ঢাকা ০৫:৩৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

জয়-পলকের বিচার শুরু, ২৫ ফেব্রুয়ারি সাক্ষ্যগ্রহণ

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১২:৪২:২৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ১০২ বার পড়া হয়েছে
চব্বিশের গণ-আন্দোলনের সময় ইন্টারনেট বন্ধ করে হত্যাসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ আহমেদ পলকের বিচার শুরু হয়েছে।

এ মামলায় বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন ট্রাইব্যুনাল-১-এ সূচনা বক্তব্য দেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম।

সূচনা বক্তব্যে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে আন্দোলনকারী ছাত্র-জনতার ওপর যে ব্যাপক হারে হত্যাযজ্ঞ চালানো হয়েছিল, এর মাস্টারমাইন্ডদের মধ্যে অন্যতম হলেন সজীব ওয়াজেদ জয় ও জুনাইদ আহমেদ পলক। কারণ তারা দুজনই আইসিটির দায়িত্বে ছিলেন।

আন্দোলনের সময় ইন্টারনেট বন্ধ করে দিয়ে হত্যাকাণ্ড সংঘটনে সর্বাত্মক সহযোগিতা করেন তারা। 

জয় এবং পলকের বিরুদ্ধে জুলাই গণ-আন্দোলন চলার সময় ইন্টারনেট বন্ধ করে আন্দোলনকারীদের হত্যার তথ্য আড়াল, হত্যাযজ্ঞে উসকানি, ষড়যন্ত্রসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের তিনটি অভিযোগ আনা হয়েছে।

গত ৪ ডিসেম্বর এ মামলার আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করা হলে তা আমলে নিয়ে ওইদিনই জয় ও পলকের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন ট্রাইব্যুনাল। আসামি জুনাইদ আহমেদ পলক আগে থেকেই গ্রেপ্তার আছেন।

জয়কে গ্রেপ্তার করতে না পারায় গত ১০ ডিসেম্বর ট্রাইব্যুনাল তাঁকে হাজির হতে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দেন। পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পরও হাজির না হওয়ায় জয়কে পলাতক দেখিয়ে গত ১৭ ডিসম্বর তাঁর পক্ষে আইনজীবী নিয়োগ দেওয়া হয়। পরে শুরু হয় অভিযোগ গঠনের শুনানি। 

অভিযোগ গঠন করে জয়-পলককে বিচারের মুখোমুখি করার আরজি জানিয়ে গত ১১ জানুয়ারি শুনানি শেষ করেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম।

এরপর গত ১৫ জানুয়ারি মামলা থেকে দুই আসামির অব্যাহতির আবেদনে শুনানি হয়। পরে গত ২১ জানুয়ারি আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। সেই ধারাবাহিকতায় আজ সূচনা বক্তব্য দেন চিফ প্রসিকিউটর। আগামী ২৫ ফেব্রুয়ারি এ মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য করা হয়েছে।
ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

জয়-পলকের বিচার শুরু, ২৫ ফেব্রুয়ারি সাক্ষ্যগ্রহণ

আপডেট সময় ১২:৪২:২৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
চব্বিশের গণ-আন্দোলনের সময় ইন্টারনেট বন্ধ করে হত্যাসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ আহমেদ পলকের বিচার শুরু হয়েছে।

এ মামলায় বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন ট্রাইব্যুনাল-১-এ সূচনা বক্তব্য দেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম।

সূচনা বক্তব্যে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে আন্দোলনকারী ছাত্র-জনতার ওপর যে ব্যাপক হারে হত্যাযজ্ঞ চালানো হয়েছিল, এর মাস্টারমাইন্ডদের মধ্যে অন্যতম হলেন সজীব ওয়াজেদ জয় ও জুনাইদ আহমেদ পলক। কারণ তারা দুজনই আইসিটির দায়িত্বে ছিলেন।

আন্দোলনের সময় ইন্টারনেট বন্ধ করে দিয়ে হত্যাকাণ্ড সংঘটনে সর্বাত্মক সহযোগিতা করেন তারা। 

জয় এবং পলকের বিরুদ্ধে জুলাই গণ-আন্দোলন চলার সময় ইন্টারনেট বন্ধ করে আন্দোলনকারীদের হত্যার তথ্য আড়াল, হত্যাযজ্ঞে উসকানি, ষড়যন্ত্রসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের তিনটি অভিযোগ আনা হয়েছে।

গত ৪ ডিসেম্বর এ মামলার আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করা হলে তা আমলে নিয়ে ওইদিনই জয় ও পলকের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন ট্রাইব্যুনাল। আসামি জুনাইদ আহমেদ পলক আগে থেকেই গ্রেপ্তার আছেন।

জয়কে গ্রেপ্তার করতে না পারায় গত ১০ ডিসেম্বর ট্রাইব্যুনাল তাঁকে হাজির হতে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দেন। পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পরও হাজির না হওয়ায় জয়কে পলাতক দেখিয়ে গত ১৭ ডিসম্বর তাঁর পক্ষে আইনজীবী নিয়োগ দেওয়া হয়। পরে শুরু হয় অভিযোগ গঠনের শুনানি। 

অভিযোগ গঠন করে জয়-পলককে বিচারের মুখোমুখি করার আরজি জানিয়ে গত ১১ জানুয়ারি শুনানি শেষ করেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম।

এরপর গত ১৫ জানুয়ারি মামলা থেকে দুই আসামির অব্যাহতির আবেদনে শুনানি হয়। পরে গত ২১ জানুয়ারি আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। সেই ধারাবাহিকতায় আজ সূচনা বক্তব্য দেন চিফ প্রসিকিউটর। আগামী ২৫ ফেব্রুয়ারি এ মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য করা হয়েছে।