ঢাকা ১০:৪০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

আমাদের নিরাপত্তা বাহিনী মিসর ও জর্ডানে প্রশিক্ষণ নিচ্ছে: ফিলিস্তিনি প্রধানমন্ত্রী

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৯:১৫:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৫
  • ৬৯ বার পড়া হয়েছে

গাজা উপত্যকার শাসনব্যবস্থা ও অস্ত্রের নিয়ন্ত্রণ বিষয়ে হামাসকে তাদের আনুষ্ঠানিক অবস্থান স্পষ্ট করার আহ্বান জানিয়েছেন ফিলিস্তিনের প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ মুস্তাফা। আজ মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) আল-আরাবিয়া টেলিভিশনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ আহ্বান জানান।

মুস্তাফা বলেন, ‘যেকোনো রাষ্ট্র যদি নিজেকে সম্মান করতে চায়, তবে সেখানে আইন, শাসন ও অস্ত্রের বহুমুখিতা গ্রহণযোগ্য নয়।’

তিনি জোর দিয়ে বলেন, গাজায় অস্ত্র, আইন ও শৃঙ্খলা কেবলমাত্র ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণেই থাকতে হবে।

তবে তিনি আরও উল্লেখ করেন, ইসরায়েল গাজায় ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষকে (পিএ) পুনরায় প্রশাসনিক দায়িত্ব গ্রহণ করতে দিতে চায় না।

‘তবু গাজা পুরোপুরি ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের নিয়ন্ত্রণে থাকতে হবে; আমরা কোনো আংশিক ভূমিকা মেনে নেব না,’ বলেন মুস্তাফা।

ফিলিস্তিনি প্রধানমন্ত্রী জানান, গাজায় দায়িত্ব পালনের বিষয়ে আরব দেশগুলোর সঙ্গে সমঝোতা হয়েছে এবং তারা পিএকে সহায়তা দিতে সম্মত হয়েছে। তিনি সৌদি আরবের ভূমিকাও বিশেষভাবে উল্লেখ করেন, যারা ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রের পক্ষে আন্তর্জাতিক সমর্থন আদায়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

মুস্তাফা আরও বলেন, ‘আমাদের নিরাপত্তা বাহিনী মিসর ও জর্ডানে প্রশিক্ষণ নিচ্ছে, যাতে তারা গাজায় তাদের দায়িত্ব কার্যকরভাবে পালন করতে পারে। বর্তমানে গাজায় ১৮ হাজার নিরাপত্তা সদস্য আছেন, যারা পুনরায় দায়িত্ব গ্রহণের জন্য প্রস্তুত।’

এদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পরিকল্পনা অনুযায়ী গাজার নিরাপত্তা জোরদারে যে আন্তর্জাতিক বাহিনী গঠনের আলোচনা চলছে, সেটি নিয়েও মন্তব্য করেন মোহাম্মদ মুস্তাফা। তিনি বলেন, ‘এই বাহিনী গঠনের ক্ষেত্রে ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের অনুমোদন অবশ্যই থাকতে হবে।’

মুস্তাফা আরও জানান, এই আন্তর্জাতিক বাহিনীর ম্যান্ডেট হতে হবে অস্থায়ী ও সহায়ক ভূমিকার; এটি যেন ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের বিকল্প হয়ে না দাঁড়ায়।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

আমাদের নিরাপত্তা বাহিনী মিসর ও জর্ডানে প্রশিক্ষণ নিচ্ছে: ফিলিস্তিনি প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৯:১৫:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৫

গাজা উপত্যকার শাসনব্যবস্থা ও অস্ত্রের নিয়ন্ত্রণ বিষয়ে হামাসকে তাদের আনুষ্ঠানিক অবস্থান স্পষ্ট করার আহ্বান জানিয়েছেন ফিলিস্তিনের প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ মুস্তাফা। আজ মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) আল-আরাবিয়া টেলিভিশনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ আহ্বান জানান।

মুস্তাফা বলেন, ‘যেকোনো রাষ্ট্র যদি নিজেকে সম্মান করতে চায়, তবে সেখানে আইন, শাসন ও অস্ত্রের বহুমুখিতা গ্রহণযোগ্য নয়।’

তিনি জোর দিয়ে বলেন, গাজায় অস্ত্র, আইন ও শৃঙ্খলা কেবলমাত্র ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণেই থাকতে হবে।

তবে তিনি আরও উল্লেখ করেন, ইসরায়েল গাজায় ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষকে (পিএ) পুনরায় প্রশাসনিক দায়িত্ব গ্রহণ করতে দিতে চায় না।

‘তবু গাজা পুরোপুরি ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের নিয়ন্ত্রণে থাকতে হবে; আমরা কোনো আংশিক ভূমিকা মেনে নেব না,’ বলেন মুস্তাফা।

ফিলিস্তিনি প্রধানমন্ত্রী জানান, গাজায় দায়িত্ব পালনের বিষয়ে আরব দেশগুলোর সঙ্গে সমঝোতা হয়েছে এবং তারা পিএকে সহায়তা দিতে সম্মত হয়েছে। তিনি সৌদি আরবের ভূমিকাও বিশেষভাবে উল্লেখ করেন, যারা ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রের পক্ষে আন্তর্জাতিক সমর্থন আদায়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

মুস্তাফা আরও বলেন, ‘আমাদের নিরাপত্তা বাহিনী মিসর ও জর্ডানে প্রশিক্ষণ নিচ্ছে, যাতে তারা গাজায় তাদের দায়িত্ব কার্যকরভাবে পালন করতে পারে। বর্তমানে গাজায় ১৮ হাজার নিরাপত্তা সদস্য আছেন, যারা পুনরায় দায়িত্ব গ্রহণের জন্য প্রস্তুত।’

এদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পরিকল্পনা অনুযায়ী গাজার নিরাপত্তা জোরদারে যে আন্তর্জাতিক বাহিনী গঠনের আলোচনা চলছে, সেটি নিয়েও মন্তব্য করেন মোহাম্মদ মুস্তাফা। তিনি বলেন, ‘এই বাহিনী গঠনের ক্ষেত্রে ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের অনুমোদন অবশ্যই থাকতে হবে।’

মুস্তাফা আরও জানান, এই আন্তর্জাতিক বাহিনীর ম্যান্ডেট হতে হবে অস্থায়ী ও সহায়ক ভূমিকার; এটি যেন ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের বিকল্প হয়ে না দাঁড়ায়।