ঢাকা ০৯:১১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

আমাকে ঠেকানোর জন্য বিএনপির একটি অংশ আ. লীগের কাছে বিক্রি হয়ে গেছে: হাসনাত

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০২:৩৬:৪৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৫৫ বার পড়া হয়েছে

আমাকে ঠেকানোর জন্য বিএনপির একটি অংশ আওয়ামী লীগের কাছে বিক্রি হয়ে গেছে। আপনারা দেবীদ্বারের যারা আছেন, আপনাদের কাছেই আমার বিচার, আপানারাই সিদ্ধান্ত নেবেন, আমার কিছু বলার নেই। বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) রাত পৌনে ১২টার দিকে ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড পেজ থেকে লাইভে এসে এসব কথা বলেন কুমিল্লা-৪ (দেবীদ্বার) আসনের জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী হাসনাত আবদুল্লাহ।

তিনি বলেন, আপনারা সিদ্ধান্ত নেন কাকে ভোট দেবেন। জুলাই অভ্যুত্থানের একজন প্রার্থী নিজে নাকি আবুল কালাম আজাদকে বলে আমি ভিক্ষা চাই, আমাকে পাস করান। জসীম (গণধিকার পরিষদের প্রার্থী) নিজে বলে। এই সব প্রমাণ আমি আপনাদের দিয়েছি। দেবীদ্বারের বিএনপির এর চেয়ে নির্লজ্জতা আর হতে পারে না। আমি বিএনপিকে বারবার বলেছি, আপনারা নির্যাতিত হয়েছেন, নিপীড়িত হয়েছেন, কিন্তু একটা অংশ বিক্রি হয়ে গেছে।

মিডিয়ার বিরুদ্ধে হাসনাত বলেন, মিডিয়ার কথা আর কী বলব। আমি যা বলে আসছি এত দিন, মিডিয়াতে কোনও ধরনের কথা নাই। মিডিয়া আজকে সব ভোল পাল্টাই ফেলছে। মিডিয়া ব্ল্যাকআউট। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী চেষ্টা করছে তাদের জায়গা থেকে। কিন্তু তাদেরও সীমাবদ্ধতা রয়েছে। হাসনাত আবদুল্লাহকে ঠেকানোর জন্য আজকে আওয়ামী লীগ এক জোট হয়েছে, বিএনপির একটি অংশ এক জোট হয়েছে। ঋণখেলাপিদের অংশ একজোট হয়েছে। গণঅধিকার এক হয়েছে।

অভিযোগ করে হাসনাত বলেন, ট্রাক মার্কা বলে দ্বেবিদারে কিছু নেই, যেটা আছে সেটা সন্ত্রাসের প্রতীক। এর আগে বুধবার বিকেলে লাইভে এসে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ‘কালো টাকা বন্ধ করার জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর আমি সহযোগিতা চাই। ভোট আমাদের পবিত্র আমানত। কালো টাকা দিয়ে কেউ ভোট কিনে নেবে সেটা আমরা কখনোই হতে দেব না। এখন থেকে ভোটের ফলাফল শেষ না হওয়া পর্যন্ত আমি মাঠে থাকব। যখন দেখল যে, আমাদেরকে আর কোনও কিছু দিয়ে আটকাতে পারছে না, তখন একটি পক্ষ টাকা নিয়ে মাঠে নেমেছে। যারা টাকা নিয়ে দেবিদ্বারে এসেছেন, তাদের অস্তিত্ব থাকবে না।

তিনি আরও বলেন, কেউ যদি ধরা পড়েন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আপনাদের অস্তিত্ব রাখবে না। প্রশাসন ও পুলিশ যথেষ্ট পরিমাণে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। এতদিন আমরা অপেক্ষা করেছি একটি উৎসবমুখর ভোটের জন্য। মানুষ ভোট দেবে যাকে খুশি তাকে দেবে।

কুমিল্লা-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী নেই। এখানে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ছিলেন মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী। ঋণখেলাপির দায়ে তার প্রার্থিতা বাতিল হয়ে যায়। পরে এ আসনে গণধিকার পরিষদের প্রার্থী জসীম উদ্দীনকে সমর্থন দেয় বিএনপি।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

