ঢাকা ০৩:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

আওয়ামী লীগের এক নেতা গ্রেপ্তার

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০১:০৭:৩০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ নভেম্বর ২০২৫
  • ৭৭ বার পড়া হয়েছে

মাদারীপুর জেলার শিবচর উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও শিরুয়াইল ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আতিকুর রহমান মুরাদ হাওলাদারকে গ্রেপ্তার করেছে শিবচর থানা পুলিশ। মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) বেলা ১১টার দিকে উপজেলার উৎরাইল বাজার এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শিবচর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রাকিবুল হাসানের নেতৃত্বে পুলিশের একটি চৌকস টিম উৎরাইল বাজার এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় আতিকুর রহমান মুরাদ হাওলাদারকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাকে থানায় নিয়ে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আদালতের মাধ্যমে মাদারীপুর জেলাহাজতে পাঠানো হয়।

শিবচর থানার ওসি রাকিবুল ইসলাম বলেন, ‘আতিকুর রহমান মুরাদ হাওলাদারের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা ও অভিযোগ রয়েছে। আদালতের নির্দেশনা ও চলমান তদন্তের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে, তদন্ত শেষ হলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ‘আতিকুর রহমান মুরাদ হাওলাদার দীর্ঘদিন ধরে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত এবং তিনি শিরুয়াইল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে সফলভাবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি শিবচর উপজেলা আওয়ামী লীগের একজন সক্রিয় ও প্রভাবশালী নেতা হিসেবেও পরিচিত। তার গ্রেপ্তারের খবরে এলাকায় ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয় জনগণ ও রাজনৈতিক অঙ্গনে বিষয়টি নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। কেউ কেউ মনে করছেন, সাম্প্রতিক সময়ে ইউনিয়নের কিছু উন্নয়ন প্রকল্প ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকা নিয়ে বিরোধের জেরে তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়।

অন্যদিকে, তার ঘনিষ্ঠ সহযোগীদের দাবি—এটি রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অংশ হিসেবে সাজানো একটি পরিকল্পিত গ্রেপ্তার।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

আওয়ামী লীগের এক নেতা গ্রেপ্তার

আপডেট সময় ০১:০৭:৩০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ নভেম্বর ২০২৫

মাদারীপুর জেলার শিবচর উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও শিরুয়াইল ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আতিকুর রহমান মুরাদ হাওলাদারকে গ্রেপ্তার করেছে শিবচর থানা পুলিশ। মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) বেলা ১১টার দিকে উপজেলার উৎরাইল বাজার এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শিবচর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রাকিবুল হাসানের নেতৃত্বে পুলিশের একটি চৌকস টিম উৎরাইল বাজার এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় আতিকুর রহমান মুরাদ হাওলাদারকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাকে থানায় নিয়ে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আদালতের মাধ্যমে মাদারীপুর জেলাহাজতে পাঠানো হয়।

শিবচর থানার ওসি রাকিবুল ইসলাম বলেন, ‘আতিকুর রহমান মুরাদ হাওলাদারের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা ও অভিযোগ রয়েছে। আদালতের নির্দেশনা ও চলমান তদন্তের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে, তদন্ত শেষ হলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ‘আতিকুর রহমান মুরাদ হাওলাদার দীর্ঘদিন ধরে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত এবং তিনি শিরুয়াইল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে সফলভাবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি শিবচর উপজেলা আওয়ামী লীগের একজন সক্রিয় ও প্রভাবশালী নেতা হিসেবেও পরিচিত। তার গ্রেপ্তারের খবরে এলাকায় ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয় জনগণ ও রাজনৈতিক অঙ্গনে বিষয়টি নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। কেউ কেউ মনে করছেন, সাম্প্রতিক সময়ে ইউনিয়নের কিছু উন্নয়ন প্রকল্প ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকা নিয়ে বিরোধের জেরে তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়।

অন্যদিকে, তার ঘনিষ্ঠ সহযোগীদের দাবি—এটি রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অংশ হিসেবে সাজানো একটি পরিকল্পিত গ্রেপ্তার।