ঢাকা ০১:১৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

গণভোটে অংশ নিন, ‘হ্যাঁ’ তে সিল দিন: প্রধান উপদেষ্টা

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১২:৫১:২৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬
  • ১১৯ বার পড়া হয়েছে

গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার মাধ্যমে নতুন বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।

তিনি বলেন, রাষ্ট্রকে আপনার প্রত্যাশা মতো গড়ে তুলতে গণভোটে অংশ নিন। ‘হ্যাঁ’ তে সিল দিন, অন্যদেরও উদ্বুদ্ধ করুন এবং ভোটকেন্দ্রে নিয়ে আসুন। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, নতুন বাংলাদেশ গড়ার চাবি এখন জনগণের হাতেই।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, গণভোটে জনগণের সম্মতি পেলে বৈষম্য, শোষণ ও নিপীড়নমুক্ত একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গঠনের পথ সুগম হবে।

সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় বাংলাদেশ টেলিভিশনের মাধ্যমে দেশবাসীর উদ্দেশে দেওয়া এক বার্তায় তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান জাতির ইতিহাসে একটি অসাধারণ অর্জন। এই অভ্যুত্থান অপ্রত্যাশিতভাবে গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার নতুন সুযোগ এনে দিয়েছে। সে লক্ষ্যে এরই মধ্যে বেশকিছু সংস্কার করা হয়েছে এবং আরও গভীর ও সুদূরপ্রসারী সংস্কারের জন্য সব রাজনৈতিক দলের ঐকমত্যের ভিত্তিতে ‘জুলাই সনদ’ প্রণয়ন করা হয়েছে।

তিনি বলেন, জুলাই সনদ বাস্তবায়নের জন্য জনগণের সম্মতি প্রয়োজন। এ কারণেই গণভোটের আয়োজন করা হয়েছে। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিনই এ গণভোট অনুষ্ঠিত হবে।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, এই গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট মানে রাষ্ট্র পরিচালনায় ভারসাম্য ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা।

তিনি ব্যাখ্যা করে বলেন, প্রস্তাবিত সনদ অনুযায়ী—

• তত্ত্বাবধায়ক সরকার ও নির্বাচন কমিশন গঠনে সরকার ও বিরোধী দল একসঙ্গে কাজ করবে।

• সরকার ইচ্ছামতো সংবিধান পরিবর্তন করতে পারবে না; গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের ক্ষেত্রে জনগণের সম্মতি নিতে হবে।

• বিরোধীদল থেকে ডেপুটি স্পিকার এবং সংসদের গুরুত্বপূর্ণ কমিটির সভাপতিরা নির্বাচিত হবেন।

• একজন ব্যক্তি সর্বোচ্চ ১০ বছরের বেশি প্রধানমন্ত্রী থাকতে পারবেন না।

• বিচারব্যবস্থা স্বাধীনভাবে কাজ করবে।সংসদে নারীদের প্রতিনিধিত্ব বাড়বে।ক্ষমতার ভারসাম্য রক্ষায় সংসদের একটি উচ্চকক্ষ গঠিত হবে।

• নাগরিকদের মৌলিক অধিকার আরও সুরক্ষিত হবে। রাষ্ট্রভাষা বাংলার পাশাপাশি অন্যান্য জাতিগোষ্ঠীর ভাষাও সাংবিধানিক স্বীকৃতি পাবে।

• দণ্ডপ্রাপ্ত অপরাধীকে রাষ্ট্রপতি ইচ্ছেমতো ক্ষমা করতে পারবেন না। সব ক্ষমতা একজন প্রধানমন্ত্রীর হাতে কেন্দ্রীভূত থাকবে না।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

গণভোটে অংশ নিন, ‘হ্যাঁ’ তে সিল দিন: প্রধান উপদেষ্টা

আপডেট সময় ১২:৫১:২৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬

গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার মাধ্যমে নতুন বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।

তিনি বলেন, রাষ্ট্রকে আপনার প্রত্যাশা মতো গড়ে তুলতে গণভোটে অংশ নিন। ‘হ্যাঁ’ তে সিল দিন, অন্যদেরও উদ্বুদ্ধ করুন এবং ভোটকেন্দ্রে নিয়ে আসুন। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, নতুন বাংলাদেশ গড়ার চাবি এখন জনগণের হাতেই।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, গণভোটে জনগণের সম্মতি পেলে বৈষম্য, শোষণ ও নিপীড়নমুক্ত একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গঠনের পথ সুগম হবে।

সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় বাংলাদেশ টেলিভিশনের মাধ্যমে দেশবাসীর উদ্দেশে দেওয়া এক বার্তায় তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান জাতির ইতিহাসে একটি অসাধারণ অর্জন। এই অভ্যুত্থান অপ্রত্যাশিতভাবে গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার নতুন সুযোগ এনে দিয়েছে। সে লক্ষ্যে এরই মধ্যে বেশকিছু সংস্কার করা হয়েছে এবং আরও গভীর ও সুদূরপ্রসারী সংস্কারের জন্য সব রাজনৈতিক দলের ঐকমত্যের ভিত্তিতে ‘জুলাই সনদ’ প্রণয়ন করা হয়েছে।

তিনি বলেন, জুলাই সনদ বাস্তবায়নের জন্য জনগণের সম্মতি প্রয়োজন। এ কারণেই গণভোটের আয়োজন করা হয়েছে। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিনই এ গণভোট অনুষ্ঠিত হবে।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, এই গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট মানে রাষ্ট্র পরিচালনায় ভারসাম্য ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা।

তিনি ব্যাখ্যা করে বলেন, প্রস্তাবিত সনদ অনুযায়ী—

• তত্ত্বাবধায়ক সরকার ও নির্বাচন কমিশন গঠনে সরকার ও বিরোধী দল একসঙ্গে কাজ করবে।

• সরকার ইচ্ছামতো সংবিধান পরিবর্তন করতে পারবে না; গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের ক্ষেত্রে জনগণের সম্মতি নিতে হবে।

• বিরোধীদল থেকে ডেপুটি স্পিকার এবং সংসদের গুরুত্বপূর্ণ কমিটির সভাপতিরা নির্বাচিত হবেন।

• একজন ব্যক্তি সর্বোচ্চ ১০ বছরের বেশি প্রধানমন্ত্রী থাকতে পারবেন না।

• বিচারব্যবস্থা স্বাধীনভাবে কাজ করবে।সংসদে নারীদের প্রতিনিধিত্ব বাড়বে।ক্ষমতার ভারসাম্য রক্ষায় সংসদের একটি উচ্চকক্ষ গঠিত হবে।

• নাগরিকদের মৌলিক অধিকার আরও সুরক্ষিত হবে। রাষ্ট্রভাষা বাংলার পাশাপাশি অন্যান্য জাতিগোষ্ঠীর ভাষাও সাংবিধানিক স্বীকৃতি পাবে।

• দণ্ডপ্রাপ্ত অপরাধীকে রাষ্ট্রপতি ইচ্ছেমতো ক্ষমা করতে পারবেন না। সব ক্ষমতা একজন প্রধানমন্ত্রীর হাতে কেন্দ্রীভূত থাকবে না।