ঢাকা ১২:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

ট্রলারসহ ছয় জেলেকে ধরে নিয়ে গেছে ‘আরাকান আর্মি’

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০২:২৭:০৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ নভেম্বর ২০২৫
  • ৯৬ বার পড়া হয়েছে

বঙ্গোপসাগরের মাছ শিকার শেষে ফেরার পথে কক্সবাজারের টেকনাফের একটি ট্রলারসহ ছয় জেলেকে ধরে নিয়ে গেছে মিয়ানমারের সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠীআরাকান আর্মি’র (এএ) সদস্যরা

গতকাল মঙ্গলবার সকালে সেন্টমার্টিনের ছেঁড়াদ্বীপের আগে টেকনাফে ফেরার পথেঘটনা ঘটে

টেকনাফ পৌরসভার কায়ুকখালী ঘাট বোট মালিক সমিতির সভাপতি সাজেদ আহমেদ এসব তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, বঙ্গোপসাগরের মাছ শিকার শেষে ফেরার পথ সেন্টমার্টিনের ছেঁড়াদ্বীপের কাছাকাছি থেকে একটি ট্রলারসহ ছয় জন মাঝিমাল্লাকে ধরে নিয়ে গেছে ‘আরাকান আর্মি’। এছাড়া আরও কয়েকজন জেলেকে ধরে নিয়ে যাওয়া খবর পাচ্ছি, তবে সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

ট্রলার মালিক জাকির হোসেন বলেন, আমার ট্রলার নিয়ে গত ১৫ নভেম্বর আব্দুর করিম মাঝিসহ ছয় জেলে সাগরে মাছ শিকারে যান। সর্বশেষ ১৮ নভেম্বর সকালে টেকনাফে ঘাটে ফেরার পথে সেন্টমার্টিনের ছেঁড়াদ্বীপের আগে কাছাকাছি পৌঁছালে ট্রলারটি ধাওয়া করে ‘আরাকান আর্মি’। এসময় ট্রলারসহ জেলেদের ধরে নিয়ে যায় তারা।

এদিকে, মিয়ানমারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গ্লোবাল আরাকান নেটওয়ার্ক জানায়, গত ২৮ অক্টোবর আরাকান আর্মির উপকূলীয় নিরাপত্তা ইউনিট সমুদ্রপথে টহল জোরদার করে। টহলের সময় আরাকান রাজ্যের জলসীমা অতিক্রম করে মাছ ধরতে থাকা কয়েকটি বাংলাদেশি ট্রলার শনাক্ত করা হয়। সেখানে তারা চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে ১৮ জুলাই পর্যন্ত প্রায় ১৮৮ জন বাংলাদেশি জেলে ও ৩০টি নৌকা আটক করে। পরে তাদের মুক্তি দেওয়া হয়। কিন্তু এখন আইন অমান্য করার কারণে ফের এসব ট্রলার ধরা হচ্ছে। এছাড়া গতকাল সেখানে ১৬ জেলে ধরে নিয়ে যাওয়ার বিষয়টি প্রকাশ করে তারা।

এ বিষয়ে টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শেখ এহসান উদ্দিন বলেন, ট্রলারসহ কিছু জেলেকে ধরে নিয়ে যাওয়ার বিষয়টি শুনেছি। এ ব্যাপারে খোঁজ নিচ্ছি।

বিজিবি বলছে, গত ১১ মাসে বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমারে নাফ নদসহ সংলগ্ন এলাকা থেকে অন্তত ৩৫০ জেলেকে অপহরণ করে আরাকান আর্মি। বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সহায়তায় এদের মধ্যে প্রায় ২০০ জনকে কয়েক দফায় ফেরত আনা হয়। এখনো ১৫০ জেলে আরাকান আর্মির হাতে রয়েছে। যার ফলে অনেক জেলে সাগরে মাছ শিকারে যেতে ভয় পাচ্ছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

ট্রলারসহ ছয় জেলেকে ধরে নিয়ে গেছে ‘আরাকান আর্মি’

আপডেট সময় ০২:২৭:০৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ নভেম্বর ২০২৫

বঙ্গোপসাগরের মাছ শিকার শেষে ফেরার পথে কক্সবাজারের টেকনাফের একটি ট্রলারসহ ছয় জেলেকে ধরে নিয়ে গেছে মিয়ানমারের সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠীআরাকান আর্মি’র (এএ) সদস্যরা

গতকাল মঙ্গলবার সকালে সেন্টমার্টিনের ছেঁড়াদ্বীপের আগে টেকনাফে ফেরার পথেঘটনা ঘটে

টেকনাফ পৌরসভার কায়ুকখালী ঘাট বোট মালিক সমিতির সভাপতি সাজেদ আহমেদ এসব তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, বঙ্গোপসাগরের মাছ শিকার শেষে ফেরার পথ সেন্টমার্টিনের ছেঁড়াদ্বীপের কাছাকাছি থেকে একটি ট্রলারসহ ছয় জন মাঝিমাল্লাকে ধরে নিয়ে গেছে ‘আরাকান আর্মি’। এছাড়া আরও কয়েকজন জেলেকে ধরে নিয়ে যাওয়া খবর পাচ্ছি, তবে সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

ট্রলার মালিক জাকির হোসেন বলেন, আমার ট্রলার নিয়ে গত ১৫ নভেম্বর আব্দুর করিম মাঝিসহ ছয় জেলে সাগরে মাছ শিকারে যান। সর্বশেষ ১৮ নভেম্বর সকালে টেকনাফে ঘাটে ফেরার পথে সেন্টমার্টিনের ছেঁড়াদ্বীপের আগে কাছাকাছি পৌঁছালে ট্রলারটি ধাওয়া করে ‘আরাকান আর্মি’। এসময় ট্রলারসহ জেলেদের ধরে নিয়ে যায় তারা।

এদিকে, মিয়ানমারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গ্লোবাল আরাকান নেটওয়ার্ক জানায়, গত ২৮ অক্টোবর আরাকান আর্মির উপকূলীয় নিরাপত্তা ইউনিট সমুদ্রপথে টহল জোরদার করে। টহলের সময় আরাকান রাজ্যের জলসীমা অতিক্রম করে মাছ ধরতে থাকা কয়েকটি বাংলাদেশি ট্রলার শনাক্ত করা হয়। সেখানে তারা চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে ১৮ জুলাই পর্যন্ত প্রায় ১৮৮ জন বাংলাদেশি জেলে ও ৩০টি নৌকা আটক করে। পরে তাদের মুক্তি দেওয়া হয়। কিন্তু এখন আইন অমান্য করার কারণে ফের এসব ট্রলার ধরা হচ্ছে। এছাড়া গতকাল সেখানে ১৬ জেলে ধরে নিয়ে যাওয়ার বিষয়টি প্রকাশ করে তারা।

এ বিষয়ে টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শেখ এহসান উদ্দিন বলেন, ট্রলারসহ কিছু জেলেকে ধরে নিয়ে যাওয়ার বিষয়টি শুনেছি। এ ব্যাপারে খোঁজ নিচ্ছি।

বিজিবি বলছে, গত ১১ মাসে বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমারে নাফ নদসহ সংলগ্ন এলাকা থেকে অন্তত ৩৫০ জেলেকে অপহরণ করে আরাকান আর্মি। বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সহায়তায় এদের মধ্যে প্রায় ২০০ জনকে কয়েক দফায় ফেরত আনা হয়। এখনো ১৫০ জেলে আরাকান আর্মির হাতে রয়েছে। যার ফলে অনেক জেলে সাগরে মাছ শিকারে যেতে ভয় পাচ্ছেন।