ঢাকা ১০:৫৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo নাড়ির টানে শেকড়ে ফিরছে মানুষ, মহাসড়কে গাড়ির চাপ Logo যুক্তরাষ্ট্রের শিল্পপ্রতিষ্ঠানে হামলার হুঁশিয়ারি আইআরজিসির, কর্মীদের এলাকা ছাড়ার আহ্বান Logo সকালের মধ্যেই ৮ জেলায় ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের শঙ্কা, নদীবন্দরে সতর্কতা Logo সরকারি ছুটির মধ্যেই সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠক আজ Logo লেবাননে ইসরায়েলের স্থল অভিযান শুরু Logo জেলে না গেলে বুঝতাম না কত বড় জুলুমের শাসন ড. ইউনূস করে দিয়েছে: আনিস আলমগীর Logo ২০ বছর আগে নিয়োগ বাতিল হওয়া ৩৩০ পুলিশ সদস্যকে চাকরি দিচ্ছে সরকার Logo এক বছরে রোহিঙ্গা শরণার্থী বাড়ল ১ লাখ ৭৯ হাজার Logo ইসরায়েলের সামরিক ঘাঁটি ও অস্ত্রাগারে হামলার দাবি আইআরজিসির Logo ‘সংবিধান সংস্কার পরিষদের বাস্তবায়ন না হওয়ার পেছনে দায় প্রধানমন্ত্রীর’

একই যোগ্যতা-প্রশ্নে পরীক্ষা হলেও বেতন গ্রেডে বৈষম্যের অভিযোগ মাদ্রাসার কৃষি শিক্ষকদের

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৬:৪৫:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৩০ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:
১৮তম শিক্ষক নিবন্ধনে উত্তীর্ণ সহকারী শিক্ষক (কৃষি) পদে সুপারিশপ্রাপ্ত শিক্ষকদের একটি অংশ মাদ্রাসায় নিয়োগ পেয়ে বেতন গ্রেড বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। একই ব্যাচে, একই প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা দিয়ে উত্তীর্ণ হওয়া সত্ত্বেও স্কুলে কর্মরত শিক্ষকরা ১০ম গ্রেডে বেতন-ভাতা পেলেও মাদ্রাসায় কর্মরতরা পাচ্ছেন ১১তম গ্রেডে। বিষয়টি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তারা।

জানা গেছে, ১৮তম শিক্ষক নিবন্ধনের মাধ্যমে সহকারী শিক্ষক (কৃষি) পদে প্রায় দুই হাজারের বেশি প্রার্থী প্রিলিমিনারি, লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। এর মধ্যে ষষ্ঠ গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এক হাজারের বেশি শিক্ষক স্কুল ও মাদ্রাসায় সুপারিশ পেয়ে ইতোমধ্যে এমপিওভুক্ত হয়েছেন এবং তারা ১০ম গ্রেড অনুযায়ী বেতন পাচ্ছেন। কেননা আগের এমপিও নীতিমালায় স্কুল-মাদ্রাসা উভয় ক্ষেত্রেই সহকারী শিক্ষক (কৃষি) পদটি ১০ম গ্রেডভুক্ত ছিল।

পরবর্তীতে ১৮তম নিবন্ধনধারীদের আরেকটি অংশ সপ্তম গণবিজ্ঞপ্তিতে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়ে মাদ্রাসায় নিয়োগ পান। তারা ফেব্রুয়ারির ১ থেকে ৪ তারিখের মধ্যে এমপিওভুক্তির জন্য আবেদন করেন। তবে ৩ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত সর্বশেষ মাদ্রাসা এমপিও নীতিমালা-২০২৬ অনুযায়ী সহকারী শিক্ষক (কৃষি) পদটি ১১তম গ্রেডে নির্ধারণ করা হয়। এতে করে একই ব্যাচের স্কুলশিক্ষকরা ১০ম গ্রেড পেলেও মাদ্রাসার শিক্ষকরা ১১তম গ্রেডে সীমাবদ্ধ হয়ে পড়েন।

শিক্ষকদের অভিযোগ, ফেব্রুয়ারির ১ থেকে ৪ তারিখে জমা দেওয়া এমপিও ফাইলগুলো ধাপে ধাপে বাতিল করা হচ্ছে। ফলে তারা ফেব্রুয়ারি মাসে দায়িত্ব পালন করেও বেতন থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। তাদের দাবি, মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠানে স্কুলের মতো বকেয়া বেতন প্রদানের ব্যবস্থা না থাকায় এ পরিস্থিতিতে তারা আর্থিকভাবে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন।

আব্দুল করিম নামে ভুক্তভোগী এক শিক্ষক বলেন, ‘একই শিক্ষাগত যোগ্যতা ও পেশাগত দক্ষতা থাকা সত্ত্বেও বেতন গ্রেডে এ ধরনের বৈষম্য সমতার নীতির পরিপন্থী। এ ধরনের বৈষম্যের কারণে মাদ্রাসা শিক্ষায় যোগদানের আগ্রহ কমে যেতে পারে। অবিলম্বে বেতন গ্রেড বৈষম্য দূর করার দাবি জানান এ শিক্ষক।

মো. মাসুদ নামে আরেক শিক্ষক বলেন, ‘সহকারী শিক্ষক (কৃষি) পদে মাদ্রাসা এমপিও নীতিমালায় বিদ্যমান গ্রেড সংক্রান্ত অসঙ্গতি দ্রুত দূর করে ১০ম গ্রেড বহাল রেখে প্রয়োজনীয় প্রজ্ঞাপন জারি করতে হবে। সেটি না হলে শিক্ষায় বৈষম্য থেকে যাবে।’

