ঢাকা ০৫:০৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

এপস্টেইনের ইমেইলে ট্রাম্পকে নিয়ে বিস্ফোরক তথ্য

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০২:৩৯:১৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ নভেম্বর ২০২৫
  • ৭৮ বার পড়া হয়েছে

২০১৯ সালে এক সাংবাদিককে পাঠানো ইমেইলে যৌন নিপীড়ক জেফরি এপস্টেইন দাবি করেছিলেন, তৎকালীন ও বর্তমান মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ‘(যৌন নিপীড়নের শিকার) মেয়েদের ব্যাপারে জানতেন’। বুধবার (১২ নভেম্বর) প্রকাশিত নথিতে এ তথ্য উঠে এসেছে। খবর এনডিটিভির।

তবে ট্রাম্প আসলে কী জানতেন এবং তা এপস্টেইনের অপরাধের সঙ্গে যুক্ত কোনো বিষয় কিনা, তা এখনো স্পষ্ট নয়। যদিও হোয়াইট হাউস দাবি করেছে, ডেমোক্র্যাটরা ইমেইল বেছে বেছে প্রকাশ করে প্রেসিডেন্টকে কলঙ্কিত করার চেষ্টা করছে।

মার্কিন কংগ্রেসের হাউস ওভারসাইট কমিটির ডেমোক্র্যাট সদস্যরা ট্রাম্পকে ঘিরে এপস্টেইনের তিনটি ইমেইল প্রকাশ করেছেন। এর মধ্যে ২০১১ সালের এক বার্তায় এপস্টেইন তার ঘনিষ্ঠ সহযোগী গিসলেইন ম্যাক্সওয়েলকে লিখেছিলেন, ট্রাম্প তার বাড়িতে এক যৌন নিপীড়নের শিকার ভুক্তভোগীর সঙ্গে ‘ঘণ্টার পর ঘণ্টা’ কাটিয়েছেন।

এই ইমেইলগুলো প্রকাশের ফলে ট্রাম্পের সঙ্গে এপস্টেইনের সম্পর্ক এবং এই যৌন নিপীড়কের অপরাধ সম্পর্কে প্রেসিডেন্ট কিছু জানটেন কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ট্রাম্প বরাবরই দাবি করে এসেছেন, তিনি এপস্টেইনের অপরাধ সম্পর্কে কিছু জানতেন না এবং বহু বছর আগেই তার সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করেছিলেন।

বুধবার প্রকাশিত ইমেইলগুলো এপস্টেইনের সম্পত্তি থেকে কমিটিতে পাঠানো ২৩ হাজার নথির অংশ। পরে রিপাবলিকান সদস্যরা আরও ২০ হাজার পৃষ্ঠার নথি প্রকাশ করেন, যার মধ্যে লেখক জেমস প্যাটারসনের বইয়ের অংশও রয়েছে।

এই ইমেইল ফাঁসের ফলে ট্রাম্প-এপস্টেইন সম্পর্কের পুরোনো বিতর্ক আবারও সামনে এসেছে—যা তার প্রেসিডেন্সির সময়ও আলোচনায় ছিল।

২০১৯ সালের এক ইমেইলে সাংবাদিক মাইকেল উলফকে এপস্টেইন লিখেছিলেন, ‘অবশ্যই সে (ট্রাম্প) মেয়েদের ব্যাপারে জানত, কারণ সে গিসলেইনকে থামাতে বলেছিল।’

২০১১ সালের ২ এপ্রিলের এক ইমেইলে এপস্টিন ম্যাক্সওয়েলকে লেখেন, ‘আমি চাই তুমি বুঝতে পারো—যে কুকুরটি এখনো ঘেউ ঘেউ করেনি, সে ট্রাম্প। (নাম মুছে ফেলা হয়েছে) আমার বাড়িতে তার সঙ্গে ঘণ্টার পর ঘণ্টা কাটিয়েছে, কিন্তু কখনোই তার নাম ওঠেনি।’

হাউস ডেমোক্র্যাটরা জানান, ওই গোপন নামটি ছিল এক ‘ভুক্তভোগীর।’

এদিকে নতুন ইমেইলগুলো প্রকাশের পর সামাজিক মাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে পোস্ট করা প্রতিক্রিয়ায় ট্রাম্প লিখেছেন, ‘ডেমোক্র্যাটরা আবারও জেফরি এপস্টেইন সংক্রান্ত মিথ্যা গল্পটি সামনে আনতে চেষ্টা করছে, কারণ তারা শাটডাউন ইস্যুতে এবং আরও অনেক বিষয়ে নিজেদের ব্যর্থতা ঢাকতে যেকোনো কিছু করতে প্রস্তুত।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

