ঢাকা ০৬:২০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

‘খারাগ দ্বীপে সৈন্য পাঠানো ট্রাম্পের হাতে, ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত ইরানের হাতে’

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৬:৫৮:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬
  • ৪৬ বার পড়া হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
পারস্য উপসাগরের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি কেন্দ্র ‘খারাগ দ্বীপ’ নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ধ্বংসাত্মক হুমকির কঠোর ও নজিরবিহীন জবাব দিয়েছে ইরান। তেহরানের পক্ষ থেকে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, মার্কিন সৈন্যরা যদি ইরানের এই প্রধান তেল টার্মিনালে পা রাখার দুঃসাহস দেখায়, তবে তাদের জীবিত ফিরে যাওয়ার কোনো পথ থাকবে না।

ইরানের ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ রেজা আরেফ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ‘এক্স’-এ (সাবেক টুইটার) এক বিস্ফোরক পোস্টে ট্রাম্পকে সরাসরি আক্রমণ করে লিখেছেন, ‘খারাগ দ্বীপে সৈন্য পাঠানোর সিদ্ধান্ত হয়তো ট্রাম্প নিতে পারেন, কিন্তু তাদের ফিরিয়ে নেওয়ার ক্ষমতা আর তার হাতে থাকবে না। কারণ, নরক থেকে কেউ কোনোদিন জীবিত ফিরে আসে না।’

উল্লেখ্য, এই পোস্টের সঙ্গে তিনি মার্কিন পতাকায় মোড়ানো সারিবদ্ধ কফিনের ছবি জুড়ে দিয়ে এক চরম ভীতিকর ও চ্যালেঞ্জিং বার্তা দিয়েছেন।

সম্প্রতি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইরানের বিদ্যুৎ কেন্দ্র, তেলকূপ এবং প্রধান অর্থনৈতিক কেন্দ্র খারাগ দ্বীপসহ সকল জ্বালানি সম্পদ ‘সম্পূর্ণরূপে নিশ্চিহ্ন’ করার হুমকি দিয়েছেন। চলতি মাসের শুরুর দিকে মার্কিন সামরিক বাহিনী খারাগ দ্বীপের কিছু সামরিক স্থাপনায় বোমাবর্ষণ করেছে বলে ট্রাম্প দাবি করেন। ইরানের অর্থনীতির প্রাণভোমরা হিসেবে পরিচিত এই দ্বীপটি বর্তমানে দুই দেশের মধ্যে চলমান যুদ্ধের অন্যতম প্রধান লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে।

এর আগে দুই সপ্তাহ আগে ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, তিনি ‘ভদ্রতা ও সৌজন্যের খাতিরে’ তখন পর্যন্ত দ্বীপটির তেল অবকাঠামোতে সরাসরি বড় কোনো হামলা চালাননি। তবে তার শর্ত ছিল, ইরানকে অবশ্যই হরমুজ প্রণালী দিয়ে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের পথ উন্মুক্ত ও নিরাপদ রাখতে হবে। অন্যথায় খারাগ দ্বীপকে মানচিত্র থেকে মুছে দেওয়ার প্রচ্ছন্ন হুমকি দিয়ে রেখেছিলেন তিনি।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

‘খারাগ দ্বীপে সৈন্য পাঠানো ট্রাম্পের হাতে, ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত ইরানের হাতে’

আপডেট সময় ০৬:৫৮:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
পারস্য উপসাগরের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি কেন্দ্র ‘খারাগ দ্বীপ’ নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ধ্বংসাত্মক হুমকির কঠোর ও নজিরবিহীন জবাব দিয়েছে ইরান। তেহরানের পক্ষ থেকে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, মার্কিন সৈন্যরা যদি ইরানের এই প্রধান তেল টার্মিনালে পা রাখার দুঃসাহস দেখায়, তবে তাদের জীবিত ফিরে যাওয়ার কোনো পথ থাকবে না।

ইরানের ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ রেজা আরেফ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ‘এক্স’-এ (সাবেক টুইটার) এক বিস্ফোরক পোস্টে ট্রাম্পকে সরাসরি আক্রমণ করে লিখেছেন, ‘খারাগ দ্বীপে সৈন্য পাঠানোর সিদ্ধান্ত হয়তো ট্রাম্প নিতে পারেন, কিন্তু তাদের ফিরিয়ে নেওয়ার ক্ষমতা আর তার হাতে থাকবে না। কারণ, নরক থেকে কেউ কোনোদিন জীবিত ফিরে আসে না।’

উল্লেখ্য, এই পোস্টের সঙ্গে তিনি মার্কিন পতাকায় মোড়ানো সারিবদ্ধ কফিনের ছবি জুড়ে দিয়ে এক চরম ভীতিকর ও চ্যালেঞ্জিং বার্তা দিয়েছেন।

সম্প্রতি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইরানের বিদ্যুৎ কেন্দ্র, তেলকূপ এবং প্রধান অর্থনৈতিক কেন্দ্র খারাগ দ্বীপসহ সকল জ্বালানি সম্পদ ‘সম্পূর্ণরূপে নিশ্চিহ্ন’ করার হুমকি দিয়েছেন। চলতি মাসের শুরুর দিকে মার্কিন সামরিক বাহিনী খারাগ দ্বীপের কিছু সামরিক স্থাপনায় বোমাবর্ষণ করেছে বলে ট্রাম্প দাবি করেন। ইরানের অর্থনীতির প্রাণভোমরা হিসেবে পরিচিত এই দ্বীপটি বর্তমানে দুই দেশের মধ্যে চলমান যুদ্ধের অন্যতম প্রধান লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে।

এর আগে দুই সপ্তাহ আগে ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, তিনি ‘ভদ্রতা ও সৌজন্যের খাতিরে’ তখন পর্যন্ত দ্বীপটির তেল অবকাঠামোতে সরাসরি বড় কোনো হামলা চালাননি। তবে তার শর্ত ছিল, ইরানকে অবশ্যই হরমুজ প্রণালী দিয়ে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের পথ উন্মুক্ত ও নিরাপদ রাখতে হবে। অন্যথায় খারাগ দ্বীপকে মানচিত্র থেকে মুছে দেওয়ার প্রচ্ছন্ন হুমকি দিয়ে রেখেছিলেন তিনি।