ঢাকা ০৯:১৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

ক্রিকেটে নতুন যুগের সূচনা : আবির্ভাব হলো টেস্ট টোয়েন্টি

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৮:৪৫:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৫
  • ৮৯ বার পড়া হয়েছে

ক্রিকেট ইতিহাসে নতুন এক অধ্যায় শুরু হলো টেস্ট টোয়েন্টি আভির্ভাবের মাধ্যমে। এটি একটি নতুন ধরণের ক্রিকেট ফরম্যাট, যেখানে প্রতিটি ম্যাচে দুই ইনিংস থাকবে এবং প্রতিটি ইনিংস ২০ ওভার। ফরম্যাটটি টেস্ট ক্রিকেটের কৌশল এবং গভীরতা বজায় রেখে একদিনে রোমাঞ্চকর সংস্করণ হিসেবে জনপ্রিয়তা লাভ করবে।

ওয়ান-ওয়ান সিক্স নেটওয়ার্কের এক্সিকিউটিভ চেয়ারম্যান ও ক্রীড়া উদ্যোক্তা গৌরব বাহিরভানি ক্রিকেটে এই নতুন “চতুর্থ ফরম্যাট”টি উদ্ভাবন করেছেন, যার লক্ষ্য আগামী প্রজন্মের ক্রিকেট প্রতিভাবানদের আবিষ্কার এবং উদযাপন করা।
গৌরব বাহিরভানি বলেন, “এটি কেবল একটি নতুন লিগ নয়, এটি ক্রিকেটের ঐতিহ্যকে ধরে রেখে ভবিষ্যৎ গড়ার একটি প্রচেষ্টা। আমরা চাই এই ফরম্যাটের মাধ্যমে আগামী প্রজন্মের ক্রিকেটারদের প্রতিভা সঠিকভাবে উদঘাটন ও উদযাপন করা হোক।”

প্রথম মওসুম শুরু হবে জানুয়ারি ২০২৬-এ, যেখানে ছয়টি আন্তর্জাতিক ফ্র্যাঞ্চাইজি অংশ নেবে। প্রতিটি দলের সঙ্গে থাকবে আটজন স্থানীয় এবং আটজন আন্তর্জাতিক খেলোয়াড়, যাতে বিশ্বব্যাপী প্রতিভার সমন্বয় নিশ্চিত হয়। টুর্নামেন্টের কাঠামো এমনভাবে সাজানো হয়েছে যাতে প্রতিটি দল দুটি ইনিংস খেলে, খেলার ফলাফল নির্ধারণ করা যায় এবং কৌশলগত দিকও বজায় থাকে।

টেস্ট টোয়েন্টি শুধু খেলোয়াড়দের দক্ষতা প্রদর্শনের জন্য নয়, বরং ১৩–১৯ বছর বয়সী যুব খেলোয়াড়দের জন্য একটি আন্তর্জাতিক প্রতিভা বিকাশের ব্যবস্থা হিসেবেও কাজ করবে। জুনিয়র টেস্ট টুয়েন্টি চ্যাম্পিয়নশিপের মাধ্যমে তারা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে অংশগ্রহণ করতে পারবে এবং তাদের পারফরম্যান্স এআই ও ভিডিও বিশ্লেষণের মাধ্যমে নিরপেক্ষভাবে মূল্যায়ন করা হবে।

ফরম্যাটটির পরামর্শক বোর্ডে আছেন ক্রিকেটের কিংবদন্তি এবি ডি ভিলিয়ার্স, স্যার ক্লাইভ লয়েড, ম্যাথিউ হ্যাডেন এবং হারভজন সিং।

এবি ডি ভিলিয়ার্স বলেন, “এটি খেলোয়াড় এবং দর্শকের জন্য নতুন স্বপ্নের সূচনা।” স্যার ক্লাইভ লয়েড যোগ করেন, “এটি খেলার শিল্প এবং রিদমকে পুনরায় জীবন্ত করে তুলেছে।”

ম্যাথিউ হ্যাডেন মন্তব্য করেন, “এটি প্রজন্মের মধ্যে একটি সেতুবন্ধন তৈরি করছে।” হারভজন সিং বলেন, “ক্রিকেটের নতুন হৃদস্পন্দন প্রয়োজন ছিল—টেস্ট টুয়েন্টি ঠিক তাই করছে।”

১৩–১৯ বছর বয়সী খেলোয়াড়দের নিবন্ধন শুরু হয়েছে ১৬ অক্টোবর থেকে, যারা তাদের দক্ষতা প্রদর্শন করে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে খেলার সুযোগ পাবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

