ঢাকা ০৭:৪৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

উত্তরাধিকার সম্পত্তি ভাগাভাগির পদ্ধতিতে আনা হলো পরিবর্তন

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১২:২৯:২৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৭ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৯৬ বার পড়া হয়েছে

বর্তমানে উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত সম্পত্তি নিয়ে বিরোধ ও মামলার সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে। এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সরকার একটি নতুন বিধান চালু করেছে, যেখানে নির্দিষ্ট প্রক্রিয়ার মাধ্যমে উত্তরাধিকার সম্পত্তির বণ্টন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

নতুন নিয়ম অনুযায়ী, উত্তরাধিকারভুক্ত কোনো সম্পত্তি বিক্রি, নামজারি বা রেকর্ড সংশোধনের আগে অবশ্যই সব ওয়ারিশের সম্মতিতে একটি আপোষ বণ্টননামা দলিল প্রস্তুত করতে হবে। এই দলিল ছাড়া ভবিষ্যতে কোনোভাবেই সম্পত্তি হস্তান্তর, বিক্রয় বা নামজারি করা যাবে না।

অর্থাৎ, কেউ যদি উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া জমি বিক্রি করতে চান, তাহলে প্রথমে সংশ্লিষ্ট সব ওয়ারিশের মধ্যে আপোষ বণ্টননামা সম্পন্ন করা বাধ্যতামূলক। এই ব্যবস্থার মূল উদ্দেশ্য হলো সম্পত্তির ন্যায্য বণ্টন নিশ্চিত করা এবং একক সিদ্ধান্তে সম্পত্তি বিক্রির প্রবণতা বন্ধ করা।

এছাড়া, এখন থেকে কোনো সম্পত্তি ক্রয় বা বিক্রয়ের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট পক্ষকে আপোষ বণ্টননামা দলিল প্রদর্শন করতে হবে। নামজারি বা রেকর্ড সংশোধন সম্পন্ন হলেও, আপোষ বণ্টননামার মাধ্যমে আইনগত স্বীকৃতি না পাওয়া পর্যন্ত মালিকানা চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে না।

এই নিয়ম শুধু প্রশাসনিক দিক থেকেই নয়, সাধারণ জনগণের জন্যও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, অনানুষ্ঠানিকভাবে সম্পত্তি ভাগ করে বসবাস করলে ভবিষ্যতে আইনি জটিলতায় পড়ার ঝুঁকি থাকবে। একবার আপোষ বণ্টননামা দলিল সম্পন্ন হলে তা বাতিলযোগ্য হবে না।

এছাড়া, ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন ২০২৩-এর বিধিমালার আওতায় এই নিয়ম লঙ্ঘন করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তাই সবাইকে সচেতন হয়ে আইনসম্মত প্রক্রিয়া অনুসরণ করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

এই নতুন ব্যবস্থা বাস্তবায়নের মাধ্যমে সম্পত্তি সংক্রান্ত বিরোধ কমবে এবং উত্তরাধিকার সম্পত্তি ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছ ও সুশৃঙ্খল পদ্ধতি প্রতিষ্ঠিত হবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

উত্তরাধিকার সম্পত্তি ভাগাভাগির পদ্ধতিতে আনা হলো পরিবর্তন

আপডেট সময় ১২:২৯:২৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৭ ডিসেম্বর ২০২৫

বর্তমানে উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত সম্পত্তি নিয়ে বিরোধ ও মামলার সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে। এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সরকার একটি নতুন বিধান চালু করেছে, যেখানে নির্দিষ্ট প্রক্রিয়ার মাধ্যমে উত্তরাধিকার সম্পত্তির বণ্টন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

নতুন নিয়ম অনুযায়ী, উত্তরাধিকারভুক্ত কোনো সম্পত্তি বিক্রি, নামজারি বা রেকর্ড সংশোধনের আগে অবশ্যই সব ওয়ারিশের সম্মতিতে একটি আপোষ বণ্টননামা দলিল প্রস্তুত করতে হবে। এই দলিল ছাড়া ভবিষ্যতে কোনোভাবেই সম্পত্তি হস্তান্তর, বিক্রয় বা নামজারি করা যাবে না।

অর্থাৎ, কেউ যদি উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া জমি বিক্রি করতে চান, তাহলে প্রথমে সংশ্লিষ্ট সব ওয়ারিশের মধ্যে আপোষ বণ্টননামা সম্পন্ন করা বাধ্যতামূলক। এই ব্যবস্থার মূল উদ্দেশ্য হলো সম্পত্তির ন্যায্য বণ্টন নিশ্চিত করা এবং একক সিদ্ধান্তে সম্পত্তি বিক্রির প্রবণতা বন্ধ করা।

এছাড়া, এখন থেকে কোনো সম্পত্তি ক্রয় বা বিক্রয়ের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট পক্ষকে আপোষ বণ্টননামা দলিল প্রদর্শন করতে হবে। নামজারি বা রেকর্ড সংশোধন সম্পন্ন হলেও, আপোষ বণ্টননামার মাধ্যমে আইনগত স্বীকৃতি না পাওয়া পর্যন্ত মালিকানা চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে না।

এই নিয়ম শুধু প্রশাসনিক দিক থেকেই নয়, সাধারণ জনগণের জন্যও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, অনানুষ্ঠানিকভাবে সম্পত্তি ভাগ করে বসবাস করলে ভবিষ্যতে আইনি জটিলতায় পড়ার ঝুঁকি থাকবে। একবার আপোষ বণ্টননামা দলিল সম্পন্ন হলে তা বাতিলযোগ্য হবে না।

এছাড়া, ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন ২০২৩-এর বিধিমালার আওতায় এই নিয়ম লঙ্ঘন করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তাই সবাইকে সচেতন হয়ে আইনসম্মত প্রক্রিয়া অনুসরণ করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

এই নতুন ব্যবস্থা বাস্তবায়নের মাধ্যমে সম্পত্তি সংক্রান্ত বিরোধ কমবে এবং উত্তরাধিকার সম্পত্তি ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছ ও সুশৃঙ্খল পদ্ধতি প্রতিষ্ঠিত হবে।