ঢাকা ০১:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

‘তিস্তা থেকে ফেলানী, আর কত পাঞ্জেরী?’ – ভারতকে বার্তা বাংলাদেশের

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১২:২৩:৫১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ নভেম্বর ২০২৫
  • ২১২ বার পড়া হয়েছে

ভারতকে ২২ বছর পর হারানোর স্বাদ নিয়েছে বাংলাদেশ। শেখ মোরসালিনের গোলে অধরা জয়টা ধরা দিয়েছে জামাল ভূঁইয়া-হামজা চৌধুরীদের হাতে। তবে ভারতের বিপক্ষে এই ম্যাচ যে আর দশটা সাধারণ ম্যাচ ছিল না, তা আর বলতে! একাধিকবার ম্যাচে এর ছাপ দেখা গেছে।

ম্যাচের আগে জামাল ভূঁইয়া জানিয়ে রেখেছিলেন, এই ম্যাচে প্রতিটা ইঞ্চির জন্য লড়বেন। সঙ্গে জুড়ে দিয়েছিলেন ভারতের ফুটবলার ব্রেন্ডন ফের্নান্দেজকে ট্যাকলের ভিডিওটাও। তাতেই প্রচ্ছন্ন বার্তা ছিল যেন, ‘ছেড়ে কথা বলব না, ছেড়ে কথা বলবে না আমার দল’।

সে বার্তা সমর্থকদের মাঝেও সংক্রমিত হলো। শেষ কয়েক বছর ধরেই বাংলাদেশ ফুটবল দলের ম্যাচ মানে লাল-সবুজের জোয়ার ওঠে স্টেডিয়ামে। দক্ষিণ এশিয়ার সেরা ডার্বি ম্যাচে তার শ্রেষ্ঠ অধ্যায়টাই যেন দেখা গেছে।

এখানেই শেষ নয়। জুলাই আন্দোলনের বিখ্যাত স্লোগান, ‘দিল্লি না ঢাকা? ঢাকা! ঢাকা!!’ শোনা গেছে ক্ষণে ক্ষণে

তবে সবচেয়ে বেশি নজর কেড়েছে গ্যালারিতে এক টিফো। যেখানে লেখা ছিল, ‘তিস্তা থেকে ফেলানী, আর কত পাঞ্জেরী?’ দুই দেশের উষ্ণ সম্পর্কের সময়ে সীমান্তে লাশ পড়েছে একের পর এক, তৎকালীন সরকার তাতে বালির বাঁধটাও দিতে পারেনি। এমনকি তিস্তার পানিবণ্টন চুক্তি নিয়েও হাপিত্যেশ বহুদিনের। সে ক্ষোভটাই যেন আজ ফুটে উঠল ফুটবল সমর্থকদের ব্যানার-টিফোয়।

ভারত এই লড়াইটা যে কোনো মূল্যে জিততে চেয়েছিল। প্রথম লেগের ঠিক আগে সুনীল ছেত্রীকে অবসর ভাঙিয়ে নিয়ে আসা, কিংবা এই লেগের ঠিক আগে ফিফার অনুমতি ছাড়াই রায়ান উইলিয়ামসকে ঢাকায় নিয়ে আসা… সব মিলিয়ে ভারতের মরিয়া রূপের দেখা মিলেছে বাংলাদেশের বিপক্ষে দুই লেগেই। এক গোলে পিছিয়ে পড়ে মেজাজ হারিয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে বিবাদেও জড়িয়েছে। ডার্বি ম্যাচ হবে, আর এসব হবে না, তা কী করে হয়?

