ঢাকা ১০:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

গেজেট থেকে নাম প্রত্যাহার চান জুলাই যোদ্ধা ইতু, আবেদনপত্রে যা লিখলেন

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৪:০৫:০৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৫
  • ৮৪ বার পড়া হয়েছে

ক্ষোভে জুলাইয়ের সরকারি গেজেট থেকে স্বেচ্ছায় নাম প্রত্যাহারের আবেদন করেছেন ফরিদপুরের ‘জুলাই যোদ্ধা’ আবরাব নাদিম ইতু। তার গেজেট নম্বর-২৪৮৯।

বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) দুপুরে ফরিদপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে নাম প্রত্যাহারের এ আবেদন করেন তিনি। এসময় জেলা প্রশাসকের (ডিসি) পক্ষে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. সোহরাব হোসেন আবেদনপত্রটি গ্রহণ করেন।

পরে আবরাব নাদিম ইতু ফেসবুক পোস্টে লিখেন, ‘আওয়ামী লীগ সরকার আমার বাবার ২ বছর পেনশনের টাকা আটকে রেখেছিল আর এই অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উচ্চ পর্যায়ে বিভিন্ন দ্বারে ঘুরেও কোনো কাজই হলো না।’

জেলা প্রশাসকের বরাবর দেয়া ওই আবেদনপত্রে জুলাই যোদ্ধা আবরার নাদিম ইতু উল্লেখ করেন,

বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) দুপুরে ফরিদপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে নাম প্রত্যাহারের এ আবেদন করেন তিনি। এসময় জেলা প্রশাসকের (ডিসি) পক্ষে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. সোহরাব হোসেন আবেদনপত্রটি গ্রহণ করেন।

পরে আবরাব নাদিম ইতু ফেসবুক পোস্টে লিখেন, ‘আওয়ামী লীগ সরকার আমার বাবার ২ বছর পেনশনের টাকা আটকে রেখেছিল আর এই অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উচ্চ পর্যায়ে বিভিন্ন দ্বারে ঘুরেও কোনো কাজই হলো না।’

জেলা প্রশাসকের বরাবর দেয়া ওই আবেদনপত্রে জুলাই যোদ্ধা আবরার নাদিম ইতু উল্লেখ করেন,

তিনি আরও উল্লেখ করেন, ‘বিশেষ করে ফরিদপুরে বিভিন্ন প্রশাসনিক ও বিভিন্ন সেক্টরে আগের মতোই বহাল রয়েছে অনিয়ম। একটি সিন্ডিকেটও ভাঙ্গেনি, সঙ্গে অনিয়মও থেমে নেই, যা আপনারা সবাই অবগত আছেন। তাই আমি আমার নাম সরকারি গেজেট থেকে প্রত্যাহার এবং মাসিক ভাতা (যদিও আমি নেইনি) আনুষ্ঠানিকভাবে প্রত্যাহার করলাম।’

জানা যায়, আবরাব নাদিম ইতু জুলাই আন্দোলনের শুরু থেকে সক্রিয় ছিলেন। প্রথমদিকে তার নেতৃত্বে ফরিদপুরে পদযাত্রা, মিছিল শুরু হয়। ১৮ জুলাই শহরের ব্রহ্মসমাজ সড়কে শিক্ষার্থীদের অবস্থান কর্মসূচিতে হামলা চালায় ছাত্রলীগ ও যুবলীগের সদস্যরা। ওই সময় আবরাব নাদিম, কাজী নিশাদ নামে আরেক শিক্ষার্থীকে রক্তাক্তভাবে আহত করা হয়। এছাড়া ফরিদপুরের বিভিন্ন যৌক্তিক আন্দোলনে তার ভূমিকা অপরিহার্য।

আবরার নাদিম ইতু বলেন,

আবেদনপত্রটি গ্রহণের বিষয়টি নিশ্চিত করে ফরিদপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. সোহরাব হোসেন বলেন, ‘স্বেচ্ছায় জুলাইয়ের সরকারি গেজেট থেকে এবং সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা থেকে নাম প্রত্যাহারের আবেদনটি আমরা হাতে পেয়েছি। আমরা এটা পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়ার ব্যাপারে পদক্ষেপ নেব।’

