ঢাকা ০৯:৪৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ১১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo আমরা সর্তকতার সঙ্গে জ্বালানির মূল্য বাড়িয়েছি: বাণিজ্যমন্ত্রী Logo এলএনজি সংকট দীর্ঘায়িত হতে পারে ২০২৭ সাল পর্যন্ত: আইইএ Logo ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার কথা স্বীকার করলেন নেতানিয়াহু Logo সেন্ট মার্টিন নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের সিদ্ধান্তই বহাল থাকছে Logo বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীরা লেখাপড়া করবে, এখানে দলীয়করণের কোনো সুযোগ নেই: অর্থমন্ত্রী Logo জুবায়ের-মুসাদ্দিককে থানার গেট থেকে ওসি রুম পর্যন্ত মারতে মারতে নিয়ে যাওয়া হয় Logo ক্ষমতায় গিয়ে গণভোট নিয়ে জাতির সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করছে সরকার Logo যারা ১৭ বছর দেশে না থেকে এখন আসছে, তারাই গুপ্ত: মিয়া গোলাম পরওয়ার Logo হরমুজ প্রণালি ঘিরে নতুন সামরিক পরিকল্পনা করছে যুক্তরাষ্ট্র Logo হরমুজ পারাপারে রাশিয়াসহ কয়েকটি দেশের ফি মওকুফ করছে ইরান

ট্রাম্পের সামরিক পদক্ষেপের হুমকির জবাব দিলো নাইজেরিয়া

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১০:২৩:২৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩ নভেম্বর ২০২৫
  • ৫১ বার পড়া হয়েছে

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প সামরিক হস্তক্ষেপের যে হুমকি দিয়েছেন তার জবাব দিয়েছে নাইজেরিয়া সরকার। বলেছে, ভৌগোলিক অখণ্ডতা ও সার্বভৌমত্ব অক্ষুণ্ন রেখে সশস্ত্র সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে মার্কিন সহায়তাকে স্বাগত জানাবে নাইজেরিয়া।
গত শনিবার (১ নভেম্বর) ট্রাম্প হুমকি দিয়ে বলেন, নাইজেরিয়ায় খ্রিস্টানদের হত্যা করা হচ্ছে। দেশটির সরকার এই হত্যাকাণ্ড ঠেকাতে ব্যর্থ হলে নাইজেরিয়ার বিরুদ্ধে ‘দ্রুত’ সামরিক পদক্ষেপ নেয়া হবে। সেজন্য মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়কে প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দিয়েছেন বলেও জানান তিনি।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে এক পোস্টে ট্রাম্প আরও বলেন, ‘নাইজেরিয়া সরকার যদি খ্রিস্টানদের হত্যার সুযোগ দিতে থাকে’ তাহলে যুক্তরাষ্ট্র তাৎক্ষণিকভাবে দেশটিকে সমস্ত সহায়তা বন্ধ করে দেবে।

কয়েক ঘণ্টার মধ্যে ট্রাম্পের এই হুমকির জবাব দিয়েছে নাইজেরিয়া। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র কিমিবি ইমোমোটিমি এবিয়েনফা রোববার (২ নভেম্বর) আল জাজিরাকে বলেন,

আমরা যে নিরাপত্তা পরিস্থিতির মধ্যদিয়ে যাচ্ছি তা নিয়ে আমরা গর্বিত নই। কিন্তু ‘শুধুমাত্র খ্রিস্টানদের লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে’ বলে যে বয়ান হাজির করা হচ্ছে, তা সত্য নয়। নাইজেরিয়ায় কোনো খ্রিস্টান গণহত্যা হচ্ছে না।

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা বরাবর আমাদের বক্তব্য স্পষ্ট করে বলেছি যে, আমরা স্বীকার করি যে নাইজেরিয়ায় হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। তবে সেই হত্যাকাণ্ড কেবল খ্রিস্টানদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়।’

নাইজেরিয়ার সরকার এই হত্যাকাণ্ড ঘটতে দিয়েছে এমন অভিযোগের জবাবে ইমোমোটিমি এবিয়েনফা বলেন,

