ঢাকা ০৫:০২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে ককটেল হামলার প্রতিবাদে খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের মানববন্ধন

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৮:২৭:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ নভেম্বর ২০২৫
  • ৯১ বার পড়া হয়েছে

তেজগাঁও জপমালা রানী গির্জা, রমনার সেন্ট মেরীস ক্যাথিড্রাল এবং মোহাম্মদপুর সেন্ট যোসেফ হাইস্কুল ও কলেজ প্রাঙ্গণে ককটেল বিস্ফোরণের প্রতিবাদে নীরব মানববন্ধন করেছে সেন্ট মেরীস ক্যাথিড্রাল, বাংলাদেশ খ্রিস্টান ফোরাম এবং ঢাকা মহানগর পালকীয় পরিষদ।

মঙ্গলবার রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে তারা এ মানববন্ধন করেন।

মানববন্ধনে বক্তৃতা করেন সেন্ট মেরীস ক্যাথিড্রালের প্রধান সমন্বয়কারী ফাদার আলবাট রোজারিও, বিএনপির ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট জন গোমেজ, বাংলাদেশ খ্রিস্টান অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি নির্মল রোজারিও, বাংলাদেশ খ্রিস্টান মহাজোট সভাপতি অ্যাডভোকেট জানিয়েল নির্মল ডি’কোস্তা, বাংলাদেশ খ্রিস্টান ফোরামের মহাসচিব অনিল লিউ কস্তা এবং খ্রিস্টান মহাজোটের দপ্তর সম্পাদক গারিয়েল ডি’কস্তা প্রমুখ।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, গত কয়েক দিনের ব্যবধানে খ্রিস্টান ধর্মীয় ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সংঘটিত এসব বিস্ফোরণের ঘটনায় সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে। তারা জানান, ‘ঘটনার পরপরই পুলিশ প্রশাসন নিরাপত্তা বাড়িয়েছে এবং তদন্ত চলছে। কিন্তু এতদিনেও অপরাধীরা শনাক্ত হয়নি—যা অত্যন্ত দুঃখজনক।’

বক্তারা অভিযোগ করেন, দেশের গোয়েন্দা সংস্থাগুলো অতীতে বড় বড় অপরাধ উদঘাটন করেছে, কিন্তু সাম্প্রতিক এসব হামলার রহস্য উদঘাটনে গড়িমসি চোখে পড়ার মতো। তাদের দাবি—দোষীদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে বিচার নিশ্চিত করতে হবে।

বক্তারা আরও বলেন, বাংলাদেশে খ্রিস্টান সম্প্রদায় সবসময় সম্প্রীতি ও শান্তির পক্ষে। তাই ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে হামলা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয় এবং এটি সামগ্রিক সামাজিক শান্তিকে হুমকির মুখে ফেলতে পারে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে ককটেল হামলার প্রতিবাদে খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের মানববন্ধন

আপডেট সময় ০৮:২৭:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ নভেম্বর ২০২৫

তেজগাঁও জপমালা রানী গির্জা, রমনার সেন্ট মেরীস ক্যাথিড্রাল এবং মোহাম্মদপুর সেন্ট যোসেফ হাইস্কুল ও কলেজ প্রাঙ্গণে ককটেল বিস্ফোরণের প্রতিবাদে নীরব মানববন্ধন করেছে সেন্ট মেরীস ক্যাথিড্রাল, বাংলাদেশ খ্রিস্টান ফোরাম এবং ঢাকা মহানগর পালকীয় পরিষদ।

মঙ্গলবার রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে তারা এ মানববন্ধন করেন।

মানববন্ধনে বক্তৃতা করেন সেন্ট মেরীস ক্যাথিড্রালের প্রধান সমন্বয়কারী ফাদার আলবাট রোজারিও, বিএনপির ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট জন গোমেজ, বাংলাদেশ খ্রিস্টান অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি নির্মল রোজারিও, বাংলাদেশ খ্রিস্টান মহাজোট সভাপতি অ্যাডভোকেট জানিয়েল নির্মল ডি’কোস্তা, বাংলাদেশ খ্রিস্টান ফোরামের মহাসচিব অনিল লিউ কস্তা এবং খ্রিস্টান মহাজোটের দপ্তর সম্পাদক গারিয়েল ডি’কস্তা প্রমুখ।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, গত কয়েক দিনের ব্যবধানে খ্রিস্টান ধর্মীয় ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সংঘটিত এসব বিস্ফোরণের ঘটনায় সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে। তারা জানান, ‘ঘটনার পরপরই পুলিশ প্রশাসন নিরাপত্তা বাড়িয়েছে এবং তদন্ত চলছে। কিন্তু এতদিনেও অপরাধীরা শনাক্ত হয়নি—যা অত্যন্ত দুঃখজনক।’

বক্তারা অভিযোগ করেন, দেশের গোয়েন্দা সংস্থাগুলো অতীতে বড় বড় অপরাধ উদঘাটন করেছে, কিন্তু সাম্প্রতিক এসব হামলার রহস্য উদঘাটনে গড়িমসি চোখে পড়ার মতো। তাদের দাবি—দোষীদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে বিচার নিশ্চিত করতে হবে।

বক্তারা আরও বলেন, বাংলাদেশে খ্রিস্টান সম্প্রদায় সবসময় সম্প্রীতি ও শান্তির পক্ষে। তাই ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে হামলা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয় এবং এটি সামগ্রিক সামাজিক শান্তিকে হুমকির মুখে ফেলতে পারে।