বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন সহকারী অধ্যাপক শাওন বিন রহমান। তিনি বলেন, পাখি আক্তারের শরীরের ১০০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল।
এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ৪-এ।
পাখি আক্তার ব্যবসায়ী শাখাওয়াতের ভাই পর্তুগাল প্রবাসী সামির আহামেদ সুমনের স্ত্রী।
উল্লেখ্য, হালিশহরের একটি বাসায় সোমবার ভোরে এ দুর্ঘটনা ঘটে। পরে গুরুতর দগ্ধ ৯ জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সোমবার রাতেই ঢাকায় আনা হয়।
চট্টগ্রাম থেকে ঢাকা আনার পথে সোমবার রাতে মারা যান ৪০ বছর বয়সী নুরজাহান আক্তার রানী। মঙ্গলবার সকাল ৭টার দিকে মারা যান তার ১৬ বছর বয়সী ছেলে শাওন। আর মঙ্গলবার বেলা ১২টার দিকে ৪০ বছর বয়সী সামির আহমেদের মৃত্যু হয় বলে জানান বার্ন ইনস্টিটিউটের সহকারী অধ্যাপক শাওন বিন রহমান।
দগ্ধদের মধ্যে ৫ জন এখনও চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
দগ্ধ অন্যরা হলেন রানীর স্বামী সাখাওয়াত (৪৬), তার আরেক সন্তান উম্মে আইমান স্নিগ্ধা (১০), আয়েশা (৪) ও ফারহান আহমেদ আনাছ (৬) এবং সাখাওয়াতের আরেক ভাই শিপন হোসাইন (৩১)।

নিজস্ব সংবাদ : 




























