ঢাকা ০৬:৪৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

ওবায়দুল কাদেরের মামলা শহীদ হাদির জবানবন্দি সাক্ষ্য হিসেবে নিতে প্রসিকিউশনের আবেদন

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৩:৫১:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ১২৫ বার পড়া হয়েছে

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে করা মামলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের বিরুদ্ধে সাক্ষী শরিফ ওসমান হাদির জবানবন্দি সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণের আবেদন জানিয়েছে প্রসিকিউশন।

আজ বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এ এ আবেদন করা হয়েছে বলে জানান প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম।

তিনি বলেন, মামলায় সাক্ষী হিসেবে শহীদ শরিফ ওসমান হাদি জবানবন্দি দিয়েছেন। তার দেওয়া বক্তব্যকে সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণের জন্য প্রসিকিউশন আবেদন করেছে। বিষয়টি নিয়ে ট্রাইব্যুনাল-২-এ শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।

এ মামলায় ওবায়দুল কাদেরসহ মোট সাতজন আসামি রয়েছেন। তারা যুবলীগ ও বাংলাদেশ ছাত্রলীগ-এর শীর্ষ পদধারী। তবে সবাই বর্তমানে পলাতক।

অন্য আসামিরা হলেন— আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল, ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন এবং সাধারণ সম্পাদক ওয়ালি আসিফ ইনান।

এ দিকে গতকাল (১৭ ফেব্রুয়ারি) প্রসিকিউশনের সূচনা বক্তব্যের মধ্য দিয়ে মামলার আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হয়েছে। প্রথম সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দেন শহীদ আসিফ ইকবালের বাবা এমএ রাজ্জাক। তবে তার সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ না হওয়ায় অবশিষ্ট অংশ আজ গ্রহণের কথা রয়েছে।

গত ২২ জানুয়ারি সাত আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরুর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল-২। এর আগে ১৮ জানুয়ারি অভিযোগ গঠনের বিষয়ে শুনানি শেষ করে প্রসিকিউশন ও আসামিপক্ষ। ৮ জানুয়ারি পলাতক আসামিদের পক্ষে দুজন স্টেট ডিফেন্স আইনজীবী নিয়োগ দেওয়া হয়। এছাড়া গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর প্রসিকিউশনের দাখিল করা ফরমাল চার্জ বা আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নেন আদালত।

প্রসিকিউশনের অভিযোগে বলা হয়েছে, জুলাই-আগস্টের আন্দোলন দমনে আসামিরা সমন্বিতভাবে নির্দেশ, প্ররোচনা ও উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছেন। নেতাকর্মীদের রাজপথে নামিয়ে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে আহ্বান জানানোসহ বিভিন্ন বৈঠকে সহিংসতার পরিকল্পনা করা হয়।

কোথাও সশস্ত্র হামলা, কঠোর দমন-পীড়ন এবং গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণেও তারা ভূমিকা রাখেন বলে অভিযোগ। তাদের এসব কর্মকাণ্ডের ফলেই দেশজুড়ে হত্যা, হত্যাচেষ্টা ও ব্যাপক সহিংসতার ঘটনা ঘটে, যা মানবতাবিরোধী অপরাধ হিসেবে শাস্তিযোগ্য।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

ওবায়দুল কাদেরের মামলা শহীদ হাদির জবানবন্দি সাক্ষ্য হিসেবে নিতে প্রসিকিউশনের আবেদন

আপডেট সময় ০৩:৫১:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে করা মামলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের বিরুদ্ধে সাক্ষী শরিফ ওসমান হাদির জবানবন্দি সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণের আবেদন জানিয়েছে প্রসিকিউশন।

আজ বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এ এ আবেদন করা হয়েছে বলে জানান প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম।

তিনি বলেন, মামলায় সাক্ষী হিসেবে শহীদ শরিফ ওসমান হাদি জবানবন্দি দিয়েছেন। তার দেওয়া বক্তব্যকে সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণের জন্য প্রসিকিউশন আবেদন করেছে। বিষয়টি নিয়ে ট্রাইব্যুনাল-২-এ শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।

এ মামলায় ওবায়দুল কাদেরসহ মোট সাতজন আসামি রয়েছেন। তারা যুবলীগ ও বাংলাদেশ ছাত্রলীগ-এর শীর্ষ পদধারী। তবে সবাই বর্তমানে পলাতক।

অন্য আসামিরা হলেন— আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল, ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন এবং সাধারণ সম্পাদক ওয়ালি আসিফ ইনান।

এ দিকে গতকাল (১৭ ফেব্রুয়ারি) প্রসিকিউশনের সূচনা বক্তব্যের মধ্য দিয়ে মামলার আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হয়েছে। প্রথম সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দেন শহীদ আসিফ ইকবালের বাবা এমএ রাজ্জাক। তবে তার সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ না হওয়ায় অবশিষ্ট অংশ আজ গ্রহণের কথা রয়েছে।

গত ২২ জানুয়ারি সাত আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরুর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল-২। এর আগে ১৮ জানুয়ারি অভিযোগ গঠনের বিষয়ে শুনানি শেষ করে প্রসিকিউশন ও আসামিপক্ষ। ৮ জানুয়ারি পলাতক আসামিদের পক্ষে দুজন স্টেট ডিফেন্স আইনজীবী নিয়োগ দেওয়া হয়। এছাড়া গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর প্রসিকিউশনের দাখিল করা ফরমাল চার্জ বা আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নেন আদালত।

প্রসিকিউশনের অভিযোগে বলা হয়েছে, জুলাই-আগস্টের আন্দোলন দমনে আসামিরা সমন্বিতভাবে নির্দেশ, প্ররোচনা ও উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছেন। নেতাকর্মীদের রাজপথে নামিয়ে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে আহ্বান জানানোসহ বিভিন্ন বৈঠকে সহিংসতার পরিকল্পনা করা হয়।

কোথাও সশস্ত্র হামলা, কঠোর দমন-পীড়ন এবং গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণেও তারা ভূমিকা রাখেন বলে অভিযোগ। তাদের এসব কর্মকাণ্ডের ফলেই দেশজুড়ে হত্যা, হত্যাচেষ্টা ও ব্যাপক সহিংসতার ঘটনা ঘটে, যা মানবতাবিরোধী অপরাধ হিসেবে শাস্তিযোগ্য।