ঢাকা ০৬:২৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অ্যালার্জি প্রতিরোধে খেতে পারেন যেসব খাবার

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৬:৩৭:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ অক্টোবর ২০২৫
  • ৬০ বার পড়া হয়েছে

আজকাল খুব সাধারণ একটি সমস্যা হচ্ছে অ্যালার্জি। বয়স আট হোক কিংবা ৮০ কমবেশি সবারই অ্যালার্জি রয়েছে। অনেক সময় এটি নিজে একটি রোগ, আবার কখনো অন্য রোগের উপসর্গ হিসেবেও দেখা দিয়ে থাকে। ত্বকে অ্যালার্জি তো চেনা সমস্যা। তবে চোখ ও শ্বাসনালি কিংবা হজমজনিত কারণে অ্যালার্জি হলে তা হয়ে উঠতে পারে বড় বিপজ্জনক।

এ বিষয়ে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা ঠিক থাকলে অনেকাংশেই অ্যালার্জি দূরে রাখা সম্ভব। আর যদি রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা না থাকে, তবে আপনাকে খেয়ে ফেলবে অ্যালার্জি।

পুষ্টিবিদরা বলছেন, প্রতিদিনের খাবারে কিছু নির্দিষ্ট উপাদান রাখলে অ্যালার্জির ঝুঁকি কমানো যায়। বিশেষ করে হলুদের কারকিউমিন উপাদান অ্যান্টি-অ্যালার্জিক ও অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি হিসেবে কাজ করে। এটি অ্যালার্জি সংক্রান্ত প্রদাহ কমাতে বিশেষভাবে উপকারী। প্রতিদিন সকালে খালি পেটে কাঁচা হলুদের সঙ্গে কয়েকটি গোলমরিচ চিবিয়ে খেতে পারেন।

সে জন্য ভিটামিন-সি সমৃদ্ধ ফল ও সবজি খেতে হবে। কারণ ভিটামিন-সি একটি শক্তিশালী অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, যা শরীরে হিস্টামিন নামক রাসায়নিকের মাত্রা কমিয়ে দেয়। আর হিস্টামিন মূলত অ্যালার্জির উপসর্গের জন্য দায়ী। এ জন্য আপনাকে আমলকী, কমলালেবু, স্ট্রবেরি, কিউই, পেঁপে, ক্যাপসিকাম, ব্রকলি নিয়মিত খেতে হবে। আবার কুয়ারসেটিন এক ধরনের প্রাকৃতিক অ্যান্টি-হিস্টামিন, যা অ্যালার্জির কারণে হওয়া প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে। এটি পাওয়া যায় লাল পেঁয়াজ, আপেল (খোসাসহ), আঙুর, বেরি, গ্রিনটিতে।

এ ছাড়া অ্যালার্জির জন্য ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড শরীরে প্রদাহ কমাতে দারুণ কার্যকর। অ্যালার্জির উপসর্গ হ্রাস করতে সাহায্য করে ওমেগা-৩। এ জন্য আপনাকে নিয়মিত খেতে হবে স্যালমন, টুনা, ম্যাকেরেল বা অন্যান্য তৈলাক্তজাতীয় মাছ। আরও খেতে পারেন উদ্ভিজ্জজাতীয় উৎস হিসেবে আখরোট ও তিসি বীজ (ফ্ল্যাক্সসিড)।

আর প্রোবায়োটিক হলো অন্ত্রের জন্য উপকারী ব্যাকটেরিয়া। অন্ত্র সুস্থ থাকলে শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতাও শক্তিশালী হয়। ফলে অ্যালার্জির প্রবণতা কমে যায়। আর এটি পাওয়া যায় টক দই ও বাটারমিল্কে। টক দই ও বাটারমিল্ক খেলে আপনার শরীরর সুস্থ থাকবে।

এসব খাবার প্রতিদিন নিয়মিত খেলে শরীরের অ্যালার্জির প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারেন। তবে যদি কারও অ্যালার্জির সমস্যা গুরুতর হয়, বিশেষ করে শিশুদের ক্ষেত্রে, তাহলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।

