ঢাকা ০৯:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

খালেদা জিয়ার নাম ভাঙিয়ে প্রতারণা: মোতাল্লেছের ৫ কোটি টাকা বাজেয়াপ্ত

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০১:৪৮:২৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৫
  • ৭৬ বার পড়া হয়েছে

খালেদা জিয়ার নাম ব্যবহার করে প্রতারণা ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়া প্রতারক মোতাল্লেছ হোসেনের ৫ কোটি টাকা বাজেয়াপ্ত করেছে অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

সিআইডির ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম ইউনিটের আবেদনের ভিত্তিতে ঢাকার মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালত এ আদেশ দেন। একই সঙ্গে আদালত আসামির বিদেশে যাতায়াতেও নিষেধাজ্ঞা জারি করেন।

সিআইডি জানায়, নিজেকে খালেদা জিয়ার লিয়াজোঁ অফিসার পরিচয় দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন ব্যক্তি ও ব্যবসায়ীর কাছ থেকে বিপুল অর্থ হাতিয়ে নিতেন মোতাল্লেছ হোসেন। এ ঘটনায় গত ৭ সেপ্টেম্বর পল্লবী থানায় মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২-এর ৪(২)/৪(৪) ধারায় মামলা (নম্বর: ১৯/২০২৫) দায়ের করা হয়। মামলায় মোতাল্লেছসহ অজ্ঞাতনামা আরও দুই-তিনজনকে আসামি করা হয়েছে।

তদন্তে সিআইডি জানতে পারে, মোতাল্লেছ হোসেনের নামে থাকা ‘এম এল ট্রেডিং’ নামের প্রতিষ্ঠানটি বাস্তবে অস্তিত্বহীন। যদিও তার নামে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ট্রেড লাইসেন্স ছিল, কিন্তু কোনও আমদানি-রপ্তানি বা ঠিকাদারি কার্যক্রমের প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

তদন্তে আরও জানা যায়, মোতাল্লেছ নিজেকে কখনও গার্মেন্টস মালিক, কখনও চা-বাগানের উদ্যোক্তা বা ঠিকাদার হিসেবে পরিচয় দিয়ে প্রভাবশালী মহলের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলেন। তার নামে থাকা ব্যাংক হিসাবগুলোতে প্রায় ২০ কোটি টাকার লেনদেনের প্রমাণ মিলেছে। এর মধ্যে খালেদা জিয়ার অসুস্থতার কথা বলে বিএনপি-সংশ্লিষ্ট কিছু ব্যক্তির কাছ থেকে প্রায় ১৫ কোটি টাকা সংগ্রহ করে আত্মসাৎ করেন তিনি।

সিআইডির আবেদনের প্রেক্ষিতে আদালতের পারমিশন পিটিশন নম্বর ৭৫৮/২০২৫, আদেশ নং ০২, তারিখ ০৯ অক্টোবর ২০২৫–এর মাধ্যমে অভিযুক্তের আটটি ব্যাংক হিসাবে থাকা প্রায় ৫ কোটি টাকা বাজেয়াপ্তের নির্দেশ দেন।

বাজেয়াপ্ত করা অর্থ আল-আরাফা ইসলামী ব্যাংক পিএলসি, সিটি ব্যাংক পিএলসি, প্রিমিয়ার ব্যাংক পিএলসি, শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসি ও সোনালী ব্যাংক পিএলসির মোট আটটি হিসাবে সংরক্ষিত ছিল।

সিআইডির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, মামলার তদন্ত অব্যাহত আছে। প্রতারণা ও অর্থপাচার চক্রের সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান চলছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

খালেদা জিয়ার নাম ভাঙিয়ে প্রতারণা: মোতাল্লেছের ৫ কোটি টাকা বাজেয়াপ্ত

আপডেট সময় ০১:৪৮:২৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৫

খালেদা জিয়ার নাম ব্যবহার করে প্রতারণা ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়া প্রতারক মোতাল্লেছ হোসেনের ৫ কোটি টাকা বাজেয়াপ্ত করেছে অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

সিআইডির ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম ইউনিটের আবেদনের ভিত্তিতে ঢাকার মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালত এ আদেশ দেন। একই সঙ্গে আদালত আসামির বিদেশে যাতায়াতেও নিষেধাজ্ঞা জারি করেন।

সিআইডি জানায়, নিজেকে খালেদা জিয়ার লিয়াজোঁ অফিসার পরিচয় দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন ব্যক্তি ও ব্যবসায়ীর কাছ থেকে বিপুল অর্থ হাতিয়ে নিতেন মোতাল্লেছ হোসেন। এ ঘটনায় গত ৭ সেপ্টেম্বর পল্লবী থানায় মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২-এর ৪(২)/৪(৪) ধারায় মামলা (নম্বর: ১৯/২০২৫) দায়ের করা হয়। মামলায় মোতাল্লেছসহ অজ্ঞাতনামা আরও দুই-তিনজনকে আসামি করা হয়েছে।

তদন্তে সিআইডি জানতে পারে, মোতাল্লেছ হোসেনের নামে থাকা ‘এম এল ট্রেডিং’ নামের প্রতিষ্ঠানটি বাস্তবে অস্তিত্বহীন। যদিও তার নামে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ট্রেড লাইসেন্স ছিল, কিন্তু কোনও আমদানি-রপ্তানি বা ঠিকাদারি কার্যক্রমের প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

তদন্তে আরও জানা যায়, মোতাল্লেছ নিজেকে কখনও গার্মেন্টস মালিক, কখনও চা-বাগানের উদ্যোক্তা বা ঠিকাদার হিসেবে পরিচয় দিয়ে প্রভাবশালী মহলের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলেন। তার নামে থাকা ব্যাংক হিসাবগুলোতে প্রায় ২০ কোটি টাকার লেনদেনের প্রমাণ মিলেছে। এর মধ্যে খালেদা জিয়ার অসুস্থতার কথা বলে বিএনপি-সংশ্লিষ্ট কিছু ব্যক্তির কাছ থেকে প্রায় ১৫ কোটি টাকা সংগ্রহ করে আত্মসাৎ করেন তিনি।

সিআইডির আবেদনের প্রেক্ষিতে আদালতের পারমিশন পিটিশন নম্বর ৭৫৮/২০২৫, আদেশ নং ০২, তারিখ ০৯ অক্টোবর ২০২৫–এর মাধ্যমে অভিযুক্তের আটটি ব্যাংক হিসাবে থাকা প্রায় ৫ কোটি টাকা বাজেয়াপ্তের নির্দেশ দেন।

বাজেয়াপ্ত করা অর্থ আল-আরাফা ইসলামী ব্যাংক পিএলসি, সিটি ব্যাংক পিএলসি, প্রিমিয়ার ব্যাংক পিএলসি, শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসি ও সোনালী ব্যাংক পিএলসির মোট আটটি হিসাবে সংরক্ষিত ছিল।

সিআইডির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, মামলার তদন্ত অব্যাহত আছে। প্রতারণা ও অর্থপাচার চক্রের সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান চলছে।