ঢাকা ০৯:৩৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চীনের সহায়তায় বন্ধ কলকারখানা চালু করতে চায় সরকার: বাণিজ্যমন্ত্রী

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৬:৫৫:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬
  • ৪১ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:
বাংলাদেশ সরকার চীনের সহায়তায় দেশের বন্ধ হয়ে যাওয়া কলকারখানাগুলো পুনরায় চালু করতে চায় বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

বৃহস্পতিবার (১৪ মে) রাজধানীর বসুন্ধরা কনভেনশন সিটিতে তিন দিনব্যাপী ‘বাংলাদেশ-চায়না গ্রিন টেক্সটাইল এক্সপো’র উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, সীমিত সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করতে পারলেই কাঙ্খিত ফলাফল পাওয়া সম্ভব। সম্পদের সীমাবদ্ধতার কথা উল্লেখ করে তিনি নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে চীনের কারিগরি ও বিনিয়োগ সহযোগিতা কামনা করেন।

বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতের সাফল্যের চিত্র তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, দেশে পরিবেশবান্ধব বা ‘সবুজ কারখানা’র সংখ্যা বাড়ছে। বিনিয়োগকারীরা এক্ষেত্রে একটি টেকসই আন্দোলনের সূচনা করেছেন এবং আগামীতে এই খাতে সবুজায়ন আরও বিস্তৃত হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন। তিনি দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় ও সমৃদ্ধ হবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

আয়োজকরা জানান, তিন দিনব্যাপী এই প্রদর্শনীতে চীন ও বাংলাদেশের ৬০টিরও বেশি প্রতিষ্ঠান অংশ নিচ্ছে। মেলায় গ্রিন টেক্সটাইল ও আধুনিক প্রযুক্তির নানা দিক তুলে ধরা হচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশকে আরও আনন্দ দিতে চান স্কালোনি

চীনের সহায়তায় বন্ধ কলকারখানা চালু করতে চায় সরকার: বাণিজ্যমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৬:৫৫:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬

নিউজ ডেস্ক:
বাংলাদেশ সরকার চীনের সহায়তায় দেশের বন্ধ হয়ে যাওয়া কলকারখানাগুলো পুনরায় চালু করতে চায় বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

বৃহস্পতিবার (১৪ মে) রাজধানীর বসুন্ধরা কনভেনশন সিটিতে তিন দিনব্যাপী ‘বাংলাদেশ-চায়না গ্রিন টেক্সটাইল এক্সপো’র উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, সীমিত সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করতে পারলেই কাঙ্খিত ফলাফল পাওয়া সম্ভব। সম্পদের সীমাবদ্ধতার কথা উল্লেখ করে তিনি নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে চীনের কারিগরি ও বিনিয়োগ সহযোগিতা কামনা করেন।

বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতের সাফল্যের চিত্র তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, দেশে পরিবেশবান্ধব বা ‘সবুজ কারখানা’র সংখ্যা বাড়ছে। বিনিয়োগকারীরা এক্ষেত্রে একটি টেকসই আন্দোলনের সূচনা করেছেন এবং আগামীতে এই খাতে সবুজায়ন আরও বিস্তৃত হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন। তিনি দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় ও সমৃদ্ধ হবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

আয়োজকরা জানান, তিন দিনব্যাপী এই প্রদর্শনীতে চীন ও বাংলাদেশের ৬০টিরও বেশি প্রতিষ্ঠান অংশ নিচ্ছে। মেলায় গ্রিন টেক্সটাইল ও আধুনিক প্রযুক্তির নানা দিক তুলে ধরা হচ্ছে।