ইরানের সঙ্গে চুক্তির সম্ভাবনায় আশাবাদী হোয়াইট হাউস

অ্যালার্জি প্রতিরোধে খেতে পারেন যেসব খাবার

আপডেট সময় ০৬:৩৭:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ অক্টোবর ২০২৫

আজকাল খুব সাধারণ একটি সমস্যা হচ্ছে অ্যালার্জি। বয়স আট হোক কিংবা ৮০ কমবেশি সবারই অ্যালার্জি রয়েছে। অনেক সময় এটি নিজে একটি রোগ, আবার কখনো অন্য রোগের উপসর্গ হিসেবেও দেখা দিয়ে থাকে। ত্বকে অ্যালার্জি তো চেনা সমস্যা। তবে চোখ ও শ্বাসনালি কিংবা হজমজনিত কারণে অ্যালার্জি হলে তা হয়ে উঠতে পারে বড় বিপজ্জনক।

এ বিষয়ে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা ঠিক থাকলে অনেকাংশেই অ্যালার্জি দূরে রাখা সম্ভব। আর যদি রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা না থাকে, তবে আপনাকে খেয়ে ফেলবে অ্যালার্জি।

পুষ্টিবিদরা বলছেন, প্রতিদিনের খাবারে কিছু নির্দিষ্ট উপাদান রাখলে অ্যালার্জির ঝুঁকি কমানো যায়। বিশেষ করে হলুদের কারকিউমিন উপাদান অ্যান্টি-অ্যালার্জিক ও অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি হিসেবে কাজ করে। এটি অ্যালার্জি সংক্রান্ত প্রদাহ কমাতে বিশেষভাবে উপকারী। প্রতিদিন সকালে খালি পেটে কাঁচা হলুদের সঙ্গে কয়েকটি গোলমরিচ চিবিয়ে খেতে পারেন।

সে জন্য ভিটামিন-সি সমৃদ্ধ ফল ও সবজি খেতে হবে। কারণ ভিটামিন-সি একটি শক্তিশালী অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, যা শরীরে হিস্টামিন নামক রাসায়নিকের মাত্রা কমিয়ে দেয়। আর হিস্টামিন মূলত অ্যালার্জির উপসর্গের জন্য দায়ী। এ জন্য আপনাকে আমলকী, কমলালেবু, স্ট্রবেরি, কিউই, পেঁপে, ক্যাপসিকাম, ব্রকলি নিয়মিত খেতে হবে। আবার কুয়ারসেটিন এক ধরনের প্রাকৃতিক অ্যান্টি-হিস্টামিন, যা অ্যালার্জির কারণে হওয়া প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে। এটি পাওয়া যায় লাল পেঁয়াজ, আপেল (খোসাসহ), আঙুর, বেরি, গ্রিনটিতে।

এ ছাড়া অ্যালার্জির জন্য ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড শরীরে প্রদাহ কমাতে দারুণ কার্যকর। অ্যালার্জির উপসর্গ হ্রাস করতে সাহায্য করে ওমেগা-৩। এ জন্য আপনাকে নিয়মিত খেতে হবে স্যালমন, টুনা, ম্যাকেরেল বা অন্যান্য তৈলাক্তজাতীয় মাছ। আরও খেতে পারেন উদ্ভিজ্জজাতীয় উৎস হিসেবে আখরোট ও তিসি বীজ (ফ্ল্যাক্সসিড)।

আর প্রোবায়োটিক হলো অন্ত্রের জন্য উপকারী ব্যাকটেরিয়া। অন্ত্র সুস্থ থাকলে শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতাও শক্তিশালী হয়। ফলে অ্যালার্জির প্রবণতা কমে যায়। আর এটি পাওয়া যায় টক দই ও বাটারমিল্কে। টক দই ও বাটারমিল্ক খেলে আপনার শরীরর সুস্থ থাকবে।

এসব খাবার প্রতিদিন নিয়মিত খেলে শরীরের অ্যালার্জির প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারেন। তবে যদি কারও অ্যালার্জির সমস্যা গুরুতর হয়, বিশেষ করে শিশুদের ক্ষেত্রে, তাহলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।


Notice: ob_end_flush(): Failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/somokontho/public_html/wp-includes/functions.php on line 5481