সন্ত্রাস দমনে মার্কিন সহায়তাকে স্বাগত জানিয়ে নাইজেরিয়ার প্রেসিডেন্ট বোলা আহমেদ টিনুবুর উপদেষ্টা ডানিয়েল বোয়ালা বলেছেন, ‘নাইজেরিয়া মার্কিন সহায়তাকে স্বাগত জানাবে, যতক্ষণ আমাদের ভূখণ্ডের অখণ্ডতাকে সম্মান করা হবে।’ দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা প্রশমনের চেষ্টা করে তিনি বলেন, ‘দুই দেশের দুই নেতা বসে আলোচনায় বসলে সন্ত্রাসবিরোধী লড়াইয়ে সাফল্য পাওয়া যাবে।’

এর আগে নাইজেরিয়ার প্রেসিডেন্ট বোলা টিনুবু ধর্মীয় অসহিষ্ণুতার দাবির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানান এবং ধর্মীয় স্বাধীনতা রক্ষার জন্য তার দেশের প্রচেষ্টাকে সমর্থন করে বক্তব্য দেন। এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, ২০২৩ সাল থেকে আমাদের প্রশাসন খ্রিস্টান ও মুসলিম নেতাদের সাথে খোলামেলা ও সক্রিয় যোগাযোগ বজায় রেখেছে এবং ধর্ম ও অঞ্চলের নাগরিকদের প্রভাবিত করে এমন নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে চলেছে।’

প্রেসিডেন্ট টিনুবু আরও বলেন, ‘নাইজেরিয়াকে ধর্মীয়ভাবে অসহিষ্ণু হিসেবে চিহ্নিত করা আমাদের জাতীয় বাস্তবতার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়, এবং এটি নাইজেরীয়দের ধর্ম ও বিশ্বাসের স্বাধীনতা রক্ষার জন্য সরকারের ধারাবাহিক ও আন্তরিক প্রচেষ্টাকেও বিবেচনা করে না।’

নাইজেরিয়ায় দুই শতাধিক জাতিগোষ্ঠী রয়েছে। তবে দেশের জনসংখ্যা মূলত মুসলিমপ্রধান উত্তর ও খ্রিস্টানপ্রধান দক্ষিণাঞ্চলে বিভক্ত। বোকো হারাম ও আইএসের মতো গোষ্ঠীগুলো দেশের উত্তরপূর্বাঞ্চলে সক্রিয় রয়েছে যা গত গত ১৫ বছরেরও বেশি সময় ধরে ত্রাস সৃষ্টি করে চলেছে। তাদের তাণ্ডবে হাজারো মানুষ নিহত হয়েছেন। তবে বিশ্লেষকদের মতে, খ্রিস্টানরা নিহত হলেও অধিকাংশ ভুক্তভোগী মুসলিমরাই।

এছাড়া দেশটির মধ্যাঞ্চলে মুসলিম রাখাল ও খ্রিস্টান কৃষকদের মধ্যে জমি ও পানির উৎস নিয়ে সংঘর্ষ প্রায় নৈমিত্তিক ঘটনা। আবার উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে ডাকাতচক্র বিভিন্ন গ্রামে অপহরণ ও মুক্তিপণ আদায় করে থাকে।

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংঘাত পর্যবেক্ষণ সংস্থা এসিএলইডি’র বিশ্লেষক ল্যাড সেরওয়াত বলেন, বোকো হারাম বা ইসলামিক স্টেট ওয়েস্ট আফ্রিকার মতো গোষ্ঠীগুলো নিজেদের অভিযানে খ্রিস্টানবিরোধী সুর ব্যবহার করে। কিন্তু বাস্তবে তারা নির্বিচার হামলা চালিয়ে পুরো সম্প্রদায়কে ধ্বংস করে দেয়।

তিনি আরও জানান, এ বছর নাইজেরিয়ায় এক হাজার ৯২৩টি বেসামরিক হামলার মধ্যে ধর্মীয় কারণে খ্রিস্টানদের লক্ষ্য করে সংঘটিত হামলার সংখ্যা মাত্র ৫০।

ট্রাম্প প্রশাসন সম্প্রতি নাইজেরিয়াকে আবারও ‘ধর্মীয় স্বাধীনতা লঙ্ঘনকারী দেশের তালিকায়’ যুক্ত করেছে। ওই তালিকায় আরও রয়েছে চীন, মিয়ানমার, উত্তর কোরিয়া, রাশিয়া ও পাকিস্তান।

