মানুষের শরীরে মেরুদণ্ডের দুপাশে শিমের বিচির মতো দেখতে দুটি কিডনির ভূমিকা পরিশোধক যন্ত্র হিসেবে। শরীরে থাকা বিভিন্ন উপাদান থেকে বিষাক্ত ও বর্জ্য পদার্থ বের করতে সাহায্য করে এ অন্ত্র। কিডনির কার্যক্ষমতা ক্ষতিগ্রস্ত হলে শরীরে বাসা বাঁধে যাবতীয় বিষাক্ত পদার্থ।
ন্যাশনাল সেন্টার ফর বায়োটেকনোলজি ইনফরমেশনের এক গবেষণা জানায়, ক্রনিক কিডনি ডিজিজ-সিকেডি আক্রান্ত হলে তার প্রভাব পড়ে মাথার চুলের ওপর। গুরুতর কিডনির সমস্যায় আক্রান্ত প্রায় সব রোগীর মাথার চুল পড়া বৃদ্ধি পায়।
চুল পড়ার যেসব লক্ষণ সিকেডি আক্রান্ত হবার কথা, জানিয়েছে টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদন।
চুল পাতলা হওয়া
সিকেডি আক্রান্ত রোগীর ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি লক্ষণীয় হলো চুলের ঘনত্ব কমে যাওয়া বা পাতলা হয়ে পড়া। এক পর্যায়ে চুল পাতলা হতে হতে মাথার ত্বক ভেসে ওঠে। সাধারণত ধীর গতিতে এ পরিবর্তন হয় বলে শুরুর দিকে এড়িয়ে যান অনেকে।
ভঙ্গুর ও শুষ্ক
কিডনির স্বাস্থ্য খারাপ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ভাঙতে শুরু করে চুলের স্বাস্থ্য। রোগ বাড়তে থাকলে চুলের গোড়া হয়ে ওঠে দূর্বল। সেই সঙ্গে আদ্র ভাব কমে গিয়ে চুলে শুষ্কতা দেখা দেয়।
চুল পাকা
অপরিণত বয়সে চুল পাকার কারণ হতে পারে কিডনির গুরুতর রোগ। কিডনির কার্যক্ষমতা কমে গেলে নষ্ট হয়ে পড়ে হরমোনাল ভারসাম্য। অনেক সময় ত্বকে মেলানিনের মাত্রা বেড়ে যায়, যা প্রভাব ফেলে মাথার চুলের ওপর। ফলে চুলে সাদা-কালো ভাব দেখা যায়।
চুল পড়া
চুল পড়া রোগের একটি ধরন হল অ্যালোপেসিয়া। সিকেডি আক্রান্ত রোগীদের ক্ষেত্রে এটি সবচেয়ে পরিচিত চুল পড়া রোগের ধরন। অনেক সময় কিডনির কার্যক্ষমতা হ্রাস বুঝা না গেলেও উদ্বিগ্ন, হতাশার মতো মানসিক সমস্যা দেখা দেয়। এ থেকেও চুল পড়তে শুরু করে।

নিজস্ব সংবাদ : 





























