ঢাকা ০৫:০২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

চানঁখারপুলে ৬ হত্যার রায়: সাবেক ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমানসহ ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৫:০০:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬
  • ১১২ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বে গঠিত তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত অন্য আসামিরা হলেন-সাবেক যুগ্ম কমিশনার সুদীপ কুমার চক্রবর্তী ও সাবেক এডিসি (রমনা) শাহ আলম মো. আখতারুল ইসলাম।

ডিএমপির সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমানসহ মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সবাই পলাতক রয়েছেন। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তদের সম্পদ বাজেয়াপ্তের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

এদিকে মামলায় অন্য আসামির বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। রমনা জোনের সাবেক এসি মোহাম্মদ ইমরুলকে ৬ বছর, শাহবাগ থানার সাবেক পরিদর্শক মো. আরশাদ হোসেনকে ৪ বছর, কনস্টেবল মো. সুজন, ইমাজ হোসেন ইমন ও নাসিরুল ইসলামকে ৩ বছর করে কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। তাদের মধ্যে মোহাম্মদ ইমরুল পলাতক রয়েছেন।

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের ঘটনায় এ নিয়ে দ্বিতীয় কোনো মামলার রায় হলো। এর আগে গত বছরের ১৭ নভেম্বর ট্রাইব্যুনাল থেকে প্রথম রায় এসেছিল। সেই রায়ে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। মামলাটির অপর আসামি পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়।

চানখারপুলের মামলায় তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছিল ২০২৫ সালের ২১ এপ্রিল। একই বছরের ২৫ মে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করে প্রসিকিউশন। সেদিনই আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নেন ট্রাইব্যুনাল।

গত বছরের ১৪ জুলাই আটজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দিয়েছিলেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

প্রসিকিউশনের অভিযোগ, চব্বিশের ৫ আগস্ট ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান ওয়ারল্যাস বার্তার মাধ্যমে আন্দোলনকারীদের লক্ষ্য করে গুলি করার নির্দেশ দেন।

পরে কর্মরত পুলিশ সদস্যরা চাইনিজ রাইফেল ব্যবহার করে গুলি করেন, যা প্রমাণে ১৯টি ভিডিও আদালতে জমা দেয় প্রসিকিউশন।

গত মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) এই মামলার রায় ঘোষণা হওয়ার কথা থাকলেও রায় প্রস্তুত না হওয়ায় তারিখ পেছানো হয়।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট চানখারপুল এলাকায় শিক্ষার্থীদের শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে গুলি চালায় পুলিশ। এতে বহু হতাহতের ঘটনার পাশাপাশি শাহরিয়ার খান আনাস, শেখ জুনায়েদ, মো. ইয়াকুব, মো. রাকিব হাওলাদার, মো. ইসমামুল হক ও মানিক মিয়া শাহরিক নিহত হন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

চানঁখারপুলে ৬ হত্যার রায়: সাবেক ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমানসহ ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড

আপডেট সময় ০৫:০০:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬

নিউজ ডেস্ক:
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বে গঠিত তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত অন্য আসামিরা হলেন-সাবেক যুগ্ম কমিশনার সুদীপ কুমার চক্রবর্তী ও সাবেক এডিসি (রমনা) শাহ আলম মো. আখতারুল ইসলাম।

ডিএমপির সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমানসহ মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সবাই পলাতক রয়েছেন। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তদের সম্পদ বাজেয়াপ্তের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

এদিকে মামলায় অন্য আসামির বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। রমনা জোনের সাবেক এসি মোহাম্মদ ইমরুলকে ৬ বছর, শাহবাগ থানার সাবেক পরিদর্শক মো. আরশাদ হোসেনকে ৪ বছর, কনস্টেবল মো. সুজন, ইমাজ হোসেন ইমন ও নাসিরুল ইসলামকে ৩ বছর করে কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। তাদের মধ্যে মোহাম্মদ ইমরুল পলাতক রয়েছেন।

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের ঘটনায় এ নিয়ে দ্বিতীয় কোনো মামলার রায় হলো। এর আগে গত বছরের ১৭ নভেম্বর ট্রাইব্যুনাল থেকে প্রথম রায় এসেছিল। সেই রায়ে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। মামলাটির অপর আসামি পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়।

চানখারপুলের মামলায় তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছিল ২০২৫ সালের ২১ এপ্রিল। একই বছরের ২৫ মে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করে প্রসিকিউশন। সেদিনই আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নেন ট্রাইব্যুনাল।

গত বছরের ১৪ জুলাই আটজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দিয়েছিলেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

প্রসিকিউশনের অভিযোগ, চব্বিশের ৫ আগস্ট ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান ওয়ারল্যাস বার্তার মাধ্যমে আন্দোলনকারীদের লক্ষ্য করে গুলি করার নির্দেশ দেন।

পরে কর্মরত পুলিশ সদস্যরা চাইনিজ রাইফেল ব্যবহার করে গুলি করেন, যা প্রমাণে ১৯টি ভিডিও আদালতে জমা দেয় প্রসিকিউশন।

গত মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) এই মামলার রায় ঘোষণা হওয়ার কথা থাকলেও রায় প্রস্তুত না হওয়ায় তারিখ পেছানো হয়।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট চানখারপুল এলাকায় শিক্ষার্থীদের শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে গুলি চালায় পুলিশ। এতে বহু হতাহতের ঘটনার পাশাপাশি শাহরিয়ার খান আনাস, শেখ জুনায়েদ, মো. ইয়াকুব, মো. রাকিব হাওলাদার, মো. ইসমামুল হক ও মানিক মিয়া শাহরিক নিহত হন।