ঢাকা ১১:০৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

আমিও শ্রমিক পরিবার থেকে এসে সংসদে প্রতিনিধিত্ব করছি : হান্নান মাসউদ

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০১:৫২:০৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২ মে ২০২৬
  • ২১ বার পড়া হয়েছে

এনসিপি নেতা আখতার হোসেন কৃষকের সন্তান, বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান একজন শ্রমিকের সন্তান, এনসিপি নেতা হাসনাত আব্দুল্লাহ রাজমিস্ত্রি পরিবারের সন্তান এবং আমিও শ্রমিক পরিবার থেকে এসেছি। আমার চাচাতো ভাই রিকশা চালায়। আমরা সেই পরিবার থেকে আজকে সংসদে প্রতিনিধিত্ব করছি বলে মন্তব্য করেছেন সংসদ সদস্য ও এনসিপি নেতা আবদুল হান্নান মাসউদ।

শুক্রবার (১ মে) আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস উপলক্ষ্যে জাতীয় শ্রমিক শক্তি আয়োজিত শ্রমিক সমাবেশে যোগ দিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

হান্নান মাসউদ বলেন, বারবার রাষ্ট্রের ক্ষমতার পরিবর্তন হয়, কিন্তু শ্রমিকের ভাগ্যের পরিবর্তন হয় না। রাজনীতিবিদদের ভাগ্যের পরিবর্তন হলেও শ্রমিকের হয় না। বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি শ্রমিক প্রতিনিধি এবারের সংসদে আছে। এই সংসদ তারুণ্য ও শ্রম রাজনীতির জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। সেখানে আপনাদের সহযোগিতা ও দিকনির্দেশনা প্রয়োজন।

হান্নান মাসউদ বলেন, এক শ্রেণির লোক আমাদের দেশটাকে লুট করে খাচ্ছে। এই টাকা তারা যদি আয় করে দেশে রাখত, তবে সমস্যা ছিল না। কিন্তু উপমহাদেশের মধ্যে কানাডার বেগম পাড়ায় সবচেয়ে বেশি ঘরবাড়ি বাঙালিদের। যখন যারা ক্ষমতায় আসে, তারা নিজেদের সাধু দাবি করে। আওয়ামী লীগ এলে বলে তারা চুরি করে না, বিএনপি এলে তারাও বলে চুরি করে না, জাতীয় পার্টিও বলে চুরি করে না; তাহলে চোর কে?

তিনি বলেন, বাংলাদেশের যত আইন, তার সবই খেটে খাওয়া নিপীড়িত মানুষের জন্য। কোনো আইন বড়লোকদের জন্য নয়। বনানী বা গুলশানে থাকা মানুষদের জন্য যে আইন প্রযোজ্য হয় না, আমাদের ৫-১০ হাজার টাকা বেতনে থাকা শ্রমিকদের জন্য সেই সব আইন বলবৎ থাকে। একজন রাজনীতিবিদ যেভাবে ন্যায়বিচার পাবেন, একজন শ্রমিককেও সেভাবে ন্যায়বিচার পেতে হবে। এসব কথা বললে আমাদের বলা হয়, এর চেয়ে ভালো আইন করে দেওয়া হবে। এভাবে স্বপ্ন দেখাতে দেখাতে ৫৪ বছর পার হয়ে গেছে, কিন্তু আমাদের একটি ভালো আইন দিতে পারে নাই।

বিএনপিকে উদ্দেশ্য করে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর নিয়োগের সমালোচনা করে এনসিপির এই নেতা বলেন, আমাদের অর্থনীতি টিকিয়ে রাখার জন্য একজন অর্থনীতিবিদকে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর হিসেবে চেয়েছিলাম। কিন্তু দেখলাম, এক গার্মেন্টস ব্যবসায়ীকে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর করা হয়েছে। বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি অর্থ পাচার হয় গার্মেন্টস পণ্য আমদানি-রপ্তানির মাধ্যমে। সেই অর্থ পাচারের এক প্রতিনিধিকে এনে আমাদের বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর বানিয়ে দেওয়া হয়েছে।

প্রবাসী শ্রমিকদের ইস্যুতে হান্নান মাসউদ বলেন, অনেক বাবা-মায়ের সন্তান বিদেশে গিয়ে শ্রম দেয়, টাকা পাঠায়। আর এ দেশের দুর্নীতিবাজরা তা লুটপাট করে খায় এবং তারাই সংসদে গিয়ে বড় বড় কথা বলে। যারা জনগণের ১১ হাজার কোটি টাকা মেরে দিয়েছে, তারা যখন সংসদে এসে বড় বড় কথা বলে, তখন আমাদের লজ্জা লাগে।

