ঢাকা ০৭:৩২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo যুক্তরাষ্ট্রের শিল্পপ্রতিষ্ঠানে হামলার হুঁশিয়ারি আইআরজিসির, কর্মীদের এলাকা ছাড়ার আহ্বান Logo সকালের মধ্যেই ৮ জেলায় ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের শঙ্কা, নদীবন্দরে সতর্কতা Logo সরকারি ছুটির মধ্যেই সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠক আজ Logo লেবাননে ইসরায়েলের স্থল অভিযান শুরু Logo জেলে না গেলে বুঝতাম না কত বড় জুলুমের শাসন ড. ইউনূস করে দিয়েছে: আনিস আলমগীর Logo ২০ বছর আগে নিয়োগ বাতিল হওয়া ৩৩০ পুলিশ সদস্যকে চাকরি দিচ্ছে সরকার Logo এক বছরে রোহিঙ্গা শরণার্থী বাড়ল ১ লাখ ৭৯ হাজার Logo ইসরায়েলের সামরিক ঘাঁটি ও অস্ত্রাগারে হামলার দাবি আইআরজিসির Logo ‘সংবিধান সংস্কার পরিষদের বাস্তবায়ন না হওয়ার পেছনে দায় প্রধানমন্ত্রীর’ Logo কেউ ভোট দিতে পারেননি, এমন অভিযোগ পাননি: সিইসি

আড়ংয়ে ব্যাগ না দেওয়ায় হাতে কাপড় নিয়ে ফিরলেন রুমিন ফারহানা

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০১:১৩:৩৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬
  • ২৫ বার পড়া হয়েছে

রাজধানীর উত্তরায় আড়ংয়ের শোরুম থেকে মায়ের জন্য কাপড় কিনে শপিং ব্যাগ না পেয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে তিক্ত অভিজ্ঞতা নিয়ে বাসায় ফিরলেন সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। হাতে করে কাপড় নিয়ে বাসায় ফেরার এই ছবি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে শুরু হয় আলোচনা-সমালোচনা।

সাড়ে চার হাজার টাকার কাপড় কিনলেন ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। কাউন্টারে বিল দেওয়ার সময় কোনো ব্যাগ ছাড়াই তার হাতে চারটি কাপড় ধরিয়ে দেওয়া হয়।

রুমিন ফারাহানাও এগুলো হাতে করে বেরিয়ে পড়েন। হাতে করে কাপড় নিয়ে আসার একাধিক ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে পাওয়া যায়। ব্যাগ না পাওয়ার বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে স্ট্যাটাস দিয়েছেন রুমিন ফারহানার ব্যক্তিগত সহকারী জাকির হোসেন শুভ।

এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন রুমিন ফারহানা এমপিও। শনিবার রাতে মোবাইল ফোনে তিনি বলেন, ‘ইফতারের পর রাজধানীর উত্তরার জসিম উদ্দিন রোডের আড়ং শোরুমে যাই। মায়ের জন্য চারটি কাপড় (ম্যাক্সি) কিনি। কাউন্টারে যাওয়ার পর সাড়ে চার হাজার টাকার বিল ধরিয়ে কোনো ব্যাগ ছাড়াই কাপড় বুঝিয়ে দেয়। আমি সেভাবেই কাপড় নিয়ে চলে আসি। ’

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘সাড়ে চার হাজার টাকার কাপড় কিনে কেন আমি দাম দিয়ে ব্যাগ নেব। এটা কোনো বিষয় হতে পারে না। আমি আসলে আড়ংয়ে যাই না। জীবনেও যেতাম না। কিন্তু আমার মায়ের গায়ে লাগে এমন কাপড় আড়ংয়েই পাওয়া যায় বলে সেখানে যাওয়া। ’

এদিকে জাকির হোসেন ফেসবুকে লিখেন, ‘অনেক দিন লিখবো লিখবো বলে লিখি নাই। কিন্তু আজ লিখতে বাধ্য হইলাম-

আড়ং থেকে কেনাকাটা করতে গিয়ে আজ এক অদ্ভুত অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হলাম। একজন সংসদ সদস্যকে এতটুকু সম্মান দেখানো উচিত ছিল তাদের পক্ষ থেকে। আমরা গ্রাহকরা টাকা দিয়ে পণ্য কিনব, কিন্তু সেই পণ্য বহন করার জন্য একটি সাধারণ শপিং ব্যাগও পাব না—এটা কেমন নিয়ম?

পরিবেশ রক্ষার কথা বলে যদি শপিং ব্যাগ বন্ধ করা হয়, তাহলে বিকল্প ব্যবস্থাও তো থাকতে হবে। কিন্তু এখানে দেখা যাচ্ছে, গ্রাহকের সুবিধার চেয়ে নিয়ম চাপিয়ে দেওয়াটাই যেন বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে গেছে।

একটা ব্র্যান্ড যখন মানুষের ভালোবাসা আর আস্থার ওপর দাঁড়িয়ে থাকে, তখন সেই ব্র্যান্ডের দায়িত্বও থাকে গ্রাহকের প্রতি সম্মান দেখানোর। আমি মনে করি— গ্রাহকের ন্যূনতম সম্মান নিশ্চিত করা প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব।

এই বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। গ্রাহকের কষ্ট যেন অবহেলার বিষয় না হয়। জানতে চাইলে বিষয়টির সত্যতা স্বীকার করেন জাকির হোসেন শুভ। আড়ং থেকে কিছু কিনলে আলাদা দাম দিয়ে ব্যাগ কিনতে হয় বলে তিনি জানান।

