ঢাকা ০৭:০৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

ঝিনাইদহে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ৬, পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১২:৪৫:২৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৪ নভেম্বর ২০২৫
  • ৭৯ বার পড়া হয়েছে

ঝিনাইদহ সদরে রাজনৈতিক আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে এক পুলিশ সদস্যসহ অন্তত ৬ জন আহত হয়েছে। এ সময় পুলিশের একটি গাড়ি ভাঙচুর করা হয়।

রবিবার (২৩ নভেম্বর) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে উপজেলার হারানঘাট গ্রামে সংঘর্ষের এ ঘটনা ঘটে। আহতদের জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এদের মধ্যে গোলাম ফারুকের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, সদর উপজেলার দোগাছি ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি নজরুল ইসলাম ও ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সিরাজ বিশ্বাসের মধ্যে এলাকায় রাজনৈতিক বিরোধ চলে আসছিল। এরই জেরে রবিবার বিকেলে স্থানীয় কল্যাণপুর বাজারে নজরুল ইসলামের সমর্থক মিঠু বিশ্বাসকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে প্রতিপক্ষরা। পরে বিকেলে সিরাজ বিশ্বাসের সমর্থক গোলাম ফারুক ও রকিবুল ইসলাম বাড়ি ফিরছিল।

পথে হারানঘাট গ্রামে পৌঁছালে নজরুল ইসলামের সমর্থকরা তাদের ধাওয়া করে। সে সময় তারা একটি বাড়িতে আশ্রয় নিয়ে স্থানীয় নারিকেলবাড়িয়া পুলিশ ক্যাম্পে সাহায্য চান। পরে পুলিশ গিয়ে তাদের উদ্ধার করে গাড়িতে তুললে নজরুল ইসলামের সমর্থকরা পুলিশের গাড়িতে হামলা-ভাঙচুর করে। সে সময় তারা গাড়ির ভেতরে এবং পরে বাইরে নামিয়ে গোলাম ফারুক ও রকিবুল ইসলামকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে।

সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. ছোঁয়া ইসরাইল বলেন, হাসপাতালে আসা আহতদের মধ্যে তিন জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। এর মধ্যে গোলাম ফারুখের শারীরিক অবস্থা সব থেকে বেশি খারাপ হওয়ায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন। তিনি বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। সংঘর্ষে জড়িতদের আটকের জন্য আমরা অভিযান চালাচ্ছি।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

ঝিনাইদহে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ৬, পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর

আপডেট সময় ১২:৪৫:২৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৪ নভেম্বর ২০২৫

ঝিনাইদহ সদরে রাজনৈতিক আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে এক পুলিশ সদস্যসহ অন্তত ৬ জন আহত হয়েছে। এ সময় পুলিশের একটি গাড়ি ভাঙচুর করা হয়।

রবিবার (২৩ নভেম্বর) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে উপজেলার হারানঘাট গ্রামে সংঘর্ষের এ ঘটনা ঘটে। আহতদের জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এদের মধ্যে গোলাম ফারুকের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, সদর উপজেলার দোগাছি ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি নজরুল ইসলাম ও ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সিরাজ বিশ্বাসের মধ্যে এলাকায় রাজনৈতিক বিরোধ চলে আসছিল। এরই জেরে রবিবার বিকেলে স্থানীয় কল্যাণপুর বাজারে নজরুল ইসলামের সমর্থক মিঠু বিশ্বাসকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে প্রতিপক্ষরা। পরে বিকেলে সিরাজ বিশ্বাসের সমর্থক গোলাম ফারুক ও রকিবুল ইসলাম বাড়ি ফিরছিল।

পথে হারানঘাট গ্রামে পৌঁছালে নজরুল ইসলামের সমর্থকরা তাদের ধাওয়া করে। সে সময় তারা একটি বাড়িতে আশ্রয় নিয়ে স্থানীয় নারিকেলবাড়িয়া পুলিশ ক্যাম্পে সাহায্য চান। পরে পুলিশ গিয়ে তাদের উদ্ধার করে গাড়িতে তুললে নজরুল ইসলামের সমর্থকরা পুলিশের গাড়িতে হামলা-ভাঙচুর করে। সে সময় তারা গাড়ির ভেতরে এবং পরে বাইরে নামিয়ে গোলাম ফারুক ও রকিবুল ইসলামকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে।

সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. ছোঁয়া ইসরাইল বলেন, হাসপাতালে আসা আহতদের মধ্যে তিন জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। এর মধ্যে গোলাম ফারুখের শারীরিক অবস্থা সব থেকে বেশি খারাপ হওয়ায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন। তিনি বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। সংঘর্ষে জড়িতদের আটকের জন্য আমরা অভিযান চালাচ্ছি।