ঢাকা ১২:০৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট : দ্রুত কমছে মার্কিন অস্ত্র মজুত, উদ্বেগে পেন্টাগন

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৫:১৩:১১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬
  • ৪৯ বার পড়া হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
চলমান ইরান সংঘাতে ব্যাপক হারে টমাহক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের কারণে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগনের কর্মকর্তারা। জানা গেছে, গত চার সপ্তাহে মার্কিন বাহিনী ৮৫০টিরও বেশি টমাহক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করেছে।

টমাহক ক্ষেপণাস্ত্র নৌযান ও সাবমেরিন থেকে উৎক্ষেপণ করা যায় এবং এটি এক হাজার মাইলেরও বেশি দূরত্ব অতিক্রম করতে সক্ষম। তবে বর্তমানে বছরে মাত্র কয়েকশ’ ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদিত হওয়ায় এর বৈশ্বিক সরবরাহ সীমিত।

২০০৪ সাল থেকে ব্যবহৃত আধুনিক টমাহক ক্ষেপণাস্ত্র জিপিএস ও স্যাটেলাইট প্রযুক্তির মাধ্যমে নির্ভুলভাবে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে পারে।

পেন্টাগনের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মধ্যপ্রাচ্যে টমাহক ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত এখন উদ্বেগজনক পর্যায়ে নেমে এসেছে। দ্রুত পদক্ষেপ না নিলে এই মজুত ফুরিয়ে যেতে পারে। এক কর্মকর্তা জানান, পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছাচ্ছে যে তারা ‘উইনচেস্টার’-এর কাছাকাছি—যা সামরিক পরিভাষায় গোলাবারুদ শেষ হওয়ার অবস্থা বোঝায়।

প্রতি টমাহক ক্ষেপণাস্ত্রের দাম সর্বোচ্চ ৩ দশমিক ৬ মিলিয়ন ডলার এবং একটি তৈরি করতে প্রায় দুই বছর সময় লাগে। এই পরিস্থিতিতে উৎপাদন বাড়াতে ইতোমধ্যে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক করেছে পেন্টাগন।

অন্যদিকে, মার্কিন কংগ্রেসের সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা থাডের মোট মজুতের এক-তৃতীয়াংশেরও বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কয়েকটি থাড রাডার সিস্টেম ধ্বংস হয়ে গেছে এবং সেগুলো পুনঃস্থাপন করতে কয়েক বছর সময় লাগতে পারে।

এর ফলে পারস্য উপসাগরের দক্ষিণাঞ্চলে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলো ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঝুঁকিতে রয়েছে।

প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ইরান ইতোমধ্যেই ইসরাইলের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় আঘাত হেনেছে। এখন দেশটির লক্ষ্য প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, ক্ষেপণাস্ত্র ও রাডার উৎপাদনকারী স্থাপনাগুলোকে ধ্বংস করা।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট : দ্রুত কমছে মার্কিন অস্ত্র মজুত, উদ্বেগে পেন্টাগন

আপডেট সময় ০৫:১৩:১১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
চলমান ইরান সংঘাতে ব্যাপক হারে টমাহক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের কারণে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগনের কর্মকর্তারা। জানা গেছে, গত চার সপ্তাহে মার্কিন বাহিনী ৮৫০টিরও বেশি টমাহক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করেছে।

টমাহক ক্ষেপণাস্ত্র নৌযান ও সাবমেরিন থেকে উৎক্ষেপণ করা যায় এবং এটি এক হাজার মাইলেরও বেশি দূরত্ব অতিক্রম করতে সক্ষম। তবে বর্তমানে বছরে মাত্র কয়েকশ’ ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদিত হওয়ায় এর বৈশ্বিক সরবরাহ সীমিত।

২০০৪ সাল থেকে ব্যবহৃত আধুনিক টমাহক ক্ষেপণাস্ত্র জিপিএস ও স্যাটেলাইট প্রযুক্তির মাধ্যমে নির্ভুলভাবে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে পারে।

পেন্টাগনের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মধ্যপ্রাচ্যে টমাহক ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত এখন উদ্বেগজনক পর্যায়ে নেমে এসেছে। দ্রুত পদক্ষেপ না নিলে এই মজুত ফুরিয়ে যেতে পারে। এক কর্মকর্তা জানান, পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছাচ্ছে যে তারা ‘উইনচেস্টার’-এর কাছাকাছি—যা সামরিক পরিভাষায় গোলাবারুদ শেষ হওয়ার অবস্থা বোঝায়।

প্রতি টমাহক ক্ষেপণাস্ত্রের দাম সর্বোচ্চ ৩ দশমিক ৬ মিলিয়ন ডলার এবং একটি তৈরি করতে প্রায় দুই বছর সময় লাগে। এই পরিস্থিতিতে উৎপাদন বাড়াতে ইতোমধ্যে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক করেছে পেন্টাগন।

অন্যদিকে, মার্কিন কংগ্রেসের সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা থাডের মোট মজুতের এক-তৃতীয়াংশেরও বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কয়েকটি থাড রাডার সিস্টেম ধ্বংস হয়ে গেছে এবং সেগুলো পুনঃস্থাপন করতে কয়েক বছর সময় লাগতে পারে।

এর ফলে পারস্য উপসাগরের দক্ষিণাঞ্চলে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলো ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঝুঁকিতে রয়েছে।

প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ইরান ইতোমধ্যেই ইসরাইলের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় আঘাত হেনেছে। এখন দেশটির লক্ষ্য প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, ক্ষেপণাস্ত্র ও রাডার উৎপাদনকারী স্থাপনাগুলোকে ধ্বংস করা।