ঢাকা ০৬:০৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বুলডোজার নিয়ে যাওয়া দলকে ‘রাজাকার’ আখ্যা শাওনের

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৮:২৪:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ নভেম্বর ২০২৫
  • ৮৪ বার পড়া হয়েছে

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও আরও দুই আসামির বিরুদ্ধে জুলাইয়ের অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধ সংক্রান্ত মামলার রায় ঘোষণার দিনে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের এলাকায় আবারও দুটি বুলডোজার নিয়ে উপস্থিতি দেখা দিয়েছে।

সোমবার দুপুরে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে আবারও দুটি বুলডোজার নেওয়া গেলে ওই সময় ট্রাকের ওপর কয়েকজন তরুণ হাতে মাইক ধরে স্লোগান দিচ্ছিলেন। তারা জানান, ‘রেড জুলাই’ নামের একটি সংগঠনের পক্ষ থেকে বুলডোজার নিয়ে আসা হয়েছে।

এই ঘটনার পর অভিনেত্রী মেহের আফরোজ শাওন তাদের ‘রাজাকার বাহিনী’ বলে আখ্যা দিয়েছেন। তিনি একটি সংবাদ শেয়ার করে লিখেছেন, ‘মনের ভয়ই আসল ভয়। বারবার ভাঙা, আগুন দেওয়ার পরও তোদের ভয় যায়নি। ধানমন্ডি ৩২-এর এই ভাঙা বাড়ির প্রতিটি ধূলিকণা বাংলাদেশের আকাশে মিশে আছে। একে কীভাবে অস্বীকার করবে, রাজাকার বাহিনী!’

এর আগে, গত বছরের ৫ আগস্ট সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের বাইরে যাওয়ার পর ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত বাড়িতে হামলা চালানো হয় এবং সেখানে লুটপাট ও আগুন ধরানো হয়।

গত বছরের ৫ ফেব্রুয়ারি ‘বুলডোজার মিছিল’ কর্মসূচির সময় সে বাড়িটি ভাঙা হয়। সেখানে উপস্থিত প্রায় তিন হাজার মানুষ ভিড় করেছিলেন। রাত পৌনে ১১টার দিকে ক্রেন এবং এক্সক্যাভেটর দিয়ে বাড়ি ভাঙার কাজ শুরু হয়। কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তিনতলার বাড়ির একটি অংশ ধ্বংস করা হয়। মাঝে বিরতি নেওয়ার পর আরও একটি এক্সক্যাভেটর যোগ দেয়।

মধ্যরাতে সেনাবাহিনী কিছু সময় সেখানে অবস্থান করলেও স্থানীয় জনগণ ‘ভুয়া ভুয়া’ স্লোগান দিতে থাকে এবং পরে তারা চলে যায়। রাতের বেলা সেখানে গান বাজানো ও নাচের দৃশ্যও দেখা যায়। পুরো ভাঙা বাড়িটি নিরাপত্তা সহকারে রেখে দেওয়া হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বুলডোজার নিয়ে যাওয়া দলকে ‘রাজাকার’ আখ্যা শাওনের

আপডেট সময় ০৮:২৪:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ নভেম্বর ২০২৫

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও আরও দুই আসামির বিরুদ্ধে জুলাইয়ের অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধ সংক্রান্ত মামলার রায় ঘোষণার দিনে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের এলাকায় আবারও দুটি বুলডোজার নিয়ে উপস্থিতি দেখা দিয়েছে।

সোমবার দুপুরে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে আবারও দুটি বুলডোজার নেওয়া গেলে ওই সময় ট্রাকের ওপর কয়েকজন তরুণ হাতে মাইক ধরে স্লোগান দিচ্ছিলেন। তারা জানান, ‘রেড জুলাই’ নামের একটি সংগঠনের পক্ষ থেকে বুলডোজার নিয়ে আসা হয়েছে।

এই ঘটনার পর অভিনেত্রী মেহের আফরোজ শাওন তাদের ‘রাজাকার বাহিনী’ বলে আখ্যা দিয়েছেন। তিনি একটি সংবাদ শেয়ার করে লিখেছেন, ‘মনের ভয়ই আসল ভয়। বারবার ভাঙা, আগুন দেওয়ার পরও তোদের ভয় যায়নি। ধানমন্ডি ৩২-এর এই ভাঙা বাড়ির প্রতিটি ধূলিকণা বাংলাদেশের আকাশে মিশে আছে। একে কীভাবে অস্বীকার করবে, রাজাকার বাহিনী!’

এর আগে, গত বছরের ৫ আগস্ট সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের বাইরে যাওয়ার পর ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত বাড়িতে হামলা চালানো হয় এবং সেখানে লুটপাট ও আগুন ধরানো হয়।

গত বছরের ৫ ফেব্রুয়ারি ‘বুলডোজার মিছিল’ কর্মসূচির সময় সে বাড়িটি ভাঙা হয়। সেখানে উপস্থিত প্রায় তিন হাজার মানুষ ভিড় করেছিলেন। রাত পৌনে ১১টার দিকে ক্রেন এবং এক্সক্যাভেটর দিয়ে বাড়ি ভাঙার কাজ শুরু হয়। কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তিনতলার বাড়ির একটি অংশ ধ্বংস করা হয়। মাঝে বিরতি নেওয়ার পর আরও একটি এক্সক্যাভেটর যোগ দেয়।

মধ্যরাতে সেনাবাহিনী কিছু সময় সেখানে অবস্থান করলেও স্থানীয় জনগণ ‘ভুয়া ভুয়া’ স্লোগান দিতে থাকে এবং পরে তারা চলে যায়। রাতের বেলা সেখানে গান বাজানো ও নাচের দৃশ্যও দেখা যায়। পুরো ভাঙা বাড়িটি নিরাপত্তা সহকারে রেখে দেওয়া হয়েছে।