তবে এ নিয়ে আড়ং কর্তৃপক্ষের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। রাত ৯টা ১০ মিনিটে উত্তরার শোরুমের টিএন্ডটি নম্বরে একাধিকবার কল দিলেও কেউ রিসিভ করেননি।

একটি সূত্র জানায়, আড়ংয়ের শোরুম থেকে ক্রেতাকে ব্যাগ কিনতে হয়। একেকটি ব্যাগের দাম সাড়ে ১২ টাকা থেকে ৭৫ টাকা। ব্যাগগুলোতে তাদের সিল দেওয়া থাকে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

যুক্তরাষ্ট্রের শিল্পপ্রতিষ্ঠানে হামলার হুঁশিয়ারি আইআরজিসির, কর্মীদের এলাকা ছাড়ার আহ্বান

আড়ংয়ে ব্যাগ না দেওয়ায় হাতে কাপড় নিয়ে ফিরলেন রুমিন ফারহানা

আপডেট সময় ০১:১৩:৩৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬

রাজধানীর উত্তরায় আড়ংয়ের শোরুম থেকে মায়ের জন্য কাপড় কিনে শপিং ব্যাগ না পেয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে তিক্ত অভিজ্ঞতা নিয়ে বাসায় ফিরলেন সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। হাতে করে কাপড় নিয়ে বাসায় ফেরার এই ছবি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে শুরু হয় আলোচনা-সমালোচনা।

সাড়ে চার হাজার টাকার কাপড় কিনলেন ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। কাউন্টারে বিল দেওয়ার সময় কোনো ব্যাগ ছাড়াই তার হাতে চারটি কাপড় ধরিয়ে দেওয়া হয়।

রুমিন ফারাহানাও এগুলো হাতে করে বেরিয়ে পড়েন। হাতে করে কাপড় নিয়ে আসার একাধিক ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে পাওয়া যায়। ব্যাগ না পাওয়ার বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে স্ট্যাটাস দিয়েছেন রুমিন ফারহানার ব্যক্তিগত সহকারী জাকির হোসেন শুভ।

এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন রুমিন ফারহানা এমপিও। শনিবার রাতে মোবাইল ফোনে তিনি বলেন, ‘ইফতারের পর রাজধানীর উত্তরার জসিম উদ্দিন রোডের আড়ং শোরুমে যাই। মায়ের জন্য চারটি কাপড় (ম্যাক্সি) কিনি। কাউন্টারে যাওয়ার পর সাড়ে চার হাজার টাকার বিল ধরিয়ে কোনো ব্যাগ ছাড়াই কাপড় বুঝিয়ে দেয়। আমি সেভাবেই কাপড় নিয়ে চলে আসি। ’

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘সাড়ে চার হাজার টাকার কাপড় কিনে কেন আমি দাম দিয়ে ব্যাগ নেব। এটা কোনো বিষয় হতে পারে না। আমি আসলে আড়ংয়ে যাই না। জীবনেও যেতাম না। কিন্তু আমার মায়ের গায়ে লাগে এমন কাপড় আড়ংয়েই পাওয়া যায় বলে সেখানে যাওয়া। ’

এদিকে জাকির হোসেন ফেসবুকে লিখেন, ‘অনেক দিন লিখবো লিখবো বলে লিখি নাই। কিন্তু আজ লিখতে বাধ্য হইলাম-

আড়ং থেকে কেনাকাটা করতে গিয়ে আজ এক অদ্ভুত অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হলাম। একজন সংসদ সদস্যকে এতটুকু সম্মান দেখানো উচিত ছিল তাদের পক্ষ থেকে। আমরা গ্রাহকরা টাকা দিয়ে পণ্য কিনব, কিন্তু সেই পণ্য বহন করার জন্য একটি সাধারণ শপিং ব্যাগও পাব না—এটা কেমন নিয়ম?

পরিবেশ রক্ষার কথা বলে যদি শপিং ব্যাগ বন্ধ করা হয়, তাহলে বিকল্প ব্যবস্থাও তো থাকতে হবে। কিন্তু এখানে দেখা যাচ্ছে, গ্রাহকের সুবিধার চেয়ে নিয়ম চাপিয়ে দেওয়াটাই যেন বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে গেছে।

একটা ব্র্যান্ড যখন মানুষের ভালোবাসা আর আস্থার ওপর দাঁড়িয়ে থাকে, তখন সেই ব্র্যান্ডের দায়িত্বও থাকে গ্রাহকের প্রতি সম্মান দেখানোর। আমি মনে করি— গ্রাহকের ন্যূনতম সম্মান নিশ্চিত করা প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব।

এই বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। গ্রাহকের কষ্ট যেন অবহেলার বিষয় না হয়। জানতে চাইলে বিষয়টির সত্যতা স্বীকার করেন জাকির হোসেন শুভ। আড়ং থেকে কিছু কিনলে আলাদা দাম দিয়ে ব্যাগ কিনতে হয় বলে তিনি জানান।

তবে এ নিয়ে আড়ং কর্তৃপক্ষের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। রাত ৯টা ১০ মিনিটে উত্তরার শোরুমের টিএন্ডটি নম্বরে একাধিকবার কল দিলেও কেউ রিসিভ করেননি।

একটি সূত্র জানায়, আড়ংয়ের শোরুম থেকে ক্রেতাকে ব্যাগ কিনতে হয়। একেকটি ব্যাগের দাম সাড়ে ১২ টাকা থেকে ৭৫ টাকা। ব্যাগগুলোতে তাদের সিল দেওয়া থাকে।


Notice: ob_end_flush(): Failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/somokontho/public_html/wp-includes/functions.php on line 5481