এতসব কিছুর পর বাংলাদেশ জয়শূন্য থেকে মাঠ ছাড়লে উৎসবটা যেন অপূর্ণই থেকে যেত। তবে হামজা-মোরসালিনরা সেসব হতে দেননি। বাংলাদেশ জয় তুলে নিয়েছে, প্রেক্ষাপটটা সেই জয়ের স্বাদ বাড়িয়ে দিয়েছে আরও বহুগুণে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

‘তিস্তা থেকে ফেলানী, আর কত পাঞ্জেরী?’ – ভারতকে বার্তা বাংলাদেশের

আপডেট সময় ১২:২৩:৫১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ নভেম্বর ২০২৫

ভারতকে ২২ বছর পর হারানোর স্বাদ নিয়েছে বাংলাদেশ। শেখ মোরসালিনের গোলে অধরা জয়টা ধরা দিয়েছে জামাল ভূঁইয়া-হামজা চৌধুরীদের হাতে। তবে ভারতের বিপক্ষে এই ম্যাচ যে আর দশটা সাধারণ ম্যাচ ছিল না, তা আর বলতে! একাধিকবার ম্যাচে এর ছাপ দেখা গেছে।

ম্যাচের আগে জামাল ভূঁইয়া জানিয়ে রেখেছিলেন, এই ম্যাচে প্রতিটা ইঞ্চির জন্য লড়বেন। সঙ্গে জুড়ে দিয়েছিলেন ভারতের ফুটবলার ব্রেন্ডন ফের্নান্দেজকে ট্যাকলের ভিডিওটাও। তাতেই প্রচ্ছন্ন বার্তা ছিল যেন, ‘ছেড়ে কথা বলব না, ছেড়ে কথা বলবে না আমার দল’।

সে বার্তা সমর্থকদের মাঝেও সংক্রমিত হলো। শেষ কয়েক বছর ধরেই বাংলাদেশ ফুটবল দলের ম্যাচ মানে লাল-সবুজের জোয়ার ওঠে স্টেডিয়ামে। দক্ষিণ এশিয়ার সেরা ডার্বি ম্যাচে তার শ্রেষ্ঠ অধ্যায়টাই যেন দেখা গেছে।

এখানেই শেষ নয়। জুলাই আন্দোলনের বিখ্যাত স্লোগান, ‘দিল্লি না ঢাকা? ঢাকা! ঢাকা!!’ শোনা গেছে ক্ষণে ক্ষণে

তবে সবচেয়ে বেশি নজর কেড়েছে গ্যালারিতে এক টিফো। যেখানে লেখা ছিল, ‘তিস্তা থেকে ফেলানী, আর কত পাঞ্জেরী?’ দুই দেশের উষ্ণ সম্পর্কের সময়ে সীমান্তে লাশ পড়েছে একের পর এক, তৎকালীন সরকার তাতে বালির বাঁধটাও দিতে পারেনি। এমনকি তিস্তার পানিবণ্টন চুক্তি নিয়েও হাপিত্যেশ বহুদিনের। সে ক্ষোভটাই যেন আজ ফুটে উঠল ফুটবল সমর্থকদের ব্যানার-টিফোয়।

ভারত এই লড়াইটা যে কোনো মূল্যে জিততে চেয়েছিল। প্রথম লেগের ঠিক আগে সুনীল ছেত্রীকে অবসর ভাঙিয়ে নিয়ে আসা, কিংবা এই লেগের ঠিক আগে ফিফার অনুমতি ছাড়াই রায়ান উইলিয়ামসকে ঢাকায় নিয়ে আসা… সব মিলিয়ে ভারতের মরিয়া রূপের দেখা মিলেছে বাংলাদেশের বিপক্ষে দুই লেগেই। এক গোলে পিছিয়ে পড়ে মেজাজ হারিয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে বিবাদেও জড়িয়েছে। ডার্বি ম্যাচ হবে, আর এসব হবে না, তা কী করে হয়?

এতসব কিছুর পর বাংলাদেশ জয়শূন্য থেকে মাঠ ছাড়লে উৎসবটা যেন অপূর্ণই থেকে যেত। তবে হামজা-মোরসালিনরা সেসব হতে দেননি। বাংলাদেশ জয় তুলে নিয়েছে, প্রেক্ষাপটটা সেই জয়ের স্বাদ বাড়িয়ে দিয়েছে আরও বহুগুণে।