এ বিষয়ে জানতে চাইলে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, ‘এ ধরনের বৈষম্যের বিষয়টি আমার জানা নেই। তবে যদি বেতন গ্রেড নিয়ে বৈষম্য থেকে থাকে তাহলে সেটি দূর করতে উদ্যোগ নেওয়া হবে।’

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

নাড়ির টানে শেকড়ে ফিরছে মানুষ, মহাসড়কে গাড়ির চাপ

একই যোগ্যতা-প্রশ্নে পরীক্ষা হলেও বেতন গ্রেডে বৈষম্যের অভিযোগ মাদ্রাসার কৃষি শিক্ষকদের

আপডেট সময় ০৬:৪৫:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

নিউজ ডেস্ক:
১৮তম শিক্ষক নিবন্ধনে উত্তীর্ণ সহকারী শিক্ষক (কৃষি) পদে সুপারিশপ্রাপ্ত শিক্ষকদের একটি অংশ মাদ্রাসায় নিয়োগ পেয়ে বেতন গ্রেড বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। একই ব্যাচে, একই প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা দিয়ে উত্তীর্ণ হওয়া সত্ত্বেও স্কুলে কর্মরত শিক্ষকরা ১০ম গ্রেডে বেতন-ভাতা পেলেও মাদ্রাসায় কর্মরতরা পাচ্ছেন ১১তম গ্রেডে। বিষয়টি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তারা।

জানা গেছে, ১৮তম শিক্ষক নিবন্ধনের মাধ্যমে সহকারী শিক্ষক (কৃষি) পদে প্রায় দুই হাজারের বেশি প্রার্থী প্রিলিমিনারি, লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। এর মধ্যে ষষ্ঠ গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এক হাজারের বেশি শিক্ষক স্কুল ও মাদ্রাসায় সুপারিশ পেয়ে ইতোমধ্যে এমপিওভুক্ত হয়েছেন এবং তারা ১০ম গ্রেড অনুযায়ী বেতন পাচ্ছেন। কেননা আগের এমপিও নীতিমালায় স্কুল-মাদ্রাসা উভয় ক্ষেত্রেই সহকারী শিক্ষক (কৃষি) পদটি ১০ম গ্রেডভুক্ত ছিল।

পরবর্তীতে ১৮তম নিবন্ধনধারীদের আরেকটি অংশ সপ্তম গণবিজ্ঞপ্তিতে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়ে মাদ্রাসায় নিয়োগ পান। তারা ফেব্রুয়ারির ১ থেকে ৪ তারিখের মধ্যে এমপিওভুক্তির জন্য আবেদন করেন। তবে ৩ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত সর্বশেষ মাদ্রাসা এমপিও নীতিমালা-২০২৬ অনুযায়ী সহকারী শিক্ষক (কৃষি) পদটি ১১তম গ্রেডে নির্ধারণ করা হয়। এতে করে একই ব্যাচের স্কুলশিক্ষকরা ১০ম গ্রেড পেলেও মাদ্রাসার শিক্ষকরা ১১তম গ্রেডে সীমাবদ্ধ হয়ে পড়েন।

শিক্ষকদের অভিযোগ, ফেব্রুয়ারির ১ থেকে ৪ তারিখে জমা দেওয়া এমপিও ফাইলগুলো ধাপে ধাপে বাতিল করা হচ্ছে। ফলে তারা ফেব্রুয়ারি মাসে দায়িত্ব পালন করেও বেতন থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। তাদের দাবি, মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠানে স্কুলের মতো বকেয়া বেতন প্রদানের ব্যবস্থা না থাকায় এ পরিস্থিতিতে তারা আর্থিকভাবে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন।

আব্দুল করিম নামে ভুক্তভোগী এক শিক্ষক বলেন, ‘একই শিক্ষাগত যোগ্যতা ও পেশাগত দক্ষতা থাকা সত্ত্বেও বেতন গ্রেডে এ ধরনের বৈষম্য সমতার নীতির পরিপন্থী। এ ধরনের বৈষম্যের কারণে মাদ্রাসা শিক্ষায় যোগদানের আগ্রহ কমে যেতে পারে। অবিলম্বে বেতন গ্রেড বৈষম্য দূর করার দাবি জানান এ শিক্ষক।

মো. মাসুদ নামে আরেক শিক্ষক বলেন, ‘সহকারী শিক্ষক (কৃষি) পদে মাদ্রাসা এমপিও নীতিমালায় বিদ্যমান গ্রেড সংক্রান্ত অসঙ্গতি দ্রুত দূর করে ১০ম গ্রেড বহাল রেখে প্রয়োজনীয় প্রজ্ঞাপন জারি করতে হবে। সেটি না হলে শিক্ষায় বৈষম্য থেকে যাবে।’

এ বিষয়ে জানতে চাইলে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, ‘এ ধরনের বৈষম্যের বিষয়টি আমার জানা নেই। তবে যদি বেতন গ্রেড নিয়ে বৈষম্য থেকে থাকে তাহলে সেটি দূর করতে উদ্যোগ নেওয়া হবে।’


Notice: ob_end_flush(): Failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/somokontho/public_html/wp-includes/functions.php on line 5481