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

গেজেট থেকে নাম প্রত্যাহার চান জুলাই যোদ্ধা ইতু, আবেদনপত্রে যা লিখলেন

আপডেট সময় ০৪:০৫:০৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৫

ক্ষোভে জুলাইয়ের সরকারি গেজেট থেকে স্বেচ্ছায় নাম প্রত্যাহারের আবেদন করেছেন ফরিদপুরের ‘জুলাই যোদ্ধা’ আবরাব নাদিম ইতু। তার গেজেট নম্বর-২৪৮৯।

বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) দুপুরে ফরিদপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে নাম প্রত্যাহারের এ আবেদন করেন তিনি। এসময় জেলা প্রশাসকের (ডিসি) পক্ষে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. সোহরাব হোসেন আবেদনপত্রটি গ্রহণ করেন।

পরে আবরাব নাদিম ইতু ফেসবুক পোস্টে লিখেন, ‘আওয়ামী লীগ সরকার আমার বাবার ২ বছর পেনশনের টাকা আটকে রেখেছিল আর এই অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উচ্চ পর্যায়ে বিভিন্ন দ্বারে ঘুরেও কোনো কাজই হলো না।’

জেলা প্রশাসকের বরাবর দেয়া ওই আবেদনপত্রে জুলাই যোদ্ধা আবরার নাদিম ইতু উল্লেখ করেন,

বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) দুপুরে ফরিদপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে নাম প্রত্যাহারের এ আবেদন করেন তিনি। এসময় জেলা প্রশাসকের (ডিসি) পক্ষে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. সোহরাব হোসেন আবেদনপত্রটি গ্রহণ করেন।

পরে আবরাব নাদিম ইতু ফেসবুক পোস্টে লিখেন, ‘আওয়ামী লীগ সরকার আমার বাবার ২ বছর পেনশনের টাকা আটকে রেখেছিল আর এই অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উচ্চ পর্যায়ে বিভিন্ন দ্বারে ঘুরেও কোনো কাজই হলো না।’

জেলা প্রশাসকের বরাবর দেয়া ওই আবেদনপত্রে জুলাই যোদ্ধা আবরার নাদিম ইতু উল্লেখ করেন,

তিনি আরও উল্লেখ করেন, ‘বিশেষ করে ফরিদপুরে বিভিন্ন প্রশাসনিক ও বিভিন্ন সেক্টরে আগের মতোই বহাল রয়েছে অনিয়ম। একটি সিন্ডিকেটও ভাঙ্গেনি, সঙ্গে অনিয়মও থেমে নেই, যা আপনারা সবাই অবগত আছেন। তাই আমি আমার নাম সরকারি গেজেট থেকে প্রত্যাহার এবং মাসিক ভাতা (যদিও আমি নেইনি) আনুষ্ঠানিকভাবে প্রত্যাহার করলাম।’

জানা যায়, আবরাব নাদিম ইতু জুলাই আন্দোলনের শুরু থেকে সক্রিয় ছিলেন। প্রথমদিকে তার নেতৃত্বে ফরিদপুরে পদযাত্রা, মিছিল শুরু হয়। ১৮ জুলাই শহরের ব্রহ্মসমাজ সড়কে শিক্ষার্থীদের অবস্থান কর্মসূচিতে হামলা চালায় ছাত্রলীগ ও যুবলীগের সদস্যরা। ওই সময় আবরাব নাদিম, কাজী নিশাদ নামে আরেক শিক্ষার্থীকে রক্তাক্তভাবে আহত করা হয়। এছাড়া ফরিদপুরের বিভিন্ন যৌক্তিক আন্দোলনে তার ভূমিকা অপরিহার্য।

আবরার নাদিম ইতু বলেন,

আবেদনপত্রটি গ্রহণের বিষয়টি নিশ্চিত করে ফরিদপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. সোহরাব হোসেন বলেন, ‘স্বেচ্ছায় জুলাইয়ের সরকারি গেজেট থেকে এবং সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা থেকে নাম প্রত্যাহারের আবেদনটি আমরা হাতে পেয়েছি। আমরা এটা পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়ার ব্যাপারে পদক্ষেপ নেব।’