 

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

আমিও শ্রমিক পরিবার থেকে এসে সংসদে প্রতিনিধিত্ব করছি : হান্নান মাসউদ

আপডেট সময় ০১:৫২:০৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২ মে ২০২৬

এনসিপি নেতা আখতার হোসেন কৃষকের সন্তান, বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান একজন শ্রমিকের সন্তান, এনসিপি নেতা হাসনাত আব্দুল্লাহ রাজমিস্ত্রি পরিবারের সন্তান এবং আমিও শ্রমিক পরিবার থেকে এসেছি। আমার চাচাতো ভাই রিকশা চালায়। আমরা সেই পরিবার থেকে আজকে সংসদে প্রতিনিধিত্ব করছি বলে মন্তব্য করেছেন সংসদ সদস্য ও এনসিপি নেতা আবদুল হান্নান মাসউদ।

শুক্রবার (১ মে) আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস উপলক্ষ্যে জাতীয় শ্রমিক শক্তি আয়োজিত শ্রমিক সমাবেশে যোগ দিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

হান্নান মাসউদ বলেন, বারবার রাষ্ট্রের ক্ষমতার পরিবর্তন হয়, কিন্তু শ্রমিকের ভাগ্যের পরিবর্তন হয় না। রাজনীতিবিদদের ভাগ্যের পরিবর্তন হলেও শ্রমিকের হয় না। বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি শ্রমিক প্রতিনিধি এবারের সংসদে আছে। এই সংসদ তারুণ্য ও শ্রম রাজনীতির জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। সেখানে আপনাদের সহযোগিতা ও দিকনির্দেশনা প্রয়োজন।

হান্নান মাসউদ বলেন, এক শ্রেণির লোক আমাদের দেশটাকে লুট করে খাচ্ছে। এই টাকা তারা যদি আয় করে দেশে রাখত, তবে সমস্যা ছিল না। কিন্তু উপমহাদেশের মধ্যে কানাডার বেগম পাড়ায় সবচেয়ে বেশি ঘরবাড়ি বাঙালিদের। যখন যারা ক্ষমতায় আসে, তারা নিজেদের সাধু দাবি করে। আওয়ামী লীগ এলে বলে তারা চুরি করে না, বিএনপি এলে তারাও বলে চুরি করে না, জাতীয় পার্টিও বলে চুরি করে না; তাহলে চোর কে?

তিনি বলেন, বাংলাদেশের যত আইন, তার সবই খেটে খাওয়া নিপীড়িত মানুষের জন্য। কোনো আইন বড়লোকদের জন্য নয়। বনানী বা গুলশানে থাকা মানুষদের জন্য যে আইন প্রযোজ্য হয় না, আমাদের ৫-১০ হাজার টাকা বেতনে থাকা শ্রমিকদের জন্য সেই সব আইন বলবৎ থাকে। একজন রাজনীতিবিদ যেভাবে ন্যায়বিচার পাবেন, একজন শ্রমিককেও সেভাবে ন্যায়বিচার পেতে হবে। এসব কথা বললে আমাদের বলা হয়, এর চেয়ে ভালো আইন করে দেওয়া হবে। এভাবে স্বপ্ন দেখাতে দেখাতে ৫৪ বছর পার হয়ে গেছে, কিন্তু আমাদের একটি ভালো আইন দিতে পারে নাই।

বিএনপিকে উদ্দেশ্য করে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর নিয়োগের সমালোচনা করে এনসিপির এই নেতা বলেন, আমাদের অর্থনীতি টিকিয়ে রাখার জন্য একজন অর্থনীতিবিদকে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর হিসেবে চেয়েছিলাম। কিন্তু দেখলাম, এক গার্মেন্টস ব্যবসায়ীকে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর করা হয়েছে। বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি অর্থ পাচার হয় গার্মেন্টস পণ্য আমদানি-রপ্তানির মাধ্যমে। সেই অর্থ পাচারের এক প্রতিনিধিকে এনে আমাদের বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর বানিয়ে দেওয়া হয়েছে।

প্রবাসী শ্রমিকদের ইস্যুতে হান্নান মাসউদ বলেন, অনেক বাবা-মায়ের সন্তান বিদেশে গিয়ে শ্রম দেয়, টাকা পাঠায়। আর এ দেশের দুর্নীতিবাজরা তা লুটপাট করে খায় এবং তারাই সংসদে গিয়ে বড় বড় কথা বলে। যারা জনগণের ১১ হাজার কোটি টাকা মেরে দিয়েছে, তারা যখন সংসদে এসে বড় বড় কথা বলে, তখন আমাদের লজ্জা লাগে।