আমাকে ঠেকানোর জন্য বিএনপির একটি অংশ আ. লীগের কাছে বিক্রি হয়ে গেছে: হাসনাত

আপডেট সময় ০২:৩৬:৪৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আমাকে ঠেকানোর জন্য বিএনপির একটি অংশ আওয়ামী লীগের কাছে বিক্রি হয়ে গেছে। আপনারা দেবীদ্বারের যারা আছেন, আপনাদের কাছেই আমার বিচার, আপানারাই সিদ্ধান্ত নেবেন, আমার কিছু বলার নেই। বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) রাত পৌনে ১২টার দিকে ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড পেজ থেকে লাইভে এসে এসব কথা বলেন কুমিল্লা-৪ (দেবীদ্বার) আসনের জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী হাসনাত আবদুল্লাহ।

তিনি বলেন, আপনারা সিদ্ধান্ত নেন কাকে ভোট দেবেন। জুলাই অভ্যুত্থানের একজন প্রার্থী নিজে নাকি আবুল কালাম আজাদকে বলে আমি ভিক্ষা চাই, আমাকে পাস করান। জসীম (গণধিকার পরিষদের প্রার্থী) নিজে বলে। এই সব প্রমাণ আমি আপনাদের দিয়েছি। দেবীদ্বারের বিএনপির এর চেয়ে নির্লজ্জতা আর হতে পারে না। আমি বিএনপিকে বারবার বলেছি, আপনারা নির্যাতিত হয়েছেন, নিপীড়িত হয়েছেন, কিন্তু একটা অংশ বিক্রি হয়ে গেছে।

মিডিয়ার বিরুদ্ধে হাসনাত বলেন, মিডিয়ার কথা আর কী বলব। আমি যা বলে আসছি এত দিন, মিডিয়াতে কোনও ধরনের কথা নাই। মিডিয়া আজকে সব ভোল পাল্টাই ফেলছে। মিডিয়া ব্ল্যাকআউট। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী চেষ্টা করছে তাদের জায়গা থেকে। কিন্তু তাদেরও সীমাবদ্ধতা রয়েছে। হাসনাত আবদুল্লাহকে ঠেকানোর জন্য আজকে আওয়ামী লীগ এক জোট হয়েছে, বিএনপির একটি অংশ এক জোট হয়েছে। ঋণখেলাপিদের অংশ একজোট হয়েছে। গণঅধিকার এক হয়েছে।

অভিযোগ করে হাসনাত বলেন, ট্রাক মার্কা বলে দ্বেবিদারে কিছু নেই, যেটা আছে সেটা সন্ত্রাসের প্রতীক। এর আগে বুধবার বিকেলে লাইভে এসে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ‘কালো টাকা বন্ধ করার জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর আমি সহযোগিতা চাই। ভোট আমাদের পবিত্র আমানত। কালো টাকা দিয়ে কেউ ভোট কিনে নেবে সেটা আমরা কখনোই হতে দেব না। এখন থেকে ভোটের ফলাফল শেষ না হওয়া পর্যন্ত আমি মাঠে থাকব। যখন দেখল যে, আমাদেরকে আর কোনও কিছু দিয়ে আটকাতে পারছে না, তখন একটি পক্ষ টাকা নিয়ে মাঠে নেমেছে। যারা টাকা নিয়ে দেবিদ্বারে এসেছেন, তাদের অস্তিত্ব থাকবে না।

তিনি আরও বলেন, কেউ যদি ধরা পড়েন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আপনাদের অস্তিত্ব রাখবে না। প্রশাসন ও পুলিশ যথেষ্ট পরিমাণে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। এতদিন আমরা অপেক্ষা করেছি একটি উৎসবমুখর ভোটের জন্য। মানুষ ভোট দেবে যাকে খুশি তাকে দেবে।

কুমিল্লা-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী নেই। এখানে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ছিলেন মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী। ঋণখেলাপির দায়ে তার প্রার্থিতা বাতিল হয়ে যায়। পরে এ আসনে গণধিকার পরিষদের প্রার্থী জসীম উদ্দীনকে সমর্থন দেয় বিএনপি।