ঢাকা ০৫:০২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

গ্রামীণফোনের বিরুদ্ধে শাহ আবদুল করিমের ছেলের মামলা, ২০ কোটি ক্ষতিপূরণ দাবি

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১০:১২:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ নভেম্বর ২০২৫
  • ১১৯ বার পড়া হয়েছে

বৃহস্পতিবার (২০ নভেম্বর) ঢাকা জেলা জজ আদালতে শাহ আবদুল করিমের একমাত্র পুত্র ও কপিরাইট উত্তরাধিকারী শাহ নূর জালাল বাদী হয়ে এ মামলা করেন। মামলায় গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহীসহ মোট ৯ জনকে আসামি করা হয়েছে।

মামলার বিবরণ ও আইনজীবীর নোটিশ সূত্রে জানা যায়, গ্রামীণফোন কোনো ধরনের অনুমতি বা লাইসেন্স ছাড়াই শাহ আবদুল করিমের কপিরাইটযুক্ত গানগুলো পুনরুৎপাদন, প্রচার, ডিজিটাল মাধ্যমে আপলোড এবং বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহার করেছে। বিশেষভাবে ‘রেশমা বালুচ’ এবং ‘কোন মিছির কোন বানাইছ’ — এই দুটি গান ২০১৬ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানটির বিভিন্ন টিভি বিজ্ঞাপন ও ডিজিটাল প্রচারণায় ব্যবহার করা হয়।

এর আগে গত ২৭ আগস্ট এ বিষয়ে একটি আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছিল। নোটিশে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে সংশ্লিষ্ট কনটেন্ট অপসারণ, কপিরাইট আইন লঙ্ঘনের জন্য দুঃখপ্রকাশ এবং প্রতিটি গানের জন্য ১০ কোটি টাকা করে মোট ২০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণের দাবি জানানো হয়। তবে গ্রামীণফোনের পক্ষ থেকে কোনো কার্যকর বা সন্তোষজনক প্রতিকার না পাওয়ায় শেষ পর্যন্ত আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে শাহ নূর জালালের আইনজীবী রাজিব আহমেদ বলেন, শাহ আবদুল করিমের গান কেবল সংগীত নয়— এগুলো বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ও আধ্যাত্মিক ঐতিহ্যের অংশ। ‘রেশমা বালুচ’ ও ‘কোন মিছির কোন বানাইছ’ গান দুটি গ্রামীণফোন অনুমতি ছাড়াই বিজ্ঞাপনে ব্যবহার করেছে, যা কেবল আইন লঙ্ঘনই নয়, বরং শিল্পীর অসম্মানও।

বাদী শাহ নূর জালাল বলেন, আমরা গ্রাম্য মানুষ, বড় কোম্পানির নিয়ম বুঝি না। কিন্তু বাবার গানের কপিরাইট আমাদের। অনেকে গান করেন, সেটা ভিন্ন বিষয়। কিন্তু কোনো প্রতিষ্ঠান যখন বিজ্ঞাপন বা বাণিজ্যিক কাজে গান ব্যবহার করে, তখন তাদের অনুমতি নেওয়া উচিত এবং আমাদের ন্যায্য সম্মান, অধিকার ও অংশ দেওয়া উচিত। গ্রামীণফোন তা করেনি। তাই আমরা মামলা করতে বাধ্য হয়েছি।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

গ্রামীণফোনের বিরুদ্ধে শাহ আবদুল করিমের ছেলের মামলা, ২০ কোটি ক্ষতিপূরণ দাবি

আপডেট সময় ১০:১২:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ নভেম্বর ২০২৫

বৃহস্পতিবার (২০ নভেম্বর) ঢাকা জেলা জজ আদালতে শাহ আবদুল করিমের একমাত্র পুত্র ও কপিরাইট উত্তরাধিকারী শাহ নূর জালাল বাদী হয়ে এ মামলা করেন। মামলায় গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহীসহ মোট ৯ জনকে আসামি করা হয়েছে।

মামলার বিবরণ ও আইনজীবীর নোটিশ সূত্রে জানা যায়, গ্রামীণফোন কোনো ধরনের অনুমতি বা লাইসেন্স ছাড়াই শাহ আবদুল করিমের কপিরাইটযুক্ত গানগুলো পুনরুৎপাদন, প্রচার, ডিজিটাল মাধ্যমে আপলোড এবং বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহার করেছে। বিশেষভাবে ‘রেশমা বালুচ’ এবং ‘কোন মিছির কোন বানাইছ’ — এই দুটি গান ২০১৬ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানটির বিভিন্ন টিভি বিজ্ঞাপন ও ডিজিটাল প্রচারণায় ব্যবহার করা হয়।

এর আগে গত ২৭ আগস্ট এ বিষয়ে একটি আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছিল। নোটিশে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে সংশ্লিষ্ট কনটেন্ট অপসারণ, কপিরাইট আইন লঙ্ঘনের জন্য দুঃখপ্রকাশ এবং প্রতিটি গানের জন্য ১০ কোটি টাকা করে মোট ২০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণের দাবি জানানো হয়। তবে গ্রামীণফোনের পক্ষ থেকে কোনো কার্যকর বা সন্তোষজনক প্রতিকার না পাওয়ায় শেষ পর্যন্ত আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে শাহ নূর জালালের আইনজীবী রাজিব আহমেদ বলেন, শাহ আবদুল করিমের গান কেবল সংগীত নয়— এগুলো বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ও আধ্যাত্মিক ঐতিহ্যের অংশ। ‘রেশমা বালুচ’ ও ‘কোন মিছির কোন বানাইছ’ গান দুটি গ্রামীণফোন অনুমতি ছাড়াই বিজ্ঞাপনে ব্যবহার করেছে, যা কেবল আইন লঙ্ঘনই নয়, বরং শিল্পীর অসম্মানও।

বাদী শাহ নূর জালাল বলেন, আমরা গ্রাম্য মানুষ, বড় কোম্পানির নিয়ম বুঝি না। কিন্তু বাবার গানের কপিরাইট আমাদের। অনেকে গান করেন, সেটা ভিন্ন বিষয়। কিন্তু কোনো প্রতিষ্ঠান যখন বিজ্ঞাপন বা বাণিজ্যিক কাজে গান ব্যবহার করে, তখন তাদের অনুমতি নেওয়া উচিত এবং আমাদের ন্যায্য সম্মান, অধিকার ও অংশ দেওয়া উচিত। গ্রামীণফোন তা করেনি। তাই আমরা মামলা করতে বাধ্য হয়েছি।