ঢাকা ০৫:০৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

ইন্টারনেট ব্যবহারের স্বাধীনতা কমেছে যুক্তরাষ্ট্র-জার্মানিতে

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৮:৩৯:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ নভেম্বর ২০২৫
  • ১০৯ বার পড়া হয়েছে

বিধিনিষেধ আরোপের ফলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও জার্মানিতে ইন্টারনেট ব্যবহারের স্বাধীনতা কমেছে। ১৩ নভেম্বর (বৃহস্পতিবার) ওয়াশিংটন ভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ফ্রিডম হাউসের জরিপে এই তথ্য উঠে আসে। খবর : এএফপির।

গবেষণা সংস্থাটি জানিয়েছে, বিশ্বজুড়ে টানা ১৫তম বারের মতো ইন্টারনেট ব্যবহারের স্বাধীনতা কমেছে। একই সঙ্গে মত প্রকাশে স্বাধীন হিসেবে চিহ্নিত অনেক দেশেই এই পতন দেখা যাচ্ছে।

ফ্রিডম হাউসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত এক বছরে (মে ২০২৫ পর্যন্ত) যুক্তরাষ্ট্র ইন্টারনেট স্বাধীনতায় ১০০ স্কেলের মধ্যে ৭৩ স্কোর অর্জন করেছে, যা গত বছরের তুলনায় তিন পয়েন্ট কম। যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে এই স্কোর সর্বনিম্ন।

এই পতনের কারণ হিসেবে অভিবাসন নীতি ও ফিলিস্তিন ইস্যুতে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কঠোর অবস্থানকে বিবেচনা করা হচ্ছে। ফিলিস্তিনের সমর্থনে অনলাইনে মত প্রকাশের জন্য অনেককেই শাস্তির মুখোমুখি হতে হয়েছে।

অন্যদিকে জার্মানির স্কোরও তিন পয়েন্ট কমে ৭৪ হয়েছে। জার্মানির এই অবনতির জন্য ক্রমবর্ধমান স্ব-সেন্সরশিপ এবং বিদ্বেষমূলক বক্তব্য নিষিদ্ধকারী আইনগুলোর অতিরিক্ত প্রয়োগকে দায়ী করেছে ফ্রিডম হাউস।

প্রতিবেদনের সহলেখক কিয়ান ভেস্টেইনসন বলেন, কর্তৃত্ববাদী রাষ্ট্রগুলোতে দমন-পীড়ন বাড়ার পাশাপাশি, দুর্ভাগ্যবশত আমরা উত্তর আমেরিকা ও পশ্চিম ইউরোপের গণতন্ত্রগুলিতেও পরিস্থিতি খারাপ হতে দেখছি। এই দেশগুলোতে নাগরিক ক্ষেত্র সীমিত করার এবং বিদ্বেষপূর্ণ কনটেন্টের ওপর বিধিনিষেধ বাড়ানোর প্রবণতা দেখা যাচ্ছে।

এদিকে, ইন্টারনেট স্বাধীনতা হ্রাসের দিক থেকে কেনিয়া, ভেনেজুয়েলা ও জর্জিয়া সবচেয়ে খারাপ অবস্থানে রয়েছে। তবে একটি ছাত্র বিদ্রোহের পর নতুন সরকার গঠিত হওয়ায় বাংলাদেশ ইন্টারনেট স্বাধীনতায় সবচেয়ে বড় উন্নতি অর্জন করেছে, কারণ দেশটি অনলাইনে বিধিনিষেধ শিথিল করেছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

ইন্টারনেট ব্যবহারের স্বাধীনতা কমেছে যুক্তরাষ্ট্র-জার্মানিতে

আপডেট সময় ০৮:৩৯:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ নভেম্বর ২০২৫

বিধিনিষেধ আরোপের ফলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও জার্মানিতে ইন্টারনেট ব্যবহারের স্বাধীনতা কমেছে। ১৩ নভেম্বর (বৃহস্পতিবার) ওয়াশিংটন ভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ফ্রিডম হাউসের জরিপে এই তথ্য উঠে আসে। খবর : এএফপির।

গবেষণা সংস্থাটি জানিয়েছে, বিশ্বজুড়ে টানা ১৫তম বারের মতো ইন্টারনেট ব্যবহারের স্বাধীনতা কমেছে। একই সঙ্গে মত প্রকাশে স্বাধীন হিসেবে চিহ্নিত অনেক দেশেই এই পতন দেখা যাচ্ছে।

ফ্রিডম হাউসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত এক বছরে (মে ২০২৫ পর্যন্ত) যুক্তরাষ্ট্র ইন্টারনেট স্বাধীনতায় ১০০ স্কেলের মধ্যে ৭৩ স্কোর অর্জন করেছে, যা গত বছরের তুলনায় তিন পয়েন্ট কম। যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে এই স্কোর সর্বনিম্ন।

এই পতনের কারণ হিসেবে অভিবাসন নীতি ও ফিলিস্তিন ইস্যুতে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কঠোর অবস্থানকে বিবেচনা করা হচ্ছে। ফিলিস্তিনের সমর্থনে অনলাইনে মত প্রকাশের জন্য অনেককেই শাস্তির মুখোমুখি হতে হয়েছে।

অন্যদিকে জার্মানির স্কোরও তিন পয়েন্ট কমে ৭৪ হয়েছে। জার্মানির এই অবনতির জন্য ক্রমবর্ধমান স্ব-সেন্সরশিপ এবং বিদ্বেষমূলক বক্তব্য নিষিদ্ধকারী আইনগুলোর অতিরিক্ত প্রয়োগকে দায়ী করেছে ফ্রিডম হাউস।

প্রতিবেদনের সহলেখক কিয়ান ভেস্টেইনসন বলেন, কর্তৃত্ববাদী রাষ্ট্রগুলোতে দমন-পীড়ন বাড়ার পাশাপাশি, দুর্ভাগ্যবশত আমরা উত্তর আমেরিকা ও পশ্চিম ইউরোপের গণতন্ত্রগুলিতেও পরিস্থিতি খারাপ হতে দেখছি। এই দেশগুলোতে নাগরিক ক্ষেত্র সীমিত করার এবং বিদ্বেষপূর্ণ কনটেন্টের ওপর বিধিনিষেধ বাড়ানোর প্রবণতা দেখা যাচ্ছে।

এদিকে, ইন্টারনেট স্বাধীনতা হ্রাসের দিক থেকে কেনিয়া, ভেনেজুয়েলা ও জর্জিয়া সবচেয়ে খারাপ অবস্থানে রয়েছে। তবে একটি ছাত্র বিদ্রোহের পর নতুন সরকার গঠিত হওয়ায় বাংলাদেশ ইন্টারনেট স্বাধীনতায় সবচেয়ে বড় উন্নতি অর্জন করেছে, কারণ দেশটি অনলাইনে বিধিনিষেধ শিথিল করেছে।