই ধানের শীষে নির্বাচন করতে সম্মত হয়েছেন। মোস্তফা জামাল হায়দার ও ফরিদুজ্জামান ফরহাদ জানিয়েছেন, বিএনপির সঙ্গে তাদের আলোচনা ফলপ্রসূ হয়েছে এবং তারা ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করবেন।

তবে বিএনপির একটি সূত্র জানায়, মাহমুদুর রহমান মান্না, সাইফুল হক, আন্দালিব রহমান পার্থ, জোনায়েদ সাকি ও নুরুল হক নুরসহ কয়েকজন নেতা দল ছাড়তে রাজি নন। তারা নিজস্ব প্রতীকে নির্বাচন করতে চান। এ নিয়ে তাদের সঙ্গে বিএনপির আলোচনা চলছে। এছাড়া এলডিপির চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদের ছেলে অধ্যাপক ওমর ফারুক এবং দলটির মহাসচিব ড. রেদোয়ান আহমেদও নিজ দলের প্রতীকে নির্বাচন করবেন। এসব আসনে বিএনপি ছাড় দেবে বলে জানা গেছে।

এদিকে সাইফুল হক জানান, ঢাকা-৮ আসন নিয়ে বিএনপির সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। ওই আসনে বিএনপির প্রার্থী থাকায় পরিবর্তনের সুযোগ নেই। তবে ঢাকা-১২ আসন দেওয়া হলে তারা ইতিবাচক সিদ্ধান্ত নেবেন।

এর আগে লক্ষ্মীপুর-১ আসনে বাংলাদেশ এলডিপির সাবেক চেয়ারম্যান শাহাদাত হোসেন সেলিমের প্রার্থিতা নিশ্চিত করা হয়েছে। তিনি সম্প্রতি বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন এবং ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচনের লক্ষ্যে তাকে দলে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে দলীয় সূত্র।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।

সাবেক চেয়ারম্যান কর্তৃক সাংবাদিক অপহরণ ও নির্যাতনের ঘটনায় ন্যায় বিচার চায় ফরিদুল ইসলাম

ধানের শীষে নির্বাচন করতে নিজ দল ছাড়তে পারেন জোটের নেতারা

আপডেট সময় ০৮:৪৫:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ ডিসেম্বর ২০২৫

বিএনপির সঙ্গে মিত্র রাজনৈতিক দলগুলোর আসন ভাগাভাগির বিষয়টি আগামী সপ্তাহে চূড়ান্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে সমঝোতার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো— মিত্র দলগুলোর তারকাখ্যাত প্রার্থীরা নির্বাচনে অংশ নেবেন বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকে। বিদ্যমান নির্বাচন বিধান অনুযায়ী নিবন্ধিত দলের প্রার্থীরা জোট করলেও নিজ দলের প্রতীকেই নির্বাচন করার কথা। কিন্তু সেই বিধানকে সামনে রেখেই নতুন কৌশলে এগোচ্ছে বিএনপি ও তাদের শরিকরা।

নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়, সমঝোতার অংশ হিসেবে মিত্র দলগুলোর বেশ কয়েকজন শীর্ষ নেতা শেষ পর্যন্ত নিজ দল থেকে পদত্যাগ করে বিএনপিতে যোগ দিতে পারেন। এরপর তারা ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করবেন। ইতোমধ্যে এ বিষয়ে আলোচনা সাফল্যের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছেছে। এতে করে আসন নিয়ে শরিকদের সঙ্গে বিএনপির যে মনোমালিন্য তৈরি হয়েছিল, তা অনেকটাই কেটে যাচ্ছে।

সূত্রগুলো বলছে, মিত্র দলগুলোর অন্তত ১০ জন শীর্ষ নেতা এ তালিকায় রয়েছেন। সবকিছু ঠিক থাকলে তারা শিগগিরই নিজ নিজ দল থেকে পদত্যাগ করে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে নামবেন। তবে অনিবন্ধিত দলগুলোর প্রার্থীদের ক্ষেত্রে দল ছাড়ার প্রয়োজন নেই। এ নিয়ে গত বুধবার থেকে মিত্র দল ও জোটগুলোর সঙ্গে ধারাবাহিক বৈঠক করছে বিএনপি। দলটির দায়িত্বশীল কয়েকজন নেতা এসব তথ্য নিশ্চিত করলেও নাম প্রকাশ করতে চাননি।

আসন নিয়ে সৃষ্ট মতবিরোধ নিষ্পত্তিতে যুগপৎ আন্দোলনে থাকা দল ও জোটগুলোর সঙ্গে ‘ওয়ান টু ওয়ান’ বৈঠক শুরু করেছে বিএনপি। বুধবার প্রথম দিনের বৈঠকে ১২ দলীয় জোট ও জাতীয়তাবাদী সমমনা জোটকে একটি করে আসন ছাড় দেওয়ার ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ১২ দলীয় জোটকে আরও একটি আসন দেওয়ার বিষয়েও আলোচনা চলছে। অন্য শরিক দলগুলোকেও ভিন্নভাবে মূল্যায়নের আশ্বাস দিয়েছে বিএনপি।

নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে, পিরোজপুর-১ আসনে ১২ দলীয় জোটের প্রধান ও জাতীয় পার্টি (জাফর)-এর নেতা মোস্তফা জামাল হায়দার এবং নড়াইল-২ আসনে জাতীয়তাবাদী সমমনা জোটের সমন্বয়ক ও এনপিপি চেয়ারম্যান ফরিদুজ্জামান ফরহাদকে আসন দেওয়ার বিষয়ে ‘সবুজ সংকেত’ দিয়েছে বিএনপি।

এদিকে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি), ৫ দলীয় জোট গণতন্ত্র মঞ্চ ও গণফোরামের সঙ্গে বৃহস্পতিবার আসন ভাগাভাগি নিয়ে বৈঠক করেছে বিএনপি। আজ শুক্রবার জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলন (এনডিএম), বাম গণতান্ত্রিক ঐক্য এবং বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি-বিজেপির সঙ্গে বৈঠকের কথা রয়েছে। সব দলের সঙ্গে আলোচনা শেষে জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের সঙ্গে বৈঠকে বসবে বিএনপি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিএনপির দুই নীতিনির্ধারক জানান, জোট করলেও নিজ দলের প্রতীকে নির্বাচন করার বিধান থাকায় ভোটের বাস্তবতা বিবেচনায় রেখে আসন ছাড়ের বিষয়ে সতর্ক অবস্থান নিয়েছে বিএনপি। তাদের মতে, বিএনপির সমর্থন থাকলেও ছোট দলগুলোর অনেক প্রার্থীর ক্ষেত্রে নিজ দলের প্রতীকে জয়ী হওয়া কঠিন হতে পারে। এ কারণে ছোট দলের শীর্ষ নেতারা ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করতে আগ্রহী। বিএনপিও সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় তাদের সেই সুযোগ দেওয়ার কৌশল নিয়েছে।

এ বিষয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, “যুগপৎ আন্দোলনে আমাদের যে কনসেপ্ট ছিল, সে অনুযায়ী কিছু আসন শরিকদের জন্য ছেড়ে দেওয়া হবে।”

উল্লেখ্য, বিএনপি ইতোমধ্যে দুই ধাপে ২৭২ আসনে সম্ভাব্য একক প্রার্থী ঘোষণা করেছে। এখনো ২৮টি আসন ফাঁকা রাখা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের তফসিল অনুযায়ী আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। মনোনয়নপত্র জমাদানের শেষ দিন ২৯ ডিসেম্বর।

বিএনপির একাধিক সূত্র জানায়, নিবন্ধিত মিত্র দলের বেশির ভাগ নেতা দল থেকে পদত্যাগ করে বিএনপিতে যোগ দিয়ে ধানের শীষে নির্বাচন করতে আগ্রহী। অনিবন্ধিত দলগুলোর প্রার্থীরা আগেই ধানের শীষে নির্বাচন করতে সম্মত হয়েছেন। মোস্তফা জামাল হায়দার ও ফরিদুজ্জামান ফরহাদ জানিয়েছেন, বিএনপির সঙ্গে তাদের আলোচনা ফলপ্রসূ হয়েছে এবং তারা ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করবেন।

তবে বিএনপির একটি সূত্র জানায়, মাহমুদুর রহমান মান্না, সাইফুল হক, আন্দালিব রহমান পার্থ, জোনায়েদ সাকি ও নুরুল হক নুরসহ কয়েকজন নেতা দল ছাড়তে রাজি নন। তারা নিজস্ব প্রতীকে নির্বাচন করতে চান। এ নিয়ে তাদের সঙ্গে বিএনপির আলোচনা চলছে। এছাড়া এলডিপির চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদের ছেলে অধ্যাপক ওমর ফারুক এবং দলটির মহাসচিব ড. রেদোয়ান আহমেদও নিজ দলের প্রতীকে নির্বাচন করবেন। এসব আসনে বিএনপি ছাড় দেবে বলে জানা গেছে।

এদিকে সাইফুল হক জানান, ঢাকা-৮ আসন নিয়ে বিএনপির সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। ওই আসনে বিএনপির প্রার্থী থাকায় পরিবর্তনের সুযোগ নেই। তবে ঢাকা-১২ আসন দেওয়া হলে তারা ইতিবাচক সিদ্ধান্ত নেবেন।

এর আগে লক্ষ্মীপুর-১ আসনে বাংলাদেশ এলডিপির সাবেক চেয়ারম্যান শাহাদাত হোসেন সেলিমের প্রার্থিতা নিশ্চিত করা হয়েছে। তিনি সম্প্রতি বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন এবং ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচনের লক্ষ্যে তাকে দলে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে দলীয় সূত্র।


Notice: ob_end_flush(): Failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/somokontho/public_html/wp-includes/functions.php on line 5481