ঢাকা ১১:৩৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬, ৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo নারীর ক্ষমতায়নে ইউএন উইমেনের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা চায় বাংলাদেশ Logo ব্রাজিলের পতাকা টাঙাতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পর্শে স্কুলছাত্রের মৃত্যু Logo মাদক ব্যবসা ছাড়ুন, না হলে এলাকা ছাড়ুন : এমপি আবু তালিব Logo ইরান সংঘাতে না জড়াতে চীনকে অনুরোধ করেছিলেন ট্রাম্প Logo প্রথমার্ধ শেষে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে জোড়া গোলে এগিয়ে যুক্তরাষ্ট্র Logo পাকিস্তান ও বাংলাদেশের মধ্যে গভীর সাংস্কৃতিক সম্পর্ক রয়েছে: পাকিস্তান হাইকমিশনার Logo শিক্ষামন্ত্রীর উপস্থিতিতে জাবিতে নবীনবরণ, ‘পাইলট প্রকল্প’ বিশ্ববিদ্যালয় গড়ার ইঙ্গিত Logo এক বছরে সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের জমা অর্থ বেড়েছে ৪১ শতাংশ Logo আমি ছাড়া কেউ মাজার ভাঙার বিরুদ্ধে কথা বলে না : রুমিন ফারহানা Logo পানিকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে ভারত, হুঁশিয়ারি পাকিস্তানের

ইরান যুদ্ধে ব্রিটেনের দুটি ‘খেলনা’ বিমানবাহী রণতরী আমাদের প্রয়োজন নেই: ট্রাম্প

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৯:১৫:২৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬
  • ৪০ বার পড়া হয়েছে

ব্রিটিশ বিমানবাহী দুটি রণতরীকে ‘খেলনা’ বলে কটাক্ষ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেন, ‘‘ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে সাহায্যের জন্য ব্রিটেনের দুটি ‘খেলনা বিমানবাহী রণতরী’ আমাদের প্রয়োজন নেই।’’

ইরান যুদ্ধকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র-যুক্তরাজ্যের সম্পর্কের টানাপোড়েন নতুন মাত্রা পেয়েছে। ট্রাম্পের এই মন্তব্য দুই মিত্র দেশের মধ্যে উত্তেজনা আরও বাড়ালো। অপরদিকে, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের সময় যুক্তরাজ্যের ভূমিকা নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন ট্রাম্প।

বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য তুলে ধরেছে সংবাদমাধ্যম দ্য টেলিগ্রাফ।

সংবাদমাধ্যমটি বলছে, যুক্তরাজ্যের দুটি বিমানবাহী রণতরীকে ট্রাম্প ‘খেলনা’ বলে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, ‘‘ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে এগুলোর কোনো প্রয়োজন নেই।’’ মন্ত্রিসভার বৈঠকে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি ব্রিটিশ নৌবাহিনীর এইচএমএস কুইন এলিজাবেথ ও এইচএমএস প্রিন্স অব ওয়েলসকে কটাক্ষ করে বলেন, ‘‘এগুলো সেরা বিমানবাহী রণতরী নয়।’’

দ্য টেলিগ্রাফ বলছে, যুক্তরাজ্যের ৯২০ ফুট দৈর্ঘ্যের ও ৬৫ হাজার টন ওজনের এই দুটি রণতরীর তুলনায় যুক্তরাষ্ট্রের জেরাল্ড আর ফোর্ড শ্রেণির বিমানবাহী রণতরীগুলো অনেক বড়। মার্কিন ওই রণতরীর ওজন প্রায় ১ লাখ টন এবং দৈর্ঘ্য ১১০০ ফুট।

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বাড়লেও, ব্রিটেন এখনও এই দুটি রণতরী সেখানে মোতায়েন করেনি। ট্রাম্প বলেন, ‘যুক্তরাজ্য বলেছে, তারা তাদের বিমানবাহী রণতরী পাঠাবে। কিন্তু এগুলো আমাদের তুলনায় খেলনার মতো। আমাদের এগুলোর দরকার নেই।’

তিনি ন্যাটো জোটের অন্যান্য মিত্রদের দিকেও ইঙ্গিত করে বলেন, তারা যুদ্ধের শুরুতে এগিয়ে আসেনি। তার ভাষায়, ‘এখন তারা সাহায্য করতে চায়, যখন প্রতিপক্ষ প্রায় ধ্বংস হয়ে গেছে। তারা বলছে, ‘আমরা জাহাজ পাঠাতে চাই’। কিন্তু যুদ্ধ শেষ হওয়ার পর সেই সংঘাতে জড়াতে চাওয়া ঠিক নয়।’

ট্রাম্প অভিযোগ করেন, যুদ্ধের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্রকে হামলা চালাতে সহায়তার জন্য ব্রিটিশ ঘাঁটি ব্যবহার করতে দেওয়া হয়নি। চাগোস দ্বীপপুঞ্জে যুক্তরাষ্ট্র-যুক্তরাজ্যের যৌথ ডিয়েগো গার্সিয়া ঘাঁটির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, সেখানে বি-২ বোমারু বিমান অবতরণের অনুমতি দেওয়া হয়নি। তিনি বলেন, ‘আমাদের মিসৌরি পর্যন্ত ১৭ ঘণ্টা উড়ে যেতে হয়েছে, যেখানে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই কাজ শেষ করা যেত। এটি বড় ভুল ছিল।’

যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী স্যার কিয়ার স্টারমার সম্পর্কে ট্রাম্প বলেন, ‘তিনি ভালো মানুষ, কিন্তু যা করেছেন তা হতাশাজনক। তিনি আমাদের সাহায্য করতে চাননি।’

সূত্র: দ্য টেলিগ্রাফ

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

নারীর ক্ষমতায়নে ইউএন উইমেনের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা চায় বাংলাদেশ

ইরান যুদ্ধে ব্রিটেনের দুটি ‘খেলনা’ বিমানবাহী রণতরী আমাদের প্রয়োজন নেই: ট্রাম্প

আপডেট সময় ০৯:১৫:২৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬

ব্রিটিশ বিমানবাহী দুটি রণতরীকে ‘খেলনা’ বলে কটাক্ষ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেন, ‘‘ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে সাহায্যের জন্য ব্রিটেনের দুটি ‘খেলনা বিমানবাহী রণতরী’ আমাদের প্রয়োজন নেই।’’

ইরান যুদ্ধকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র-যুক্তরাজ্যের সম্পর্কের টানাপোড়েন নতুন মাত্রা পেয়েছে। ট্রাম্পের এই মন্তব্য দুই মিত্র দেশের মধ্যে উত্তেজনা আরও বাড়ালো। অপরদিকে, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের সময় যুক্তরাজ্যের ভূমিকা নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন ট্রাম্প।

বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য তুলে ধরেছে সংবাদমাধ্যম দ্য টেলিগ্রাফ।

সংবাদমাধ্যমটি বলছে, যুক্তরাজ্যের দুটি বিমানবাহী রণতরীকে ট্রাম্প ‘খেলনা’ বলে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, ‘‘ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে এগুলোর কোনো প্রয়োজন নেই।’’ মন্ত্রিসভার বৈঠকে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি ব্রিটিশ নৌবাহিনীর এইচএমএস কুইন এলিজাবেথ ও এইচএমএস প্রিন্স অব ওয়েলসকে কটাক্ষ করে বলেন, ‘‘এগুলো সেরা বিমানবাহী রণতরী নয়।’’

দ্য টেলিগ্রাফ বলছে, যুক্তরাজ্যের ৯২০ ফুট দৈর্ঘ্যের ও ৬৫ হাজার টন ওজনের এই দুটি রণতরীর তুলনায় যুক্তরাষ্ট্রের জেরাল্ড আর ফোর্ড শ্রেণির বিমানবাহী রণতরীগুলো অনেক বড়। মার্কিন ওই রণতরীর ওজন প্রায় ১ লাখ টন এবং দৈর্ঘ্য ১১০০ ফুট।

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বাড়লেও, ব্রিটেন এখনও এই দুটি রণতরী সেখানে মোতায়েন করেনি। ট্রাম্প বলেন, ‘যুক্তরাজ্য বলেছে, তারা তাদের বিমানবাহী রণতরী পাঠাবে। কিন্তু এগুলো আমাদের তুলনায় খেলনার মতো। আমাদের এগুলোর দরকার নেই।’

তিনি ন্যাটো জোটের অন্যান্য মিত্রদের দিকেও ইঙ্গিত করে বলেন, তারা যুদ্ধের শুরুতে এগিয়ে আসেনি। তার ভাষায়, ‘এখন তারা সাহায্য করতে চায়, যখন প্রতিপক্ষ প্রায় ধ্বংস হয়ে গেছে। তারা বলছে, ‘আমরা জাহাজ পাঠাতে চাই’। কিন্তু যুদ্ধ শেষ হওয়ার পর সেই সংঘাতে জড়াতে চাওয়া ঠিক নয়।’

ট্রাম্প অভিযোগ করেন, যুদ্ধের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্রকে হামলা চালাতে সহায়তার জন্য ব্রিটিশ ঘাঁটি ব্যবহার করতে দেওয়া হয়নি। চাগোস দ্বীপপুঞ্জে যুক্তরাষ্ট্র-যুক্তরাজ্যের যৌথ ডিয়েগো গার্সিয়া ঘাঁটির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, সেখানে বি-২ বোমারু বিমান অবতরণের অনুমতি দেওয়া হয়নি। তিনি বলেন, ‘আমাদের মিসৌরি পর্যন্ত ১৭ ঘণ্টা উড়ে যেতে হয়েছে, যেখানে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই কাজ শেষ করা যেত। এটি বড় ভুল ছিল।’

যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী স্যার কিয়ার স্টারমার সম্পর্কে ট্রাম্প বলেন, ‘তিনি ভালো মানুষ, কিন্তু যা করেছেন তা হতাশাজনক। তিনি আমাদের সাহায্য করতে চাননি।’

সূত্র: দ্য টেলিগ্রাফ