প্রেসিডেন্ট টিনুবু ট্রাম্পের অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে বলেন, তার সরকার ধর্মীয় স্বাধীনতা রক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। মুসলিম হয়েও তিনি খ্রিস্ট ধর্মের একজনকে বিয়ে করেছেন এবং সেনাবাহিনীর সর্বোচ্চ পদে সম্প্রতি একজন খ্রিস্ট ধর্মাবলম্বীকে নিয়োগ দিয়েছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।

আমরা সর্তকতার সঙ্গে জ্বালানির মূল্য বাড়িয়েছি: বাণিজ্যমন্ত্রী

ট্রাম্পের সামরিক পদক্ষেপের হুমকির জবাব দিলো নাইজেরিয়া

আপডেট সময় ১০:২৩:২৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩ নভেম্বর ২০২৫

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প সামরিক হস্তক্ষেপের যে হুমকি দিয়েছেন তার জবাব দিয়েছে নাইজেরিয়া সরকার। বলেছে, ভৌগোলিক অখণ্ডতা ও সার্বভৌমত্ব অক্ষুণ্ন রেখে সশস্ত্র সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে মার্কিন সহায়তাকে স্বাগত জানাবে নাইজেরিয়া।
গত শনিবার (১ নভেম্বর) ট্রাম্প হুমকি দিয়ে বলেন, নাইজেরিয়ায় খ্রিস্টানদের হত্যা করা হচ্ছে। দেশটির সরকার এই হত্যাকাণ্ড ঠেকাতে ব্যর্থ হলে নাইজেরিয়ার বিরুদ্ধে ‘দ্রুত’ সামরিক পদক্ষেপ নেয়া হবে। সেজন্য মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়কে প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দিয়েছেন বলেও জানান তিনি।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে এক পোস্টে ট্রাম্প আরও বলেন, ‘নাইজেরিয়া সরকার যদি খ্রিস্টানদের হত্যার সুযোগ দিতে থাকে’ তাহলে যুক্তরাষ্ট্র তাৎক্ষণিকভাবে দেশটিকে সমস্ত সহায়তা বন্ধ করে দেবে।

কয়েক ঘণ্টার মধ্যে ট্রাম্পের এই হুমকির জবাব দিয়েছে নাইজেরিয়া। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র কিমিবি ইমোমোটিমি এবিয়েনফা রোববার (২ নভেম্বর) আল জাজিরাকে বলেন,

আমরা যে নিরাপত্তা পরিস্থিতির মধ্যদিয়ে যাচ্ছি তা নিয়ে আমরা গর্বিত নই। কিন্তু ‘শুধুমাত্র খ্রিস্টানদের লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে’ বলে যে বয়ান হাজির করা হচ্ছে, তা সত্য নয়। নাইজেরিয়ায় কোনো খ্রিস্টান গণহত্যা হচ্ছে না।

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা বরাবর আমাদের বক্তব্য স্পষ্ট করে বলেছি যে, আমরা স্বীকার করি যে নাইজেরিয়ায় হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। তবে সেই হত্যাকাণ্ড কেবল খ্রিস্টানদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়।’

নাইজেরিয়ার সরকার এই হত্যাকাণ্ড ঘটতে দিয়েছে এমন অভিযোগের জবাবে ইমোমোটিমি এবিয়েনফা বলেন,

সন্ত্রাস দমনে মার্কিন সহায়তাকে স্বাগত জানিয়ে নাইজেরিয়ার প্রেসিডেন্ট বোলা আহমেদ টিনুবুর উপদেষ্টা ডানিয়েল বোয়ালা বলেছেন, ‘নাইজেরিয়া মার্কিন সহায়তাকে স্বাগত জানাবে, যতক্ষণ আমাদের ভূখণ্ডের অখণ্ডতাকে সম্মান করা হবে।’ দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা প্রশমনের চেষ্টা করে তিনি বলেন, ‘দুই দেশের দুই নেতা বসে আলোচনায় বসলে সন্ত্রাসবিরোধী লড়াইয়ে সাফল্য পাওয়া যাবে।’

