ঢাকা ১০:৩৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬, ৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo নারীর ক্ষমতায়নে ইউএন উইমেনের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা চায় বাংলাদেশ Logo ব্রাজিলের পতাকা টাঙাতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পর্শে স্কুলছাত্রের মৃত্যু Logo মাদক ব্যবসা ছাড়ুন, না হলে এলাকা ছাড়ুন : এমপি আবু তালিব Logo ইরান সংঘাতে না জড়াতে চীনকে অনুরোধ করেছিলেন ট্রাম্প Logo প্রথমার্ধ শেষে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে জোড়া গোলে এগিয়ে যুক্তরাষ্ট্র Logo পাকিস্তান ও বাংলাদেশের মধ্যে গভীর সাংস্কৃতিক সম্পর্ক রয়েছে: পাকিস্তান হাইকমিশনার Logo শিক্ষামন্ত্রীর উপস্থিতিতে জাবিতে নবীনবরণ, ‘পাইলট প্রকল্প’ বিশ্ববিদ্যালয় গড়ার ইঙ্গিত Logo এক বছরে সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের জমা অর্থ বেড়েছে ৪১ শতাংশ Logo আমি ছাড়া কেউ মাজার ভাঙার বিরুদ্ধে কথা বলে না : রুমিন ফারহানা Logo পানিকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে ভারত, হুঁশিয়ারি পাকিস্তানের

দুবাইয়ে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, ২১ ইউক্রেনীয় ড্রোন বিশেষজ্ঞ নিহতের শঙ্কা

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১০:৩০:৩৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬
  • ৪১ বার পড়া হয়েছে

সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে ইউক্রেনীয় অ্যান্টি-ড্রোন সিস্টেমের একটি বিশাল গুদাম ক্ষেপণাস্ত্র হামলা করেছে ইরানের ইসলামী বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)। শনিবার (২৮ মার্চ) ইরানের খাতাম আল-আম্বিয়া কেন্দ্রীয় সদর দপ্তরের একজন মুখপাত্র এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, আইআরজিসি অ্যারোস্পেস ফোর্স ও নেভির এক যৌথ ‘হাইব্রিড অপারেশন’-এর মাধ্যমে এই গুদামটিকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়। ইরান দাবি করছে, এই গুদামটিতে রক্ষিত উন্নত সরঞ্জামগুলো মার্কিন বাহিনীকে সহায়তার উদ্দেশ্যে সেখানে রাখা হয়েছিল।

মুখপাত্রের দাবি, হামলার সময় দুবাইয়ের ওই অবস্থানে অন্তত ২১ জন ইউক্রেনীয় ড্রোন বিশেষজ্ঞ উপস্থিত ছিলেন। আইআরজিসি জানিয়েছে, হামলার পর সেখানে উপস্থিত ইউক্রেনীয় বাহিনীর সদস্যদের ভাগ্য সম্পর্কে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি, তবে ধারণা করা হচ্ছে তারা সবাই নিহত হয়েছেন।

একই সঙ্গে দুবাইয়ে অবস্থানরত মার্কিন কমান্ডার ও সৈন্যদের গোপন আস্তানাগুলোতেও হামলা চালানো হয়েছে বলে দাবি করেছে তেহরান। সেখানে তারা ‘ভারী ক্ষয়ক্ষতির’ কথা উল্লেখ করেছেন।

দুবাইয়ের মতো একটি আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক কেন্দ্রে ইউক্রেনীয় সরঞ্জাম ও মার্কিন অবস্থানের ওপর এই হামলা মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতিকে আরো জটিল করে তুলবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। বিশেষ করে নিরপেক্ষ অবস্থানে থাকা দেশগুলোতে এই ধরনের হামলা বৈশ্বিক ভূ-রাজনীতিতে নতুন অস্থিরতা তৈরি করতে পারে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি এবং বেশ কয়েকজন জ্যেষ্ঠ সামরিক কমান্ডার ও বেসামরিক নাগরিককে হত্যার পর মধ্যপ্রাচ্যে এই সংঘাতের সূত্রপাত হয়। ওই হত্যাকাণ্ডের পর কোনো উসকানি ছাড়াই যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে বড় ধরনের সামরিক অভিযান শুরু করে।
ইরানের বিভিন্ন সামরিক ও বেসামরিক স্থাপনায় ব্যাপক বিমান হামলার জবাবে ইরানি সশস্ত্র বাহিনী পাল্টা প্রতিশোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। এরই অংশ হিসেবে অধিকৃত অঞ্চল এবং মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন আঞ্চলিক ঘাঁটিতে মার্কিন ও ইসরায়েলি অবস্থান লক্ষ্য করে দফায় দফায় ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালাচ্ছে ইরান।

