ঢাকা ১১:২০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূত হচ্ছেন ঢাবির ভিসি

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৯:৪৭:৪১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ নভেম্বর ২০২৫
  • ৫৮ বার পড়া হয়েছে

হাসিনার অগ্রাধিকার প্রকল্প লুটপাটের উদ্দেশ্যেই রেললাইন নির্মাণ
বন্ড সফটওয়্যারে সাইবার হামলা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার ১৫ মাস পর আবারও সুখবর পাচ্ছেন ড. নিয়াজ আহমেদ খান। ডেনমার্কে বাংলাদেশের পরবর্তী রাষ্ট্রদূত হতে চলেছেন তিনি।

শুধু তিনিই নন, অন্তর্বর্তী সরকার প্রধান উপদেষ্টার এসডিজি বিষয়ক দূত লামিয়া মোর্শেদ, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ক বিশেষ দূত লুতফে সিদ্দিকী ও তার বোন হুসনা সিদ্দিকীকেও রাষ্ট্রদূত বানাতে চায় বলে জানা গেছে।

এদের মধ্যে ঢাবি ভিসিকে রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার প্রক্রিয়া প্রায় শেষ। তাকে গ্রহণের জন্য ইতোমধ্যেই কোপেনহেগেনে একটি চিঠি পাঠিয়েছে সরকার। এখন শুধু ক্লিয়ারেন্স পেতে হবে তাকে। তাহলেই ডেনমার্কে বাংলাদেশের পরবর্তী রাষ্ট্রদূত বনে যাবেন ড. নিয়াজ আহমেদ খান। এই ক্লিয়ারেন্স পেতে ১ থেকে ৩ মাসের মতো সময় লাগতে পারে বলে জানা গেছে।

কোপেনহেগেন ছাড়াও বিভিন্ন দূতাবাসে শিগগিরই রাষ্ট্রদূত বা হাইকমিশনার পদ শূন্য হতে চলেছে বাংলাদেশের। তালিকাটিতে আছে- সিঙ্গাপুর, হেগ, থিম্পু, ইয়াঙ্গুন এবং তেহরান। আলোচনায় থাকা বাকি তিনজন লুতফে সিদ্দিকী সিঙ্গাপুর ও হুসনা সিদ্দিকীর চাওয়া হেগে রাষ্ট্রদূত পদটি। এদিকে লামিয়া মোর্শেদ ইউরোপের কোনো দেশে রাষ্ট্রদূত হতে চাইলেও আপাতত আর কোনো দেশে পদ খালি নেই।

তবে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে এটা জানা গেছে যে, ওই সব স্টেশন নিয়ে আলোচনা চললেও এখনও কোনো ফাইলওয়ার্ক শুরু হয়নি।

তাদের এই রাষ্ট্রদূত হওয়ার তালিকায় চলে আসায় একাধিক বিষয়ে সমালোচনা হচ্ছে। লুতফে ও হুসনা সিদ্দিকীর বাবা আবু ইয়াহইয়া বুরহানুল ইসলাম সিদ্দিকী শেখ হাসিনার আগের আমলে পুলিশের আইজি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

এদিকে সরকারের বিবেচনায় এমন ব্যক্তিবর্গের রাষ্ট্রদূদ হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার ফলে কপাল পুড়ছে পেশাদার কূটনীতিকদের। সব মানদণ্ড পূরণ করে বেশ কিছু কূটনীতিক এখন অপেক্ষায় ক্যারিয়ারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পোস্টিংয়ের। এমন সময়ে তাদের ডিঙিয়ে রাষ্ট্রদূত হতে চলেছেন কূটনীতিতে ক্যারিয়ার না গড়া ব্যক্তিরা।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূত হচ্ছেন ঢাবির ভিসি

আপডেট সময় ০৯:৪৭:৪১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ নভেম্বর ২০২৫

হাসিনার অগ্রাধিকার প্রকল্প লুটপাটের উদ্দেশ্যেই রেললাইন নির্মাণ
বন্ড সফটওয়্যারে সাইবার হামলা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার ১৫ মাস পর আবারও সুখবর পাচ্ছেন ড. নিয়াজ আহমেদ খান। ডেনমার্কে বাংলাদেশের পরবর্তী রাষ্ট্রদূত হতে চলেছেন তিনি।

শুধু তিনিই নন, অন্তর্বর্তী সরকার প্রধান উপদেষ্টার এসডিজি বিষয়ক দূত লামিয়া মোর্শেদ, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ক বিশেষ দূত লুতফে সিদ্দিকী ও তার বোন হুসনা সিদ্দিকীকেও রাষ্ট্রদূত বানাতে চায় বলে জানা গেছে।

এদের মধ্যে ঢাবি ভিসিকে রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার প্রক্রিয়া প্রায় শেষ। তাকে গ্রহণের জন্য ইতোমধ্যেই কোপেনহেগেনে একটি চিঠি পাঠিয়েছে সরকার। এখন শুধু ক্লিয়ারেন্স পেতে হবে তাকে। তাহলেই ডেনমার্কে বাংলাদেশের পরবর্তী রাষ্ট্রদূত বনে যাবেন ড. নিয়াজ আহমেদ খান। এই ক্লিয়ারেন্স পেতে ১ থেকে ৩ মাসের মতো সময় লাগতে পারে বলে জানা গেছে।

কোপেনহেগেন ছাড়াও বিভিন্ন দূতাবাসে শিগগিরই রাষ্ট্রদূত বা হাইকমিশনার পদ শূন্য হতে চলেছে বাংলাদেশের। তালিকাটিতে আছে- সিঙ্গাপুর, হেগ, থিম্পু, ইয়াঙ্গুন এবং তেহরান। আলোচনায় থাকা বাকি তিনজন লুতফে সিদ্দিকী সিঙ্গাপুর ও হুসনা সিদ্দিকীর চাওয়া হেগে রাষ্ট্রদূত পদটি। এদিকে লামিয়া মোর্শেদ ইউরোপের কোনো দেশে রাষ্ট্রদূত হতে চাইলেও আপাতত আর কোনো দেশে পদ খালি নেই।

তবে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে এটা জানা গেছে যে, ওই সব স্টেশন নিয়ে আলোচনা চললেও এখনও কোনো ফাইলওয়ার্ক শুরু হয়নি।

তাদের এই রাষ্ট্রদূত হওয়ার তালিকায় চলে আসায় একাধিক বিষয়ে সমালোচনা হচ্ছে। লুতফে ও হুসনা সিদ্দিকীর বাবা আবু ইয়াহইয়া বুরহানুল ইসলাম সিদ্দিকী শেখ হাসিনার আগের আমলে পুলিশের আইজি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

এদিকে সরকারের বিবেচনায় এমন ব্যক্তিবর্গের রাষ্ট্রদূদ হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার ফলে কপাল পুড়ছে পেশাদার কূটনীতিকদের। সব মানদণ্ড পূরণ করে বেশ কিছু কূটনীতিক এখন অপেক্ষায় ক্যারিয়ারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পোস্টিংয়ের। এমন সময়ে তাদের ডিঙিয়ে রাষ্ট্রদূত হতে চলেছেন কূটনীতিতে ক্যারিয়ার না গড়া ব্যক্তিরা।