ক্রিকেটে নতুন যুগের সূচনা : আবির্ভাব হলো টেস্ট টোয়েন্টি

আপডেট সময় ০৮:৪৫:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৫

ক্রিকেট ইতিহাসে নতুন এক অধ্যায় শুরু হলো টেস্ট টোয়েন্টি আভির্ভাবের মাধ্যমে। এটি একটি নতুন ধরণের ক্রিকেট ফরম্যাট, যেখানে প্রতিটি ম্যাচে দুই ইনিংস থাকবে এবং প্রতিটি ইনিংস ২০ ওভার। ফরম্যাটটি টেস্ট ক্রিকেটের কৌশল এবং গভীরতা বজায় রেখে একদিনে রোমাঞ্চকর সংস্করণ হিসেবে জনপ্রিয়তা লাভ করবে।

ওয়ান-ওয়ান সিক্স নেটওয়ার্কের এক্সিকিউটিভ চেয়ারম্যান ও ক্রীড়া উদ্যোক্তা গৌরব বাহিরভানি ক্রিকেটে এই নতুন “চতুর্থ ফরম্যাট”টি উদ্ভাবন করেছেন, যার লক্ষ্য আগামী প্রজন্মের ক্রিকেট প্রতিভাবানদের আবিষ্কার এবং উদযাপন করা।
গৌরব বাহিরভানি বলেন, “এটি কেবল একটি নতুন লিগ নয়, এটি ক্রিকেটের ঐতিহ্যকে ধরে রেখে ভবিষ্যৎ গড়ার একটি প্রচেষ্টা। আমরা চাই এই ফরম্যাটের মাধ্যমে আগামী প্রজন্মের ক্রিকেটারদের প্রতিভা সঠিকভাবে উদঘাটন ও উদযাপন করা হোক।”

প্রথম মওসুম শুরু হবে জানুয়ারি ২০২৬-এ, যেখানে ছয়টি আন্তর্জাতিক ফ্র্যাঞ্চাইজি অংশ নেবে। প্রতিটি দলের সঙ্গে থাকবে আটজন স্থানীয় এবং আটজন আন্তর্জাতিক খেলোয়াড়, যাতে বিশ্বব্যাপী প্রতিভার সমন্বয় নিশ্চিত হয়। টুর্নামেন্টের কাঠামো এমনভাবে সাজানো হয়েছে যাতে প্রতিটি দল দুটি ইনিংস খেলে, খেলার ফলাফল নির্ধারণ করা যায় এবং কৌশলগত দিকও বজায় থাকে।

টেস্ট টোয়েন্টি শুধু খেলোয়াড়দের দক্ষতা প্রদর্শনের জন্য নয়, বরং ১৩–১৯ বছর বয়সী যুব খেলোয়াড়দের জন্য একটি আন্তর্জাতিক প্রতিভা বিকাশের ব্যবস্থা হিসেবেও কাজ করবে। জুনিয়র টেস্ট টুয়েন্টি চ্যাম্পিয়নশিপের মাধ্যমে তারা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে অংশগ্রহণ করতে পারবে এবং তাদের পারফরম্যান্স এআই ও ভিডিও বিশ্লেষণের মাধ্যমে নিরপেক্ষভাবে মূল্যায়ন করা হবে।

ফরম্যাটটির পরামর্শক বোর্ডে আছেন ক্রিকেটের কিংবদন্তি এবি ডি ভিলিয়ার্স, স্যার ক্লাইভ লয়েড, ম্যাথিউ হ্যাডেন এবং হারভজন সিং।

এবি ডি ভিলিয়ার্স বলেন, “এটি খেলোয়াড় এবং দর্শকের জন্য নতুন স্বপ্নের সূচনা।” স্যার ক্লাইভ লয়েড যোগ করেন, “এটি খেলার শিল্প এবং রিদমকে পুনরায় জীবন্ত করে তুলেছে।”

ম্যাথিউ হ্যাডেন মন্তব্য করেন, “এটি প্রজন্মের মধ্যে একটি সেতুবন্ধন তৈরি করছে।” হারভজন সিং বলেন, “ক্রিকেটের নতুন হৃদস্পন্দন প্রয়োজন ছিল—টেস্ট টুয়েন্টি ঠিক তাই করছে।”

১৩–১৯ বছর বয়সী খেলোয়াড়দের নিবন্ধন শুরু হয়েছে ১৬ অক্টোবর থেকে, যারা তাদের দক্ষতা প্রদর্শন করে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে খেলার সুযোগ পাবে।