এর আগে নাইজেরিয়ার প্রেসিডেন্ট বোলা টিনুবু ধর্মীয় অসহিষ্ণুতার দাবির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানান এবং ধর্মীয় স্বাধীনতা রক্ষার জন্য তার দেশের প্রচেষ্টাকে সমর্থন করে বক্তব্য দেন। এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, ২০২৩ সাল থেকে আমাদের প্রশাসন খ্রিস্টান ও মুসলিম নেতাদের সাথে খোলামেলা ও সক্রিয় যোগাযোগ বজায় রেখেছে এবং ধর্ম ও অঞ্চলের নাগরিকদের প্রভাবিত করে এমন নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে চলেছে।’

প্রেসিডেন্ট টিনুবু আরও বলেন, ‘নাইজেরিয়াকে ধর্মীয়ভাবে অসহিষ্ণু হিসেবে চিহ্নিত করা আমাদের জাতীয় বাস্তবতার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়, এবং এটি নাইজেরীয়দের ধর্ম ও বিশ্বাসের স্বাধীনতা রক্ষার জন্য সরকারের ধারাবাহিক ও আন্তরিক প্রচেষ্টাকেও বিবেচনা করে না।’

নাইজেরিয়ায় দুই শতাধিক জাতিগোষ্ঠী রয়েছে। তবে দেশের জনসংখ্যা মূলত মুসলিমপ্রধান উত্তর ও খ্রিস্টানপ্রধান দক্ষিণাঞ্চলে বিভক্ত। বোকো হারাম ও আইএসের মতো গোষ্ঠীগুলো দেশের উত্তরপূর্বাঞ্চলে সক্রিয় রয়েছে যা গত গত ১৫ বছরেরও বেশি সময় ধরে ত্রাস সৃষ্টি করে চলেছে। তাদের তাণ্ডবে হাজারো মানুষ নিহত হয়েছেন। তবে বিশ্লেষকদের মতে, খ্রিস্টানরা নিহত হলেও অধিকাংশ ভুক্তভোগী মুসলিমরাই।

এছাড়া দেশটির মধ্যাঞ্চলে মুসলিম রাখাল ও খ্রিস্টান কৃষকদের মধ্যে জমি ও পানির উৎস নিয়ে সংঘর্ষ প্রায় নৈমিত্তিক ঘটনা। আবার উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে ডাকাতচক্র বিভিন্ন গ্রামে অপহরণ ও মুক্তিপণ আদায় করে থাকে।

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংঘাত পর্যবেক্ষণ সংস্থা এসিএলইডি’র বিশ্লেষক ল্যাড সেরওয়াত বলেন, বোকো হারাম বা ইসলামিক স্টেট ওয়েস্ট আফ্রিকার মতো গোষ্ঠীগুলো নিজেদের অভিযানে খ্রিস্টানবিরোধী সুর ব্যবহার করে। কিন্তু বাস্তবে তারা নির্বিচার হামলা চালিয়ে পুরো সম্প্রদায়কে ধ্বংস করে দেয়।

তিনি আরও জানান, এ বছর নাইজেরিয়ায় এক হাজার ৯২৩টি বেসামরিক হামলার মধ্যে ধর্মীয় কারণে খ্রিস্টানদের লক্ষ্য করে সংঘটিত হামলার সংখ্যা মাত্র ৫০।

ট্রাম্প প্রশাসন সম্প্রতি নাইজেরিয়াকে আবারও ‘ধর্মীয় স্বাধীনতা লঙ্ঘনকারী দেশের তালিকায়’ যুক্ত করেছে। ওই তালিকায় আরও রয়েছে চীন, মিয়ানমার, উত্তর কোরিয়া, রাশিয়া ও পাকিস্তান।

প্রেসিডেন্ট টিনুবু ট্রাম্পের অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে বলেন, তার সরকার ধর্মীয় স্বাধীনতা রক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। মুসলিম হয়েও তিনি খ্রিস্ট ধর্মের একজনকে বিয়ে করেছেন এবং সেনাবাহিনীর সর্বোচ্চ পদে সম্প্রতি একজন খ্রিস্ট ধর্মাবলম্বীকে নিয়োগ দিয়েছেন।


Notice: ob_end_flush(): Failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/somokontho/public_html/wp-includes/functions.php on line 5481