ঢাকা ০২:১০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

কুড়িগ্রামে দুই চেয়ারম্যানসহ আ.লীগের ৮ নেতা কারাগারে

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০১:৪৫:৪৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ নভেম্বর ২০২৫
  • ৫৯ বার পড়া হয়েছে

কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলার দুই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানসহ আওয়ামী লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের আট নেতাকর্মীকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

বুধবার (১৯ নভেম্বর) দুপুরে কুড়িগ্রাম জেলা ও দায়রা জজ আদালত এ আদেশ দেন। সন্ত্রাসবিরোধী আইনে দায়েরকৃত মামলায় অন্তর্বর্তীকালীন জামিনের মেয়াদ শেষে আসামিরা আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করলে আদালত নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) বজলুর রশিদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

আসামিরা হলেন- চিলমারী উপজেলার থানাহাট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক মিলন (৪৫), রানীগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়াম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি মঞ্জুরুল ইসলাম মঞ্জু (৫২), রানীগঞ্জ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহসভাপতি উদয় শংকর বর্মন (৫৫), প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদব বাচ্চু মিয়া (৪৫), রমনা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক গওসুল আজম (৩৮), উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সদস্য হাফিজুর রহমান (৩৭), উপজেলা আওয়ামী লীগের যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক নজরুল ইসলাম চাঁন চৌধুরী (৬০) এবং জাহিদ আনোয়ার পলাশ (৪২)।

মামলার এজাহার থেকে জানা গেছে, গত ৭ আগস্ট চিলমারী থানার এক উপপরিদর্শক (এসআই) বাদী হয়ে উপজেলা আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের ১৫ জনের নাম উল্লেখ করে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করেন। ওই মামলায় আট আসামি উচ্চ আদালতের জামিনে ছিলেন। বুধবার তারা জেলা জজ আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন চাইলে আদালত নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

আসামি পক্ষে আইনজীবী ছিলেন শাহীনুর ইসলাম ও নাদিরা সুলতানা। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন পিপি বজলুর রশিদ।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

কুড়িগ্রামে দুই চেয়ারম্যানসহ আ.লীগের ৮ নেতা কারাগারে

আপডেট সময় ০১:৪৫:৪৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ নভেম্বর ২০২৫

কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলার দুই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানসহ আওয়ামী লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের আট নেতাকর্মীকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

বুধবার (১৯ নভেম্বর) দুপুরে কুড়িগ্রাম জেলা ও দায়রা জজ আদালত এ আদেশ দেন। সন্ত্রাসবিরোধী আইনে দায়েরকৃত মামলায় অন্তর্বর্তীকালীন জামিনের মেয়াদ শেষে আসামিরা আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করলে আদালত নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) বজলুর রশিদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

আসামিরা হলেন- চিলমারী উপজেলার থানাহাট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক মিলন (৪৫), রানীগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়াম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি মঞ্জুরুল ইসলাম মঞ্জু (৫২), রানীগঞ্জ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহসভাপতি উদয় শংকর বর্মন (৫৫), প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদব বাচ্চু মিয়া (৪৫), রমনা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক গওসুল আজম (৩৮), উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সদস্য হাফিজুর রহমান (৩৭), উপজেলা আওয়ামী লীগের যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক নজরুল ইসলাম চাঁন চৌধুরী (৬০) এবং জাহিদ আনোয়ার পলাশ (৪২)।

মামলার এজাহার থেকে জানা গেছে, গত ৭ আগস্ট চিলমারী থানার এক উপপরিদর্শক (এসআই) বাদী হয়ে উপজেলা আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের ১৫ জনের নাম উল্লেখ করে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করেন। ওই মামলায় আট আসামি উচ্চ আদালতের জামিনে ছিলেন। বুধবার তারা জেলা জজ আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন চাইলে আদালত নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

আসামি পক্ষে আইনজীবী ছিলেন শাহীনুর ইসলাম ও নাদিরা সুলতানা। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন পিপি বজলুর রশিদ।