এপস্টেইনের ইমেইলে ট্রাম্পকে নিয়ে বিস্ফোরক তথ্য

আপডেট সময় ০২:৩৯:১৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ নভেম্বর ২০২৫

২০১৯ সালে এক সাংবাদিককে পাঠানো ইমেইলে যৌন নিপীড়ক জেফরি এপস্টেইন দাবি করেছিলেন, তৎকালীন ও বর্তমান মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ‘(যৌন নিপীড়নের শিকার) মেয়েদের ব্যাপারে জানতেন’। বুধবার (১২ নভেম্বর) প্রকাশিত নথিতে এ তথ্য উঠে এসেছে। খবর এনডিটিভির।

তবে ট্রাম্প আসলে কী জানতেন এবং তা এপস্টেইনের অপরাধের সঙ্গে যুক্ত কোনো বিষয় কিনা, তা এখনো স্পষ্ট নয়। যদিও হোয়াইট হাউস দাবি করেছে, ডেমোক্র্যাটরা ইমেইল বেছে বেছে প্রকাশ করে প্রেসিডেন্টকে কলঙ্কিত করার চেষ্টা করছে।

মার্কিন কংগ্রেসের হাউস ওভারসাইট কমিটির ডেমোক্র্যাট সদস্যরা ট্রাম্পকে ঘিরে এপস্টেইনের তিনটি ইমেইল প্রকাশ করেছেন। এর মধ্যে ২০১১ সালের এক বার্তায় এপস্টেইন তার ঘনিষ্ঠ সহযোগী গিসলেইন ম্যাক্সওয়েলকে লিখেছিলেন, ট্রাম্প তার বাড়িতে এক যৌন নিপীড়নের শিকার ভুক্তভোগীর সঙ্গে ‘ঘণ্টার পর ঘণ্টা’ কাটিয়েছেন।

এই ইমেইলগুলো প্রকাশের ফলে ট্রাম্পের সঙ্গে এপস্টেইনের সম্পর্ক এবং এই যৌন নিপীড়কের অপরাধ সম্পর্কে প্রেসিডেন্ট কিছু জানটেন কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ট্রাম্প বরাবরই দাবি করে এসেছেন, তিনি এপস্টেইনের অপরাধ সম্পর্কে কিছু জানতেন না এবং বহু বছর আগেই তার সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করেছিলেন।

বুধবার প্রকাশিত ইমেইলগুলো এপস্টেইনের সম্পত্তি থেকে কমিটিতে পাঠানো ২৩ হাজার নথির অংশ। পরে রিপাবলিকান সদস্যরা আরও ২০ হাজার পৃষ্ঠার নথি প্রকাশ করেন, যার মধ্যে লেখক জেমস প্যাটারসনের বইয়ের অংশও রয়েছে।

এই ইমেইল ফাঁসের ফলে ট্রাম্প-এপস্টেইন সম্পর্কের পুরোনো বিতর্ক আবারও সামনে এসেছে—যা তার প্রেসিডেন্সির সময়ও আলোচনায় ছিল।

২০১৯ সালের এক ইমেইলে সাংবাদিক মাইকেল উলফকে এপস্টেইন লিখেছিলেন, ‘অবশ্যই সে (ট্রাম্প) মেয়েদের ব্যাপারে জানত, কারণ সে গিসলেইনকে থামাতে বলেছিল।’

২০১১ সালের ২ এপ্রিলের এক ইমেইলে এপস্টিন ম্যাক্সওয়েলকে লেখেন, ‘আমি চাই তুমি বুঝতে পারো—যে কুকুরটি এখনো ঘেউ ঘেউ করেনি, সে ট্রাম্প। (নাম মুছে ফেলা হয়েছে) আমার বাড়িতে তার সঙ্গে ঘণ্টার পর ঘণ্টা কাটিয়েছে, কিন্তু কখনোই তার নাম ওঠেনি।’

হাউস ডেমোক্র্যাটরা জানান, ওই গোপন নামটি ছিল এক ‘ভুক্তভোগীর।’

এদিকে নতুন ইমেইলগুলো প্রকাশের পর সামাজিক মাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে পোস্ট করা প্রতিক্রিয়ায় ট্রাম্প লিখেছেন, ‘ডেমোক্র্যাটরা আবারও জেফরি এপস্টেইন সংক্রান্ত মিথ্যা গল্পটি সামনে আনতে চেষ্টা করছে, কারণ তারা শাটডাউন ইস্যুতে এবং আরও অনেক বিষয়ে নিজেদের ব্যর্থতা ঢাকতে যেকোনো কিছু করতে প্রস্তুত।