ঢাকা ০৬:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

আগামী নির্বাচন জনগণের ভোটাধিকার পুনরুদ্ধারের পথ খুলে দেবে: গয়েশ্বর

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০২:০৪:৩৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৭১ বার পড়া হয়েছে

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ঢাকা-৩ (কেরানীগঞ্জ) আসনে ধানের শীষের প্রার্থী গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন ছাড়া রাষ্ট্রের মালিকানা জনগণের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার কোনো বিকল্প নেই। দীর্ঘ ১৭ বছর জনগণ প্রকৃত ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত ছিল। গণতন্ত্র টিকিয়ে রাখতে হলে জনগণের অংশগ্রহণ অপরিহার্য।

বুধবার (১০ ডিসেম্বর) বিকালে কেরানীগঞ্জের জিনজিরা ইউনিয়নের বিভিন্ন পাড়া-মহল্লায় নির্বাচনী গণসংযোগকালে তিনি এসব কথা বলেন।

গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, দেশের রাজনৈতিক পরিবর্তনের মূল শক্তি হলো জনগণ। জনগণ জেগে উঠলে কোনো শক্তিই তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার দমন করতে পারে না। আগামী ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহে বাংলাদেশে একটি ঐতিহাসিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে, যা জনগণের ভোটাধিকার পুনরুদ্ধারের পথ খুলে দেবে।

তিনি আরও বলেন, গত ১৭ বছর ধরে জনগণ আওয়ামী সরকারের কঠোর নিয়ন্ত্রণ ও রাজনৈতিক দমন-পীড়নের মধ্যে ছিল। এ সময়ে তারা ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেননি। যদি মানুষ তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পায়, তাহলে নির্বাচনের মাধ্যমেই জনগণ বিএনপিকে আবারও রাষ্ট্র পরিচালনার সুযোগ দেবে।

আসন্ন নির্বাচনে ধানের শীষের পক্ষে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে গয়েশ্বর বলেন, প্রতিটি ঘরে ঘরে ধানের শীষের সালাম পৌঁছে দিতে হবে—তারেক রহমানের সালাম, দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার সালাম। ভেদাভেদ ভুলে ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করতে হবে।

গণসংযোগে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোজাদ্দেদ আলী বাবুসহ স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

আগামী নির্বাচন জনগণের ভোটাধিকার পুনরুদ্ধারের পথ খুলে দেবে: গয়েশ্বর

আপডেট সময় ০২:০৪:৩৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২৫

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ঢাকা-৩ (কেরানীগঞ্জ) আসনে ধানের শীষের প্রার্থী গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন ছাড়া রাষ্ট্রের মালিকানা জনগণের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার কোনো বিকল্প নেই। দীর্ঘ ১৭ বছর জনগণ প্রকৃত ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত ছিল। গণতন্ত্র টিকিয়ে রাখতে হলে জনগণের অংশগ্রহণ অপরিহার্য।

বুধবার (১০ ডিসেম্বর) বিকালে কেরানীগঞ্জের জিনজিরা ইউনিয়নের বিভিন্ন পাড়া-মহল্লায় নির্বাচনী গণসংযোগকালে তিনি এসব কথা বলেন।

গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, দেশের রাজনৈতিক পরিবর্তনের মূল শক্তি হলো জনগণ। জনগণ জেগে উঠলে কোনো শক্তিই তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার দমন করতে পারে না। আগামী ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহে বাংলাদেশে একটি ঐতিহাসিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে, যা জনগণের ভোটাধিকার পুনরুদ্ধারের পথ খুলে দেবে।

তিনি আরও বলেন, গত ১৭ বছর ধরে জনগণ আওয়ামী সরকারের কঠোর নিয়ন্ত্রণ ও রাজনৈতিক দমন-পীড়নের মধ্যে ছিল। এ সময়ে তারা ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেননি। যদি মানুষ তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পায়, তাহলে নির্বাচনের মাধ্যমেই জনগণ বিএনপিকে আবারও রাষ্ট্র পরিচালনার সুযোগ দেবে।

আসন্ন নির্বাচনে ধানের শীষের পক্ষে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে গয়েশ্বর বলেন, প্রতিটি ঘরে ঘরে ধানের শীষের সালাম পৌঁছে দিতে হবে—তারেক রহমানের সালাম, দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার সালাম। ভেদাভেদ ভুলে ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করতে হবে।

গণসংযোগে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোজাদ্দেদ আলী বাবুসহ স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।