ঢাকা ০১:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

টাকা বাঁচাতে লেভানদোভস্কিকে গোল করতে মানা করেছিল বার্সা!

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৩:০২:৪৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ নভেম্বর ২০২৫
  • ৮১ বার পড়া হয়েছে

লা লিগায় সেই মৌসুমে বার্সেলোনার কাছে শিরোপা নিশ্চিত ছিল অনেক আগেই। গোলের পর গোল করে পিচিচি দৌড়েও বেশ এগিয়ে ছিলেন রবার্ট লেভানদোভস্কি। ঠিক সেই সময়ই নাকি ঘটেছিল এক বিস্ময়কর ঘটনা—যা ফুটবল দুনিয়ায় এখন নতুন বিতর্ক ছড়াচ্ছে। পোলিশ তারকার নতুন জীবনী ‘Lewandowski. Prawdziwy’ প্রকাশের পর সামনে এসেছে এমন এক তথ্য, যা বার্সেলোনার আর্থিক সংকটকে আরও নগ্ন করে দিয়েছে।

লেখক সেবাস্তিয়ান স্তাশেভস্কির দাবি, ২০২২–২৩ মৌসুমে শেষ দুই ম্যাচ বাকি থাকতে লেভানদোভস্কিকে একটি বিশেষ বৈঠকে ডেকে পাঠিয়েছিলেন বার্সেলোনার কয়েকজন পরিচালক—যার মধ্যে ছিলেন ক্লাব প্রেসিডেন্ট জোয়ান লাপোর্তাও। তখন লেভানদোভস্কির গোলসংখ্যা ২৩, আর চুক্তি অনুযায়ী ২৫ গোল ছুঁলেই বায়ার্ন মিউনিখকে অতিরিক্ত ২৫ লাখ ইউরো বোনাস দিতে হতো বার্সেলোনাকে।

সেই বৈঠকেই নাকি এক পরিচালক সরাসরি বলেন, ‘রবার্ট, শেষ দুই ম্যাচে তোমার গোল করা বন্ধ রাখতে হবে।’

বইয়ে উল্লেখ রয়েছে—এমন অনুরোধ শুনে স্তব্ধ হয়ে যান লেভানদোভস্কি। দীর্ঘ পেশাদার ক্যারিয়ারে কেউ তাকে গোল না করতে বলেনি কখনোই। শিরোপা জিতেই গেছে দল, পিচিচিও প্রায় নিশ্চিত—তবু এমন প্রস্তাব ছিল তার কাছে কল্পনাতীত। শেষ পর্যন্ত তিনি দুই ম্যাচেই গোল পাননি, যদিও মাঠে সম্পূর্ণ সময় খেলেছিলেন। তবে মরসুম শেষে পিচিচি ট্রফি ঠিকই তার হাতেই ওঠে, বেনজেমাকে পেছনে ফেলে।

বইটিতে আরও রয়েছে বার্সেলোনার আর্থিক টানাপোড়েনের আরেক নজির। এক সফরে দলের খাবার তালিকায় বৈচিত্র্য না দেখে লেভানদোভস্কি কারণ জানতে চাইলে ক্লাবের শেফ নাকি বলেছিলেন— “টাকা বাঁচাতে হবে।”

লেভানদোভস্কির এই জীবনী প্রকাশের পর থেকেই প্রশ্ন উঠছে—একজন স্ট্রাইকারকে গোল না করতে বলার মতো পরিস্থিতিতে কীভাবে পৌঁছাল বার্সেলোনা? আর্থিক সংকট কি এতটাই তীব্র ছিল যে মাঠের পারফরম্যান্সেও হস্তক্ষেপ করতে হলো? নতুন এই প্রকাশনা যে কাতালান জায়ান্টদের আরেক দফা সমালোচনার মুখে ঠেলে দেবে, তা এখনই পরিষ্কার।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

টাকা বাঁচাতে লেভানদোভস্কিকে গোল করতে মানা করেছিল বার্সা!

আপডেট সময় ০৩:০২:৪৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ নভেম্বর ২০২৫

লা লিগায় সেই মৌসুমে বার্সেলোনার কাছে শিরোপা নিশ্চিত ছিল অনেক আগেই। গোলের পর গোল করে পিচিচি দৌড়েও বেশ এগিয়ে ছিলেন রবার্ট লেভানদোভস্কি। ঠিক সেই সময়ই নাকি ঘটেছিল এক বিস্ময়কর ঘটনা—যা ফুটবল দুনিয়ায় এখন নতুন বিতর্ক ছড়াচ্ছে। পোলিশ তারকার নতুন জীবনী ‘Lewandowski. Prawdziwy’ প্রকাশের পর সামনে এসেছে এমন এক তথ্য, যা বার্সেলোনার আর্থিক সংকটকে আরও নগ্ন করে দিয়েছে।

লেখক সেবাস্তিয়ান স্তাশেভস্কির দাবি, ২০২২–২৩ মৌসুমে শেষ দুই ম্যাচ বাকি থাকতে লেভানদোভস্কিকে একটি বিশেষ বৈঠকে ডেকে পাঠিয়েছিলেন বার্সেলোনার কয়েকজন পরিচালক—যার মধ্যে ছিলেন ক্লাব প্রেসিডেন্ট জোয়ান লাপোর্তাও। তখন লেভানদোভস্কির গোলসংখ্যা ২৩, আর চুক্তি অনুযায়ী ২৫ গোল ছুঁলেই বায়ার্ন মিউনিখকে অতিরিক্ত ২৫ লাখ ইউরো বোনাস দিতে হতো বার্সেলোনাকে।

সেই বৈঠকেই নাকি এক পরিচালক সরাসরি বলেন, ‘রবার্ট, শেষ দুই ম্যাচে তোমার গোল করা বন্ধ রাখতে হবে।’

বইয়ে উল্লেখ রয়েছে—এমন অনুরোধ শুনে স্তব্ধ হয়ে যান লেভানদোভস্কি। দীর্ঘ পেশাদার ক্যারিয়ারে কেউ তাকে গোল না করতে বলেনি কখনোই। শিরোপা জিতেই গেছে দল, পিচিচিও প্রায় নিশ্চিত—তবু এমন প্রস্তাব ছিল তার কাছে কল্পনাতীত। শেষ পর্যন্ত তিনি দুই ম্যাচেই গোল পাননি, যদিও মাঠে সম্পূর্ণ সময় খেলেছিলেন। তবে মরসুম শেষে পিচিচি ট্রফি ঠিকই তার হাতেই ওঠে, বেনজেমাকে পেছনে ফেলে।

বইটিতে আরও রয়েছে বার্সেলোনার আর্থিক টানাপোড়েনের আরেক নজির। এক সফরে দলের খাবার তালিকায় বৈচিত্র্য না দেখে লেভানদোভস্কি কারণ জানতে চাইলে ক্লাবের শেফ নাকি বলেছিলেন— “টাকা বাঁচাতে হবে।”

লেভানদোভস্কির এই জীবনী প্রকাশের পর থেকেই প্রশ্ন উঠছে—একজন স্ট্রাইকারকে গোল না করতে বলার মতো পরিস্থিতিতে কীভাবে পৌঁছাল বার্সেলোনা? আর্থিক সংকট কি এতটাই তীব্র ছিল যে মাঠের পারফরম্যান্সেও হস্তক্ষেপ করতে হলো? নতুন এই প্রকাশনা যে কাতালান জায়ান্টদের আরেক দফা সমালোচনার মুখে ঠেলে দেবে, তা এখনই পরিষ্কার।