ঢাকা ০৬:৩০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

ইরানের সরকারপতন নির্ভর করছে সেখানকার জনগণের ওপর : নেতানিয়াহু

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৬:৪৮:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬
  • ১৩৭ বার পড়া হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু বলেছেন, ইরানের সরকারপতনের ব্যাপারটি পুরোপুরি নির্ভর করছে দেশটির জনগণের ওপর এবং ইসরায়েলের কাজ হলো জনগণকে এ ব্যাপারে উৎসাহিত করা।

গতকাল সোমবার ইরানের নিক্ষিপ্ত ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্রে আহতদের দেখতে ইসরায়েলের ন্যাশনাল হেলথ ইমার্জেন্সি সেন্টারে গিয়েছিলেন নেতানিয়াহু। সেখানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমাদের আকাঙ্ক্ষা হলো ইরানের সাধারণ জনগণকে স্বৈরাচারের জোয়াল ছুড়ে ফেলতে উৎসাহিত করা; এখানে মূল কাজ, অর্থাৎ সরকারপতনের ব্যাপারটি পুরোপুরি ইরানের জনগণের হাতে। এটা পুরোপুরি তাদের ওপর নির্ভর করছে।”

“তবে এটাও সত্যি যে গত ১০ দিনে আমরা ইরানের ক্ষমতাসীন স্বৈরাচারী সরকারের হাড় ভেঙে দিয়েছি, এবং একনও আমাদের বাহু প্রসারিত। যদি ইরানের জনগণ সরকারের পতন ঘটাতে সক্ষম হয়— সেই সাফল্যের ভাগীদার হবো আমরাও।”

“এবং সেটি হবে ইসরায়েলের জন্য একটি অসাধারণ পরিবর্তন। ইসরায়েলের একটি স্থায়ী নিরাপত্তা হুমকির অবসান ঘটবে।”

ইরানের পরমাণু প্রকল্প নিয়ে গত ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ২১ দিন ধরে সংলাপ চলে তেহরান এবং ওয়াশিংটনের মধ্যে। ২৭ ফেব্রুয়ারি কোনো প্রকার সমঝোতা চুক্তি ছাড়াই শেষ হয় সেই সংলাপ।

তার পরের দিন ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শুরু করে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী। ওয়াশিংটনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে একই সময়ে ইরানে সামরিক অভিযান ‘অপারেশন রোয়ারিং লায়ন’ শুরু করে ইসরায়েলও।

যুদ্ধের প্রথম দিন ২৮ অক্টোবর নিহত হন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি-সহ ইরানের অন্তত ৪০ জন সামরিক ও বেসামরিক শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তা।

ইরানের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুসারে, গত ১০ দিনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় ইরানে নিহত হয়েছেন প্রায় ১ হাজার ৩০০ জন এবং আহত হয়েছেন ১০ হাজারেরও অধিক।

সূত্র : টাইমস অব ইসরায়েল

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

ইরানের সরকারপতন নির্ভর করছে সেখানকার জনগণের ওপর : নেতানিয়াহু

আপডেট সময় ০৬:৪৮:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু বলেছেন, ইরানের সরকারপতনের ব্যাপারটি পুরোপুরি নির্ভর করছে দেশটির জনগণের ওপর এবং ইসরায়েলের কাজ হলো জনগণকে এ ব্যাপারে উৎসাহিত করা।

গতকাল সোমবার ইরানের নিক্ষিপ্ত ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্রে আহতদের দেখতে ইসরায়েলের ন্যাশনাল হেলথ ইমার্জেন্সি সেন্টারে গিয়েছিলেন নেতানিয়াহু। সেখানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমাদের আকাঙ্ক্ষা হলো ইরানের সাধারণ জনগণকে স্বৈরাচারের জোয়াল ছুড়ে ফেলতে উৎসাহিত করা; এখানে মূল কাজ, অর্থাৎ সরকারপতনের ব্যাপারটি পুরোপুরি ইরানের জনগণের হাতে। এটা পুরোপুরি তাদের ওপর নির্ভর করছে।”

“তবে এটাও সত্যি যে গত ১০ দিনে আমরা ইরানের ক্ষমতাসীন স্বৈরাচারী সরকারের হাড় ভেঙে দিয়েছি, এবং একনও আমাদের বাহু প্রসারিত। যদি ইরানের জনগণ সরকারের পতন ঘটাতে সক্ষম হয়— সেই সাফল্যের ভাগীদার হবো আমরাও।”

“এবং সেটি হবে ইসরায়েলের জন্য একটি অসাধারণ পরিবর্তন। ইসরায়েলের একটি স্থায়ী নিরাপত্তা হুমকির অবসান ঘটবে।”

ইরানের পরমাণু প্রকল্প নিয়ে গত ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ২১ দিন ধরে সংলাপ চলে তেহরান এবং ওয়াশিংটনের মধ্যে। ২৭ ফেব্রুয়ারি কোনো প্রকার সমঝোতা চুক্তি ছাড়াই শেষ হয় সেই সংলাপ।

তার পরের দিন ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শুরু করে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী। ওয়াশিংটনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে একই সময়ে ইরানে সামরিক অভিযান ‘অপারেশন রোয়ারিং লায়ন’ শুরু করে ইসরায়েলও।

যুদ্ধের প্রথম দিন ২৮ অক্টোবর নিহত হন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি-সহ ইরানের অন্তত ৪০ জন সামরিক ও বেসামরিক শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তা।

ইরানের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুসারে, গত ১০ দিনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় ইরানে নিহত হয়েছেন প্রায় ১ হাজার ৩০০ জন এবং আহত হয়েছেন ১০ হাজারেরও অধিক।

সূত্র : টাইমস অব ইসরায়েল