ঢাকা ০৯:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

অ্যামেরিকা বাংলাদেশ চুক্তি সই, নতুন যে সুবিধা পাওয়া যাবে

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১১:১১:০৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৮৭ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশ ও অ্যামেরিকার মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। সোমবার বাংলাদেশ সময় রাত ১০টায় এই চুক্তি সম্পন্ন হয়।

এর ফলে অ্যামেরিকাতে বাংলাদেশি পণ্যের ওপর আরোপিত পাল্টা শুল্কহার ১ শতাংশ কমানো হয়েছে। আগে যেখানে এই হার ছিল ২০ শতাংশ, এখন তা কমে দাঁড়িয়েছে ১৯ শতাংশে। পূর্বের নিয়ম অনুযায়ী বাংলাদেশি পণ্যের ওপর নির্ধারিত ১৫ শতাংশ শুল্ক ছিল, পরিবর্তন ও পালটা শুল্কের প্রভাবে মোট শুল্কের পরিমাণ ৩৪ শতাংশে গিয়ে দাঁড়াবে কিনা এই বিষয়ে এখনও সুস্পষ্ট কোন তথ্য পাওয়া যায়নি।

প্রকাশিত বেশ কিছু সংবাদের সূত্র ধরে জানা গেছে চুক্তির আরেকটি বড় সুবিধা হচ্ছে — অ্যামেরিকা থেকে আমদানি করা তুলা ও ফাইবার দিয়ে তৈরি পোশাক অ্যামেরিকাতেই রপ্তানি করলে সে ক্ষেত্রে আর কোনো পাল্টা শুল্ক আরোপ করা হবে না। অর্থাৎ, অ্যামেরিকার কাঁচামালে তৈরি পোশাক রপ্তানিতে বাংলাদেশ শুল্কমুক্ত সুবিধা পাওয়ার সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়েছে।
বাংলাদেশের পক্ষে বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন এবং অ্যামেরিকার পক্ষে দেশটির বাণিজ্য প্রতিনিধি জেমিসন গ্রিয়ার এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। যদিও চুক্তি স্বাক্ষরের পরপরই বাণিজ্য মন্ত্রণালয় আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেয়নি, তবে আগামীকাল বেলা আড়াইটায় চুক্তির সার্বিক দিক তুলে ধরা হবে বলে জানানো হয়েছে।

পোশাক খাতের রপ্তানিকারকেরা এই চুক্তিকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন।
বর্তমানে বাংলাদেশ ও অ্যামেরিকার দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের পরিমাণ প্রায় ৮০০ কোটি মার্কিন ডলার। এর মধ্যে বাংলাদেশ রপ্তানি করে প্রায় ৬০০ কোটি ডলারের পণ্য এবং আমদানি করে প্রায় ২০০ কোটি ডলারের পণ্য।
এই নতুন চুক্তি বাংলাদেশের রপ্তানি খাতে কতটা ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে, এখন সেটাই দেখার বিষয়।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

অ্যামেরিকা বাংলাদেশ চুক্তি সই, নতুন যে সুবিধা পাওয়া যাবে

আপডেট সময় ১১:১১:০৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বাংলাদেশ ও অ্যামেরিকার মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। সোমবার বাংলাদেশ সময় রাত ১০টায় এই চুক্তি সম্পন্ন হয়।

এর ফলে অ্যামেরিকাতে বাংলাদেশি পণ্যের ওপর আরোপিত পাল্টা শুল্কহার ১ শতাংশ কমানো হয়েছে। আগে যেখানে এই হার ছিল ২০ শতাংশ, এখন তা কমে দাঁড়িয়েছে ১৯ শতাংশে। পূর্বের নিয়ম অনুযায়ী বাংলাদেশি পণ্যের ওপর নির্ধারিত ১৫ শতাংশ শুল্ক ছিল, পরিবর্তন ও পালটা শুল্কের প্রভাবে মোট শুল্কের পরিমাণ ৩৪ শতাংশে গিয়ে দাঁড়াবে কিনা এই বিষয়ে এখনও সুস্পষ্ট কোন তথ্য পাওয়া যায়নি।

প্রকাশিত বেশ কিছু সংবাদের সূত্র ধরে জানা গেছে চুক্তির আরেকটি বড় সুবিধা হচ্ছে — অ্যামেরিকা থেকে আমদানি করা তুলা ও ফাইবার দিয়ে তৈরি পোশাক অ্যামেরিকাতেই রপ্তানি করলে সে ক্ষেত্রে আর কোনো পাল্টা শুল্ক আরোপ করা হবে না। অর্থাৎ, অ্যামেরিকার কাঁচামালে তৈরি পোশাক রপ্তানিতে বাংলাদেশ শুল্কমুক্ত সুবিধা পাওয়ার সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়েছে।
বাংলাদেশের পক্ষে বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন এবং অ্যামেরিকার পক্ষে দেশটির বাণিজ্য প্রতিনিধি জেমিসন গ্রিয়ার এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। যদিও চুক্তি স্বাক্ষরের পরপরই বাণিজ্য মন্ত্রণালয় আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেয়নি, তবে আগামীকাল বেলা আড়াইটায় চুক্তির সার্বিক দিক তুলে ধরা হবে বলে জানানো হয়েছে।

পোশাক খাতের রপ্তানিকারকেরা এই চুক্তিকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন।
বর্তমানে বাংলাদেশ ও অ্যামেরিকার দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের পরিমাণ প্রায় ৮০০ কোটি মার্কিন ডলার। এর মধ্যে বাংলাদেশ রপ্তানি করে প্রায় ৬০০ কোটি ডলারের পণ্য এবং আমদানি করে প্রায় ২০০ কোটি ডলারের পণ্য।
এই নতুন চুক্তি বাংলাদেশের রপ্তানি খাতে কতটা ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে, এখন সেটাই দেখার বিষয়।