ঢাকা ১১:৩২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

জয়শঙ্করের বাংলাদেশ সফর কেন্দ্র করে রাজনীতি না খোঁজাই ভালো: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০২:০১:২৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২ জানুয়ারী ২০২৬
  • ১০৫ বার পড়া হয়েছে

সদ্যপ্রয়াত বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জানাজায় অংশ নিতে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের ঢাকা সফরকে কূটনৈতিক বা রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে বিচার না করার আহ্বান জানিয়েছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন। সম্পর্কের শীতলতার প্রেক্ষাপটে প্রতিবেশী দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সফর ঘিরে আজ বৃহস্পতিবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখে এই আহ্বান জানান তিনি।

পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ‘এটাকে ওই ঠিক আন্তরাষ্ট্রীয় সম্পর্ক, তারপরে আপনার রাজনীতি, সেই দৃষ্টিভঙ্গি থেকে না দেখাই ভালো হবে। বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশে তো বটেই, আসলে প্রতিবেশী দেশগুলোতে তাঁর একধরনের ইমেজ আছে, যথেষ্ট পজিটিভ এবং তিনি যে একটি অবস্থানে নিজেকে নিয়ে যেতে পেরেছিলেন, এটা সবাই জানেন।’

দেশ–বিদেশে খালেদা জিয়ার গ্রহণযোগ্যতার কথা তুলে ধরে তৌহিদ হোসেন বলেন, ‘দেশের মানুষের মাঝে তাঁর (খালেদা জিয়ার) দলমত-নির্বিশেষে একধরনের গ্রহণযোগ্যতা ও শ্রদ্ধা-সম্মান আছে। এটা অবশ্যই তারাও, সবাই রিকগনাইজ করে, সাউথ এশিয়ার সবাই সেটাকে রিয়্যালাইজ করে। তাঁর মৃত্যুতে এবং তাঁর অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় যে সবাই প্রতিনিধিত্ব করবেন, অংশগ্রহণ করবেন— এটাই স্বাভাবিক এবং আমরা এটাকে সেভাবেই দেখি।’

ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীসহ প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলোর প্রতিনিধিদের সফরকে ‘পজিটিভ জেশ্চার’ হিসেবে তুলে ধরেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা। তিনি বলেন, ‘তাঁর (জয়শঙ্কর) সফর সংক্ষিপ্ত ছিল, কিন্তু উনি পুরো অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেছেন এবং তারপরে ফেরত চলে গেছেন— এটা একটা ভালো জেশ্চার এ পর্যন্তই। এরচেয়ে বেশি কিছু অর্থ খুঁজতে না যাওয়াই ভালো।’

ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় কোনো আলোচনা হয়নি জানিয়ে উপদেষ্টা বলেন, ‘আমরা ওয়ান টু ওয়ান ও রকমভাবে কোনো কথাবার্তা বলিনি, সে রকম সুযোগও সৃষ্টি হয়নি। অন্যান্য বিদেশি অতিথিও ছিলেন, মানে পাকিস্তানের স্পিকার ছিলেন। পাকিস্তানের স্পিকারের সঙ্গে তো উনি হাত মিলিয়েছেন। কাজেই, এটাকে আপনি কার্টেসি বলবেন, যেটা সবাই মেনে চলে, সৌজন্যবোধ।’

পররাষ্ট্র উপদেষ্টা আরও বলেন, ‘তাঁর সঙ্গে আমার যেটুকু কথাবার্তা হয়েছে, সেটাতে আসলে রাজনীতি ছিল না, একেবারে নিতান্তই এই অকেশন উপলক্ষে এবং অন্য সবার সামনেই। কাজেই, এখানে দ্বিপক্ষীয় বিষয়ে কোনো কিছু আমরা কথাবার্তা বলিনি।’

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

জয়শঙ্করের বাংলাদেশ সফর কেন্দ্র করে রাজনীতি না খোঁজাই ভালো: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

আপডেট সময় ০২:০১:২৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২ জানুয়ারী ২০২৬

সদ্যপ্রয়াত বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জানাজায় অংশ নিতে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের ঢাকা সফরকে কূটনৈতিক বা রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে বিচার না করার আহ্বান জানিয়েছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন। সম্পর্কের শীতলতার প্রেক্ষাপটে প্রতিবেশী দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সফর ঘিরে আজ বৃহস্পতিবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখে এই আহ্বান জানান তিনি।

পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ‘এটাকে ওই ঠিক আন্তরাষ্ট্রীয় সম্পর্ক, তারপরে আপনার রাজনীতি, সেই দৃষ্টিভঙ্গি থেকে না দেখাই ভালো হবে। বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশে তো বটেই, আসলে প্রতিবেশী দেশগুলোতে তাঁর একধরনের ইমেজ আছে, যথেষ্ট পজিটিভ এবং তিনি যে একটি অবস্থানে নিজেকে নিয়ে যেতে পেরেছিলেন, এটা সবাই জানেন।’

দেশ–বিদেশে খালেদা জিয়ার গ্রহণযোগ্যতার কথা তুলে ধরে তৌহিদ হোসেন বলেন, ‘দেশের মানুষের মাঝে তাঁর (খালেদা জিয়ার) দলমত-নির্বিশেষে একধরনের গ্রহণযোগ্যতা ও শ্রদ্ধা-সম্মান আছে। এটা অবশ্যই তারাও, সবাই রিকগনাইজ করে, সাউথ এশিয়ার সবাই সেটাকে রিয়্যালাইজ করে। তাঁর মৃত্যুতে এবং তাঁর অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় যে সবাই প্রতিনিধিত্ব করবেন, অংশগ্রহণ করবেন— এটাই স্বাভাবিক এবং আমরা এটাকে সেভাবেই দেখি।’

ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীসহ প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলোর প্রতিনিধিদের সফরকে ‘পজিটিভ জেশ্চার’ হিসেবে তুলে ধরেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা। তিনি বলেন, ‘তাঁর (জয়শঙ্কর) সফর সংক্ষিপ্ত ছিল, কিন্তু উনি পুরো অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেছেন এবং তারপরে ফেরত চলে গেছেন— এটা একটা ভালো জেশ্চার এ পর্যন্তই। এরচেয়ে বেশি কিছু অর্থ খুঁজতে না যাওয়াই ভালো।’

ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় কোনো আলোচনা হয়নি জানিয়ে উপদেষ্টা বলেন, ‘আমরা ওয়ান টু ওয়ান ও রকমভাবে কোনো কথাবার্তা বলিনি, সে রকম সুযোগও সৃষ্টি হয়নি। অন্যান্য বিদেশি অতিথিও ছিলেন, মানে পাকিস্তানের স্পিকার ছিলেন। পাকিস্তানের স্পিকারের সঙ্গে তো উনি হাত মিলিয়েছেন। কাজেই, এটাকে আপনি কার্টেসি বলবেন, যেটা সবাই মেনে চলে, সৌজন্যবোধ।’

পররাষ্ট্র উপদেষ্টা আরও বলেন, ‘তাঁর সঙ্গে আমার যেটুকু কথাবার্তা হয়েছে, সেটাতে আসলে রাজনীতি ছিল না, একেবারে নিতান্তই এই অকেশন উপলক্ষে এবং অন্য সবার সামনেই। কাজেই, এখানে দ্বিপক্ষীয় বিষয়ে কোনো কিছু আমরা কথাবার্তা বলিনি।’