সূত্র: তাসনিম নিউজ

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

নারীর ক্ষমতায়নে ইউএন উইমেনের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা চায় বাংলাদেশ

দুবাইয়ে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, ২১ ইউক্রেনীয় ড্রোন বিশেষজ্ঞ নিহতের শঙ্কা

আপডেট সময় ১০:৩০:৩৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬

সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে ইউক্রেনীয় অ্যান্টি-ড্রোন সিস্টেমের একটি বিশাল গুদাম ক্ষেপণাস্ত্র হামলা করেছে ইরানের ইসলামী বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)। শনিবার (২৮ মার্চ) ইরানের খাতাম আল-আম্বিয়া কেন্দ্রীয় সদর দপ্তরের একজন মুখপাত্র এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, আইআরজিসি অ্যারোস্পেস ফোর্স ও নেভির এক যৌথ ‘হাইব্রিড অপারেশন’-এর মাধ্যমে এই গুদামটিকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়। ইরান দাবি করছে, এই গুদামটিতে রক্ষিত উন্নত সরঞ্জামগুলো মার্কিন বাহিনীকে সহায়তার উদ্দেশ্যে সেখানে রাখা হয়েছিল।

মুখপাত্রের দাবি, হামলার সময় দুবাইয়ের ওই অবস্থানে অন্তত ২১ জন ইউক্রেনীয় ড্রোন বিশেষজ্ঞ উপস্থিত ছিলেন। আইআরজিসি জানিয়েছে, হামলার পর সেখানে উপস্থিত ইউক্রেনীয় বাহিনীর সদস্যদের ভাগ্য সম্পর্কে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি, তবে ধারণা করা হচ্ছে তারা সবাই নিহত হয়েছেন।

একই সঙ্গে দুবাইয়ে অবস্থানরত মার্কিন কমান্ডার ও সৈন্যদের গোপন আস্তানাগুলোতেও হামলা চালানো হয়েছে বলে দাবি করেছে তেহরান। সেখানে তারা ‘ভারী ক্ষয়ক্ষতির’ কথা উল্লেখ করেছেন।

দুবাইয়ের মতো একটি আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক কেন্দ্রে ইউক্রেনীয় সরঞ্জাম ও মার্কিন অবস্থানের ওপর এই হামলা মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতিকে আরো জটিল করে তুলবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। বিশেষ করে নিরপেক্ষ অবস্থানে থাকা দেশগুলোতে এই ধরনের হামলা বৈশ্বিক ভূ-রাজনীতিতে নতুন অস্থিরতা তৈরি করতে পারে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি এবং বেশ কয়েকজন জ্যেষ্ঠ সামরিক কমান্ডার ও বেসামরিক নাগরিককে হত্যার পর মধ্যপ্রাচ্যে এই সংঘাতের সূত্রপাত হয়। ওই হত্যাকাণ্ডের পর কোনো উসকানি ছাড়াই যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে বড় ধরনের সামরিক অভিযান শুরু করে।
ইরানের বিভিন্ন সামরিক ও বেসামরিক স্থাপনায় ব্যাপক বিমান হামলার জবাবে ইরানি সশস্ত্র বাহিনী পাল্টা প্রতিশোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। এরই অংশ হিসেবে অধিকৃত অঞ্চল এবং মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন আঞ্চলিক ঘাঁটিতে মার্কিন ও ইসরায়েলি অবস্থান লক্ষ্য করে দফায় দফায় ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালাচ্ছে ইরান।

সূত্র: তাসনিম নিউজ